Categories
জাতীয়

নিখোঁজ আবু ত্বহার সন্ধানে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চেয়ে স্ত্রীর চিঠি

আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান গত ৮ জুন নি’খোঁজ হওয়ার পর, এখনও তার কোনো স’ন্ধা’ন পায়নি পরিবার। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চেয়ে একটি চিঠি লিখেছেন আবু ত্বহার স্ত্রী সাবিকুন্নাহার। চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করে সা’বিকুন্নাহার আজ সো’মবার রাতে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার স্বামী এবং তার দুই সঙ্গী ও গাড়িচালকের কোনো খোঁ’জ পাইনি। আমরা কোনো জি’ডিও করতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘এর আগে পল্লবী থানায় গেলে, থানা থেকে জানায় তার স’র্বশেষ অবস্থান ছিল রংপুর। তারা আমাকে রংপুর গিয়ে জি’ডি করতে বলে।’ এ অবস্থায় আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান, তার দুই সঙ্গী ও গাড়ি চালকের জীবন র’ক্ষা’র্থে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চেয়ে সাবিকুন্নাহার একটি চিঠি দিয়েছেন। চিঠিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গেটে জমা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

গত ৮ জুন রংপুর থেকে ঢাকা ফেরার সময় দুই স’ঙ্গী ও গাড়িচালকসহ আবু ত্বহা নি’খোঁজ হন উল্লেখ করে চিঠিতে তিনি বলেন, ‘তাদের ব্যব’হৃত গাড়ি কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। গত চার দিন ধরে খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও পাওয়া যায়নি। দারুস সালাম ও পল্লবী থানায় গিয়ে কোনো আইনি সাহায্য পাইনি।’

চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা অ’ত্যন্ত উ’দ্বি’গ্ন। কারও সহযোগিতা না পেয়ে আপনার বরাবর শেষ আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’ আবু ত্বহা কোনো অ’পরা’ধ করে থাকলে, তাকে আ’ইনের কাছে সোপর্দ করা হোক বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার।

Categories
জাতীয়

ত্ব-হা আদনান কে নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বিবৃতি

রংপুর থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে তিন সঙ্গীসহ নিখোঁজ ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান। তাদের খোঁজ চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার মা আজেদা বেগম। নিখোঁজ ইসলামিক বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার সঙ্গীদের সন্ধান চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সোমবার (১৪ জুন) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাউথ এশিয়ার ভেরিফায়েড টুইটার পোস্টে বলা হয়, আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার তিন সঙ্গী গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছে। তাদের খুঁজে বের করতে কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। যদি তারা রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকে, তাহলে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

টুইটে ত্ব-হা ‘নিখোঁজ’ সংক্রান্ত বাংলাদেশের একটি ইংরেজি দৈনিক পত্রিকার প্রতিবেদনও শেয়ার করা হয়েছে। রংপুর থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে তিন সঙ্গীসহ নিখোঁজ ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান নিখোঁজ হন। তাদের খোঁজ চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার মা আজেদা বেগম। আদনান গত ৩ দিন থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তার সঙ্গে গাড়িচালকসহ অপর দুই সঙ্গীর হদিসও মিলছে না। নিখোঁজ আদনান অনলাইনে ধর্মীয় বক্তা হিসেবে পরিচিত।

আদনানের মা আজেদা বেগম জানান, শুক্রবার (১১ জুন) বিকেলে নিখোঁজ ছেলের সন্ধান চেয়ে তিনি রংপুর কোতোয়ালি থানায় এই জিডি করেন। তাদের বাড়ি রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডের আহলে হাদিস মসজিদ এলাকায়। তবে ত্ব-হা তার স্ত্রী এবং দেড় বছরের ছেলে ও তিন বছরের মেয়েকে নিয়ে শালবন মিস্ত্রীপাড়া চেয়ারম্যান গলিতে ভাড়া বাসায় থাকেন। আদনান অনলাইনে আরবি পড়ানোর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে জুমার খুতবা দিতেন।

জিডিতে তার মা বলেন, বৃহস্পতিবার (১০ জুন) বিকাল চারটার দিকে তিন সঙ্গীসহ আদনান রংপুর থেকে ভাড়া করা একটি গাড়িতে ঢাকায় রওনা দেন। রাতে মোবাইল ফোনে সর্বশেষ কথা হলে আদনান সাভারে যাচ্ছেন বলে তাকে জানান। এরপর রাত ২টা ৩৬ মিনিটে স্ত্রী হাবিবা নূরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয় আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানের। এ সময় তিনি ঢাকার গাবতলীতে আছেন বলে জানান। তারপর থেকেই তার ফোন বন্ধ থাকায় আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আজেদা বেগম আরও জানান, আদনানের ফোনে একাধিকবার কল করেও যোগাযোগ করা যায়নি। এরপর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শেষে তাকে না পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় রংপুর কোতোয়ালি থানায় জিডি করা হয়।/আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানের শ্যালক জাকারিয়া হোসেন জানান, নিখোঁজের সময় ত্ব-হার সঙ্গে আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির ছিলেন। তারাও নিখোঁজ রয়েছেন। ওই রাত থেকে সকলের মোবাইল ফোনই বন্ধ রয়েছে।

রংপুর মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আলতাব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ত্ব-হার নিখোঁজের বিষয়ে থানায় জিডি করা হয়েছে। তার মা থানায় জিডিটি করেন। জিডির বিষয়ে তদন্ত চলছে। আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ২০১৮ সালে একটি ইসলামি ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতায় রানারআপ হন। এরপর ইসলামী শিক্ষা বিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল খোলেন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন মসজিদে দেয়া জুমার খুদবা তার নিজের চ্যানেলে প্রচার করে জনপ্রিয়তা পান। এদিকে নিখোঁজের খবর নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন তার ফ্যান ও ফলোয়াররা।

Categories
জাতীয়

ধর্মীয় বক্তা আবু ত্ব-হা আদনান ৩ দিন ধরে নিখোঁজ

আলোচিত ধর্মীয় বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে নি’খোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ ঘটনায় রংপুর সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

এর আগে আদনানের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় রাজধানীর দারুসসালাম এবং মিরপুর থানায় গে’লে কোন থানাই জিডি বা মামলা নেয়নি বলেও অভিযোগ করছে তার পরিবার। তিনি রংপুর থেকে ঢাকায় আসছিলেন। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বলছে, তিনি ঠি’ক কোন জায়গা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেই মামলা নেওয়া হয়নি।

মুহাম্মদ আদনানের স্ত্রী সাবেকুন নাহার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আদনান বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর থে’কে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। রাত ২টা ৩৭ মিনিটে তার সঙ্গে শেষ কথা হয় আমার। তিনি তখন বলেন, ‘ঢাকার কাছাকাছি চলে এসেছি’। এরপর রাত ৩টা থে’কে ফোন বন্ধ পাই। এখনও নম্বরটি বন্ধ পাচ্ছি।

নিখোঁজ হওয়ার সময় তার সঙ্গে গাড়িচালকসহ আরও তিনজন সহকর্মী ছিলেন। সেই তিনজন সহ’কর্মী এবং গাড়িটিরও কোনো খোঁজ পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে আদনানের পরিবার।

সাবেকুন নাহার অভিযোগ করে বলেন, কোথায় মামলা করব, কার কাছে অভিযোগ করব? মামলা করব কী, কেউ তো জিডিই নিতে রাজি হচ্ছে না। দারুসসালাম থানা কিংবা মিরপুর থানা কেউই মামলা নেয়নি। থানায় ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি। কোনো থানাই দায়িত্ব নি’চ্ছে না, এক থানা আরেক থানাকে দেখিয়ে দিচ্ছে। তবে রোববার সকালে রংপুর সদর থানায় একটি জিডি হয়েছে আদনানের মায়ের পক্ষ থেকে।

অভিযোগের বিষয়ে দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বলেন, তিনি কোথা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন, সেই লোকেশনটা তো আমরা নিশ্চিত না। তিনি গাবতলী থেকে নিখোঁজ হইছেন, সেটা তো আমরা জানি না। সেক্ষেত্রে যেখান থেকে তিনি রওনা হয়েছেন, সেই রংপুর অথবা তার ঢাকায় যেখানে বাসা, সেখানে জিডি হতে পারে বা মামলা হতে পারে বলে জানান ওসি তোফায়েল আহমেদ।

Categories
জাতীয়

মুনিয়ার মৃত্যু: অডিও ক্লিপ ভাইরাল

রাজধানীর গুলশানে ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধা’রের ঘটনায় বে’রিয়ে আসছে নতুন সব তথ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে যেখানে একজন ব্যক্তি এবং এক নারীর কথোপকথন শোনা যায়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, এই অডিও ক্লিপটি মামলায় আসামি করা ‘শিল্পপতি’ এবং গলায় ফাঁস নিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করা মোসারাত জাহান মুনিয়ার।

অডিও ক্লিপে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, আমার টাকা’টা দিয়া দিস, তুইই আমার টাকা নিছস। তরুণী বলেন, আল্লাহরে ভয় পান না আপনি? আপনাকে কে বলছে আমি ৫০ লাখ টাকা নিছি, আমি কোনো টাকা নেই নাই।

উত্তরে অন্যপাশ থেকে ওই তরুণীকে বারংবার অকথ্য ভাষায় গালা’গালি করা হয়। যদিও অডিওক্লিপটিতে কথা বলা দুই’জনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে অডিওক্লিপটি ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যা’পকহারে ভাইরাল হয়েছে।

রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গলায় ওড়না প্যাচানো অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘট’নায় গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে কলেজছাত্রী মুনিয়ার পরিবার। জানা যায়, মো’সারাত জাহান মুনিয়া নামের ওই তরুণীর পরিবার কুমিল্লায় থাকত। তবে তিনি থাকতেন ঢাকায়। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করতেন ঢাকার একটি কলেজে।

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, বাসা’টির বা’ড়িওয়ালার কাছ থেকে পাওয়া চুক্তি’পত্র অনুযায়ী ফ্ল্যাটটি মার্চ মাসের ১ তারিখে ভাড়া নেন মুনিয়া। তিনি আরও জানান, চুক্তিপত্র অনুযায়ী অগ্রিম ২ লাখ টাকা দিয়ে প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা ভাড়ার বি’নিময়ে ওই বাসায় একাই থাকতেন কলেজছাত্রী।

Categories
জাতীয়

গুলশানে ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এক তরুণীর মরদেহ উ’দ্ধার করেছে পুলিশ।তার নাম মোসারাত জা’হান মুনিয়া। তিনি রাজধানীর একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।তার বাড়ি কুমিল্লা শহরে। সেখানেই থাকে তার পরি’বার। আর ভাড়া করা ওই ফ্ল্যা’টে একাই থাক’তেন মুনিয়া।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চি’ত করেন গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) নাজমুল হাসান ফিরোজ। তিনি বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় গুলশান ২-এর ১২০ নম্বর সড়কে একটি ভবনের ফ্ল্যা’টে গিয়ে নিহত তরুণীর বড় বোন দরজা বন্ধ পান। ধাক্কাধাক্কি করলেও দরজা খুলছিলেন না ওই তরুণী। এর কিছুক্ষণ আগে থেকে তার ফোনও বন্ধ ছিল।

এরপর ফ্ল্যাট মালিকের উপস্থিতিতে মিস্ত্রি দিয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের বড় বোনের বরাত দিয়ে এডিসি আরও বলেন, মুনিয়ার সঙ্গে এক ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে মুনিয়া একাই থাকত। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেয়া হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পরে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করবে।

এদিকে এ ঘটনায় রাতে মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলা নম্বর-২৭। জানা গেছে, মামলার আসামি করা হয়েছে দেশের একটি শীর্ষ শিল্পগ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি)।

রাত দেড়টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গুলশান থানার পুলিশ মরদেহের সুরতহাল করছিল। ঘটনাস্থলে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিটের একটি দল গিয়েছে। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও মেয়েটির ডিজিটাল ডিভাইসগুলো জব্দ করেছে। আপাতত এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হবে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

Categories
জাতীয়

৭ বছরের ছেলেকে নিয়ে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী, খোঁজ দিলেই ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার

নাটোরের গুরুদাসপুরে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ ৭ বছরের ছেলেকে নিয়ে পা’লিয়ে’ছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের মাঝপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী বা’দী হয়ে ওই রাতেই গুরুদাসপুর থানায় লি’খিত অ’ভিযো’গ করেছেন।

 

জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃ’ত রমজান আলীর ছেলে প্রবাসী মো. আবুল বাশারের (৩২) স’ঙ্গে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া গ্রামের মো. নিজাম উদ্দিনের মেয়ে সম্পা খাতুনের (২৫) ২০১৩ সালে বিয়ে হয়। চার মাস পর স্ত্রীকে রেখে সৌদি আরবে যান আবুল বাশার। বিয়ের এক বছর পর তাদের ঘরে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।

 

২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সৌদি থেকে বাশার দেশে আসেন। বাসায় আসার কয়েকদিনের মধ্যেই আবুল বাশারের মা অ’সুস্থ হয়ে পড়লে মাকে নিয়ে হাসপাতালে গেলে তাদের অগোচরে বাড়িতে থাকা ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৫ লাখ টাকা ও তার ৭ বছরের সন্তান মো. বাধন পারভেজকে নিয়ে পা’লি’য়ে যান স্ত্রী।

 

প্রবাসী আবুল বাশার জানান, তিনি তার স্ত্রী সন্তানকে খুব ভালোবাসতেন। তাদের কোনো চাহিদা কখনও অপূর্ণ রাখেননি। সৌদি থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী সম্পা খাতুনকে তিনি দুই বার ওমরা হজও করিয়েছেন। তার স্ত্রীর পরিবারকে উধাও হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে। স্ত্রী-সন্তানকে খুঁজে পেতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করেছেন তিনি। এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ বিষয়ে ত’দ’ন্ত চলছে। আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের স’ন্ধা’ন পাওয়া যাবে।

Categories
জাতীয়

নিজ মায়ের বদলে খালেদা জিয়াকে মা ডাকার ঘোষণা ছাত্রদল নেতার!

মা করেন আওয়ামী লীগের রাজনীতি, ছেলে যুক্ত হয়েছেন ছাত্রদলে। এ নিয়ে নানা কা’নাঘু’ষা চলছিল। সেটি আরও ডালপালা মেলে যখন রিফাত বিন জিয়া নামের সেই ছাত্রদল কর্মীর বি’রু’দ্ধে একাধিক বিয়ের অ’ভিযো’গ উঠে সংগঠনটির মধ্য থেকেই। এবার নিজের মায়ের বদলে খালেদা জিয়াকে মা বলে ঘোষণা দিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিলেন এই ছাত্রদল নেতা।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির আহবায়ক এম রিফাত বিন জিয়া নামের এই যুবক। তার মা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেত্রী বেবী ইয়াছমিন। রিফাত একটি মামলায় প’লা’তক আ’সা’মি। আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব ঢাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. আমান উল্লাহ। তার ছাত্রত্বের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

রিফাতের মা আ’লীগের রাজনীতি সাথে সরাসরি জড়িত হওয়ায় সরাইল উপজেলা নবগঠিত ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি গঠন হওয়ার পরপরই তোপের মুখে পড়ে তিনি। এ বিষয়ে রিফাত জানান, আমার মা আ’লীগের রাজনীতিতে জড়িত হওয়ার কারণে আমি ‘মা’ ডাকা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এখন আমার মা। জিয়া পরিবার আমার পরিবার।

 

তিনি জানান ১৯৭৯ সাল থেকে আমার বাবা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। বিএনপি রাজনীতিতে জড়িত থাকার কারণে এরশাদ বি’রো’ধী আন্দোলনের সময় একাধিকবার কারাবরণ করেছিলেন।নবগঠিত সরাইল উপজেলা ছাত্রদলকে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল করতে তাকে নিয়ে গভীর ষ’ড়য’ন্ত্র হচ্ছে বলে দাবি রিফাতের। উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নির্দেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্য’র আহবায়ক কমিটি অনুমোদন করে জেলা ছাত্রদল।

Categories
জাতীয়

দীর্ঘ ১২ বছর পর প্রথম সন্তান, কোলে নিতে পারলেন না মা

দীর্ঘ ১২ বছর নিঃ’সন্তা’ন জীবন কা’টিয়ে’ছেন আব্দুল মাজেদ-সাবিতা খাতুন দম্প’তি। অবশেষে সিজারের মাধ্যমে একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেন সবিতা। কিন্তু ভূ’মি’ষ্ঠের ছয় ঘণ্টা পার না হতেই চু’রি হয়ে যায় নবজাতকটি। বুকের ধ’ন হা’রিয়ে পাগ’লপ্রায় বাবা-মা। শনিবার বিকেল তিনটার দিকে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুর সাখাওয়াত এইচ মেমোরিয়াল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। কিছুদিন আগে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে ২৩ দিনের নবজাতক চু’রি হয়। পরপর দুই নবজাতক ‘চু’রি হওয়ায় জনমনে দেখা দিয়েছে উ’দ্বে’গ আর উ’ৎক’ণ্ঠা।

 

মাজেদ-সাবিতা দম্পতির বাড়ি জেলার তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ গ্রামে। প্র’সব বেদনা নিয়ে শনিবার ভোরে সাখাওয়াত এইচ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি হন সাবিতা। সকাল ৯টার দিকে সিজারের মাধ্যমে ছেলে সন্তান জন্ম দেন তিনি। সি’জারের পর শিশু ওয়ার্ডে মা ও নবজাতককে রাখা হয়। নবজাতকের নাম রাখা হয় সামিউল। এটিই তাদের প্রথম সন্তান। হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, নবজাতককে কো’লে নিয়ে বসে আছেন তার নানি। এ সময় শিশুকে কোলে নিতে চান বোরকা পরা এক নারী। পরে নবজাতককে কোলে নিয়েই দীর্ঘ সময় ঘোরাফেরা করেন ওই নারী। একপর্যায়ে সুযোগ বোঝে শিশুকে নিয়ে স’ট’কে প’ড়েন তিনি।

 

নবজাতকের নানি বলেন, ‘বোরকা পরা ওই নারী এসে বললেন- এ হাসপাতালেই তার ভাইয়ের ছেলে হয়েছে। কিন্তু তাকে কো’লে নিতে দিচ্ছেন না। তাই আমার নাতিকে কোলে নিতে চাইলে তাকে দেই। একপর্যায়ে কেউ ডা’কছে বলে আমাকে পা’ঠিয়ে দিয়ে নাতিকে নিয়ে পা’লি’য়ে যান ওই নারী। তাকে আমি চিনিও না’। নবজাতকের বাবা আব্দুল মাজেদ বলেন, আমার স্ত্রীকে শনিবার ভোর তিনটার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১২ বছরের প্রচেষ্টার পর আমার প্রথম সন্তান হলো। কিন্তু সন্তানকে কোলেও নিতে পারলাম না। এর আগেই চু”রি হয়ে যায়। আমার শাশুড়ি ও শ্যা’লিকার কাছেই শিশুটি ছিল।

 

সাখাওয়াত এইচ মেমোরিয়াল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. রবিউল ইসলাম বলেন, শিশুটি তার নানির কোলে ছিল। তার কাছ থেকে একজন নারী কোলে নিয়ে রাখেন। এরপর তিনি কৌ’শলে পা’লি’য়ে যান। বিষয়টি আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। সলঙ্গা থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। শিশুটির স’ন্ধানে কাজ করা হচ্ছে।

Categories
জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দিল বিএনপি

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বছরব্যাপী দলীয় কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গেছেন বিএনপির দুই নেতা।

 

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর জন্য আমন্ত্রণ-পত্র নিয়ে বিকেল ৫টার দিকে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন বিএনপির স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বিজন কান্তি সরকার এবং সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন প্রচার কমিটির সদস্য সচিব ও দলের প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

 

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আগামী পহেলা মার্চ থেকে বছরব্যাপী কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। ওইদিন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

Categories
জাতীয়

চরমোনাই মাহফিল থেকে ফেরার পথে ট্রলার ডুবি

চরমোনাই মাহফিল থেকে ফেরার পথে ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো হ’তাহ’তের খবর পাওয়া যায়নি। আজ শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ৩ দিনব্যাপী চরমোনাইর ঐতিহাসিক মাহফিলের মোনাজাত শেষে ফেরার পথে ট্রলার দিয়ে পারাপার করছিলেন আগত মুসল্লিরা।

 

এসময় একটি ট্রলারে ধারণক্ষ’মতার চেয়ে বেশি মানুষ বোঝাই হওয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, চরমোনাইতে এ বছর আগের তুলনায় মানুষ অনেক বেশি হয়েছে।

 

ফলে সবদিকেই মানুষের চা’প ছিলো। আর এ চাপের কারণেই অনেক মানুষ ডু’বে যাওয়া ট্র’লারে উঠে পড়েন। এপরই ঘটে এ ট্রলার ডুবির ঘটনা। তবে কেউ আ’হ’ত বা নি’হ’ত হয়নি।

 

এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) শুরু হয়েছিলো চরমোনাইয়ের ঐতিহাসিক ফাল্গুনের মাহফিল। লক্ষ লক্ষ মানুষ অংশ নিয়েছিলো এ মাহফিলে। আ’ত্মার খোরাক লাভের পাশাপাশি এখান থেকে মানুষ লাভ করেছিলো আখেরাতের পুঁজি। মাহফিলে চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম ও সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ইসলাহী বয়ান করেছিলেন।