‘কেউ আমাকে বলেনি ভাই রিভিউটা নেন’

‘কেউ আমাকে বলেনি ভাই রিভিউটা নেন’

২০ ওভারের ইনিংসে এক ব্যাটারই জীবন পেলেন চার থেকে পাঁচবার! হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য শোনালেনও সত্য। সেই সৌভাগ্যবান ব্যাটারের নাম কুশল মেন্ডিস। সেই মেন্ডিসই বলতে গেলে এক হাতে হারিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশকে।

বারকয়েক জীবন পেয়ে ৩৭ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৬০ রানের এক ইনিংস খেলেন মেন্ডিস। বাংলাদেশের হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচ ছুটে যায় তাতেই। মেন্ডিস অনেকবার জীবন পেয়েছেন। ক্যাচ মিস বা ওভারস্টেপিং-এগুলোকে হয়তো খেলার অংশ বলা যায়। কিন্তু সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রিভিউ না নেওয়া, একে তো ভুল ছাড়া কিছু বলার উপায় নেই।

সেই ভুলটাই বাংলাদেশ করেছে লঙ্কান ইনিংসের অষ্টম ওভারে। এবাদতের ওই ওভারে মেন্ডিস পুল করলে লেগ দিয়ে বল চলে গিয়েছিল উইকেটরক্ষক মুশফিকের হাতে। আবেদনও হয়েছিল। কিন্তু আম্পায়ার সে আবেদন নাকচ করে দেন। বাংলাদেশি ফিল্ডাররা কেউই বুঝতে পারেননি বল ব্যাটে স্পর্শ লেগেছে কিনা। ফলে রিভিউও নেননি। পরে স্নিকোমিটারে দেখা যায়, বল ব্যাটে লেগেই গেছে মুশফিকের হাতে।

ওই সময় রিভিউটা নিলে ম্যাচের ফল হয়তো ভিন্ন হতে পারতো। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনেও তাই রিভিউ প্রসঙ্গটা আসলো। সাকিব কেন রিভিউ নিলেন না? কী ভেবেছিলেন? বাংলাদেশ অধিনায়ক জানালেন, আসলে তাকে কেউ বলেইনি রিভিউটা নেওয়া উচিত। আর তিনি কাভারে দাঁড়িয়ে থাকায় নিজে তো বুঝতে পারেননি স্বাভাবিকভাবেই। সাকিব বলেন, ‘কেউই শুনেনি আসলে, এখন কী বলব! আমি তো কাভারে ছিলাম। মিড উইকেট, শর্ট মিড উইকেটে যে ছিল কেউই বলেনি যে, ভাই নেন রিভিউ। বা রিভিউটা নেওয়া যায় কিনা।’

সাকিব মনে করেন, খেলা নিয়ে বাড়তি আবেগ মাঠের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলছে। মাঠে আবেগের কোনো স্থান নেই। সাকিবের ভাষায়, ‘আমরা অনেক আবেগপ্রবণ দল। এই একটা জায়গায় আমাদের উন্নতি করতে হবে। খেলাটা মাথা দিয়ে খেলতে হবে, বাড়তি মন দিয়ে নয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2022 Jonotaralo
Design BY NewsTheme