Categories
স্বাস্থ্য টিপস

প্রতিদিন ডাল খাওয়ার কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা

আপনি ডাল পছন্দ করুন আর না করুন বাঙ্গালি হলে আপনার পাতে ডাল থাকবেই। হোক তা দু একদিন পর পর। মসুর থেকে মুগ সব ডাল আমাদের পছন্দ। প্রোটিন ও ফাইবারের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো ডাল। আর প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আপনি যদি ডাল রাখেন তাহলে আপনার অনেক সমস্যায় সমাধান হয়ে যাবে।

 

চলুন দেখে নেওয়া যাক প্রতিদিন ডাল খাওয়ার উপকারিতা-

ওজন নিয়ন্ত্রণ: ডাল প্রোটিন এবং ফাইবারে সমৃদ্ধ। এটি ওজন কমাতেও ভূমিকা রাখে। এতে করে উচ্চ ফ্যাটযুক্ত উপাদানগুলো আলাদা হয়ে যায়। অতএব ডাল খাওয়া আপনাকে সঠিক পরিমাণে শক্তি ও পুষ্টি দিতে পারে। আবার ডাল খেলে ক্ষুধাও কমে।

 

স্বাস্থ্যকর কোষ: ডালে প্রোটিন, আয়রন ও ফোলেট থাকায় নিয়মিত ডাল খাওয়াও নিশ্চিত করে যে আপনার কোষগুলো মেরামত-পুনর্নবীকরণ প্রক্রিয়ার জন্য পর্যাপ্ত সুস্থ আছে। আয়রন রক্তাল্পতা হওয়ার ঝুঁকিও হ্রাস করতে পারে। প্রতিদিন ডাল খেলে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিও হ্রাস পায়।

 

হার্টের সুস্থতা: ডাল হৃৎপিণ্ডের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ডাল কোলেস্টরেল কমাতে সাহায্য করে সেই সাথে রক্তচাপও কমায়। প্রতিদিন ডাল খেলে কার্ডিওভাসকুলার রোগ হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পায়।

 

যা মনে রাখতে হবে: এটি সত্য যে ডাল অত্যন্ত পুষ্টিকর, তবে সেগুলোর সঠিক উপকারিতা আমরা পাচ্ছি কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, ডালে আপনার খুব বেশি তেল ব্যবহার করা এড়ানো উচিত বা অতিরিক্ত লবণ ব্যবহারও এড়ানো উচিত। তথ্যসূত্র: হেলথ শটস।

Categories
স্বাস্থ্য টিপস

ঘরে বসেই যেভাবে বানাতে পারেন গাজরের লাড্ডু

লাড্ডু আমাদের কাছে অতি লোভনীয় একটি মিষ্টি জাতীয় খাবার। দোকান থেকে কিনে না এনে বাড়িতেই বানান লাড্ডু। ছোটদের স্বাস্থ্যের দিকে লক্ষ্য রেখে ঘরেই বানান গাজরের লাড্ডু। হাতের কাছে থাকা অল্প কিছু উপকরণ দিয়ে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গাজরের লাড্ডু।

 

উপকরণ– গাজর ৫০০ গ্রাম, ঘি আধ কাপ, চিনি ১ কাপ, কনডেনসড মিল্ক ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ ১ কাপ, এলাচ গুঁড়ো ১/২ চামচ, পেস্তা কুচি ১ চামচ, ১ চামচ কাজু বাদাম কুচি, ১ চামচ কিসমিস কুচি।

 

প্রণালী– গাজর ঝিরিঝিরি করে কেটে নিন। গাজর কুচি ভাপিয়ে নিয়ে কড়াইতে ঘি দিয়ে হালকা আঁচে ৫-১০ মিনিট ভাজুন। গাজর নরম হয়ে এলে চিনি ও কনডেনসড মিল্ক দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। আঠালো হয়ে এলে তাতে পেস্তাকুচি, কাজুবাদাম কুচি, কিসমিস কুচি দিয়ে আবার নাড়তে থাকুন।

 

এবার এলাচগুঁড়ো ও গুঁড়ো দুধ ভালো করে গাজরের সঙ্গে মেশাতে হবে। কিছুটা ঠাণ্ডা হয়ে এলে হাতে পানি লাগিয়ে গাজরের মিশ্রণটি তালুতে নিয়ে গোল গোল করে লাড্ডুর মতো বানিয়ে নিন। পুরোপুরি ঠাণ্ডা হয়ে এলে পরিবেশন করুন।

Categories
স্বাস্থ্য টিপস

গুড় খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে

গুড় সারা বছরই পাওয়া যায়। সাধারণত আখ ও খেজুর গুড় বেশি জনপ্রিয়। এটি পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ একটি খাবার। এতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও জিঙ্ক থাকে। আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী, পেটের নানা অসুখ সারাতে গুড় দারুণ কার্যকরী।

 

গুড় খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে-

১. অ্যানিমিয়া আক্রান্তদের জন্য গুড় দারুণ উপকারী। রোজ গুড় খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি পূরণ হবে।

২. গুড়ে বিশেষ করে আখের গুড়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালরি ও শর্করা থাকে। এ কারণে ডায়রিয়া রোগীদের জন্য গুড়ের স্যালাইন উপকারী।

৩. গুড়ে থাকা ম্যাঙ্গানিজ গলা খুশখুশ, শ্বাসকষ্ট ও অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে। এটি খেলে ব্রংকিয়াল মাংসপেশী আরাম পায়। ফলে গলা ও শরীরে অনেক বেশি হালকা বোধ হয়।

৪. গুড়ে থাকা আয়রন শরীরে রক্ত তৈরি করে। সেই সঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে ।মাইগ্রেনের ব্যথা সারিয়ে তুলতেও বেশ কার্যকরী গুড়।

৫. গুড়ে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অ্যান্টি-অ্যালার্জি হিসেবে কাজ করে।

৬. গুড় জন্ডিস রোগীদের জন্যও বেশ উপকারী।

৭. গুড় খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। শরীরে থাকা ফ্রি রেডিকেল দূর করতে সাহায্য করে গুড়। এতে থাকা জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

Categories
স্বাস্থ্য টিপস

কমলালেবুরে চেয়েও বেশি ভিটামিন সি রয়েছে যে ৭টি খাবারে

করোনার শুরু থেকেই ভিটামিন সি এর চাহিদা অনেক বেড়েছে। নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ভিটামিন সি এর বিকল্প নেই। ভিটামিন সি এর রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। আমরা সবাই ভিটামিন সি বলতে কমলালেবুকে বুঝি। তবে কমলালেবু ছাড়াও ভিটামিন সি এর আরো অনেক উৎস রয়েছে। একটি মাঝারি সাইজের কমলালেবুতে ৬৯.৭ গ্রাম ভিটামিন সি রয়েছে।

 

পেঁপে: সমীক্ষা বলছে পেঁপে আপনার হজম উন্নত করে। এছাড়া ত্বক ফর্সা করে, সাইনাসের সমস্যা দূর করে এবং হাড়কে শক্তিশালী করে। একটি পেঁপেতে ৮৮.৩ গ্রাম ভিটামিন সি রয়েছে।

স্ট্রবেরি: এক কাপ স্ট্রবেরিতে ৮৭.৪ গ্রাম ভিটামিন সি রয়েছে। কেবল এটিই নয়, স্ট্রবেরি আপনাকে ফোলেট এবং অন্যান্য যৌগ সরবরাহ করে যা হার্ট ভালো রাখে।

 

ফুলকপি: ভাপানো বা রান্না করা যে ফুলকপি হোক না কেন একটি ফুলকপি থেকে আপনি ১২৭.৭ গ্রাম ভিটামিন সি পাবেন। সেই সাথে রয়েছে ৫ গ্রাম ফাইবার ও ৫ গ্রাম প্রোটিন।

আনারস: আনারসে ব্রোমেলিন রয়েছে যা হজমে সহায়তা করে। ব্রোমেলাইন একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এজেন্ট হিসাবে কাজ করে যা আপনাকে ওয়ার্কআউটের পর দ্রুত স্বস্তি এনে দেবে। একটি আনারসে ৭৮.৯ গ্রাম ভিটামিন সি রয়েছে।

 

ব্রকলি: ব্রকলি ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে। একটি ব্রকলিতে রয়েছে ১৩২ গ্রাম ভিটামিন সি আর ফাইবার।

আম:: আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। একটি মাঝারি সাইজের আমে ভিটামিন সি রয়েছে ১২২.৩ গ্রাম।

লাল মরিচ: লাল মরিচে ক্যালোরি কম ও ভিটামিন সি রয়েছে। মন মেজাজ উন্নত রাখতে পারে এই মরিচ। ১০০ গ্রাম লাল মরিচে ১২৭.৭ গ্রাম ভিটামিন সি রয়েছে।

 

ব্রাসেলস স্প্রাউটস: ছোট বাঁধাকপিতে এমন উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে। এতে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ও ফাইবার রয়েছে। একটি ব্রাসেলস স্প্রাউটসে ৭৪.৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি রয়েছে। সূত্র : দ্যা টাইমস অব ইন্ডিয়া

Categories
স্বাস্থ্য টিপস

দুধের সঙ্গে যেসব খাবার ভূলেও খাবেন না

শরীরের পুষ্টির জন্য দুধের তুলনা নেই। তবে সেই পুষ্টির সঙ্গে যদি ভুল খাবার খাওয়া হয়, তাহলে হিতেবিপরীত হতে পারে। অনেকেই দুধের সঙ্গে চকলেট, কখনো বা ফল মিশিয়ে খেয়ে থাকেন। কিন্তু সেই সব খাবার কতটা স্বাস্থ্যসম্মত এ ব্যাপারে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেমন-

 

দুধ ও ডিম : উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ পানীয়ের মধ্যে একটি হল দুধ। এটি ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খনিজেরও উৎস। কিন্তু আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী ডিম ও দুধ একসঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়। কারণ দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে হজমে সমস্যা হয়। এছাড়া দুধের সঙ্গে যে কোনও তেলেভাজা খাবার খেলেও তার মারাত্মক প্রভাব পড়ে শরীরে।

 

কলা ও চেরি: কলা ও চেরি কখনই দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া ঠিক নয়। তাহলে হজমজনিত সমস্যা বাড়ে।

দুধ ও টকদই: দুধ -টকদই একসঙ্গে খেলে হজম হয় না। এছাড়াও টকদইয়ের সঙ্গে কখনোই কোনো গরম খাবার খাবেন না। দই শরীরকে ঠান্ডা রাখে। এমনকী পরোটা জাতীয় খাবারের সঙ্গেও দই খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

দুধ ও লেবু: দুধ খাওয়ার পরে ভুলেও টকজাতীয় কোনো জিনিস যেমন-লেবু খাবেন না। এতে অ্যাসিডিটি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে, যা থেকে পেটেরও সমস্যা হয়।

দুধ ও ইস্ট জাতীয় খাবার: দুধ সবসময় টাটকা খাওয়ার চেষ্টা করুন। চাইলে দুধের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেতে পারেন কিন্তু ইস্টজাতীয় (ময়দা, দই, চিনি সফ গুড়ো দিয়ে বানানো একটি খাদ্য উপাদান) খাবার ভুল করেও দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাবেন না।

Categories
স্বাস্থ্য টিপস

যেসব রোগের প্রাকৃতিক ওষুধ কলার মোচা

কলার মোচার মধ্যে রয়েছে কার্বো-হাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কপার, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন-ই। আর তাই তো প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে এটি। জেনে নিন এর নানা উপকার সম্পর্কে।

 

ইনফেকশন প্রতিরোধ করে: কলার মোচায় থাকা উপাদান জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায়। এটি ম্যালেরিয়ার ব্যাকটেরিয়াকেও ধ্বংস করে। মোচা শরীরে কোনো ধরনের পরজীবী ব্যাকটেরিয়াকে জন্মাতে দেয় না বলে শরীর সুস্থ থাকে।

 

ক্যানসার দূরে রাখেঃ শরীরে ফ্রি রেডিক্যালসের উপস্থিতি বিভিন্ন ধরনের রোগের কারণ হতে পারে। কলার মোচার নির্যাস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। প্রাথমিকভাবে ক্যানসারকেও দূরে রাখতে সাহায্য করে মোচা। বয়স হলে ত্বকে বলিরেখা পড়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।

 

ডায়াবেটিস ও অ্যানিমিয়া নিয়ন্ত্রণ করেঃ ডায়াবেটিস ও নারীদের অ্যানিমিয়া রোধে কলার মোচার উপকারিতা অপরিসীম। রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে এটি অতুলনীয়, আবার শরীরের হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে অ্যানিমিয়া দূরে থাকে।

 

ঋতুস্রাবের সমস্যা দূর করেঃ ঋতুস্রাব চলাকালে রক্তপাতের সমস্যায় ভোগেন অনেক নারী। এতে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, ব্যথাও হয় প্রচণ্ড। এসবের সহজ সমাধান হতে পারে মোচা। প্রতিদিন অন্তত এক কাপ করে রান্না করা মোচা খেতে পারেন। এর সঙ্গে দই মিশিয়ে খেলে আরও ভালো উপকার পাবেন। কলার মোচা দেহে প্রজেস্টেরন হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায়।

 

উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে রাখেঃ মুড সুইংয়ের সমস্যা কমাতে ডায়েটে রাখুন কলার মোচা। এটি মুড সুইং নিয়ন্ত্রণ করে উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। আর তাই অ্যান্টি ডিপ্রেশনের জন্য আলাদা করে কোনো ওষুধ খাওয়ার দরকার নেই।

Categories
স্বাস্থ্য টিপস

প্রতিদিন একটি কলা খেলে যে উপকারিতা মেলে

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। ভয়ের ব্যাপার হলো, এতে আক্রান্ত রোগীদের একটি অংশ বয়স তরুণ। এই সমস্যা এড়াতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে কলা। প্রতিদিন একটি কলা খেলে আপনি উচ্চ রক্তচাপ থেকে দূরে থাকতে পারবেন।কলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পটাসিয়াম, যা শরীরে প্রবেশ করার পর সোডিয়ামের প্রভাবকে কমাতে শুরু করে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে দ্রুতই। ফলে আরও অনেক শারীরিক সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

প্রতিদিন একটি কলা খেলে যে উপকারিতা মেলে-

হাড় শক্ত হয়ঃ প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হয়। যে কারণে হাড় শক্ত হয়ে ওঠে। সেইসঙ্গে অস্টিওআথ্রাইটিস মতো বোন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতিঃ দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে কলা। কলায় আছে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং আরও অনেক প্রয়োজনীয় উপাদান। প্রতিদিন কলা খেলে রেটিনার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বা কোনও ধরনের চোখের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয় অনেকটাই কমে যায়।

সতেজঃ ক্লান্তি অনুভব করা নতুন কিছু নয়। বরং প্রতিদিন কাজের শেষে ক্লান্তি আসাটাই স্বাভাবিক। এমন অবস্থায় ঝটপট নিজেকে সতেজ অনুভব করাতে একটি কলা খেয়ে নিন। ক্লান্তি দূর হবে নিমিষেই।

হজম ক্ষমতার উন্নতিঃ কলায় থাকা উপকারী উপাদান পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। তাই যদি পেটে কোনোরকম সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে নিয়মিত কলা খাওয়া শুরু করুন। উপকার মিলবে।

স্ট্রেস কমেঃ প্রতিদিনের খাবারে কলা রাখলে শরীরে ট্রাইপটোফিন নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। যার প্রভাবে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে স্ট্রেস লেভেল তো কমেই, সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদ কমে।

অপুষ্টি দূর হয়ঃ পুষ্টির ঘাটতি হলে নানারকম রোগ এসে বাসা বাঁধে শরীরে। এমন অবস্থায় কাজে আসতে পারে কলা। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এবং মিনারেল। সেই সঙ্গে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফলেটের মতো উপাদান।

ওজন নিয়ন্ত্রণঃ কলায় পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর ফাইবার। যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। কম খাওয়ার কারণে ওজনও থাকে নিয়ন্ত্রণে।

তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই।

Categories
স্বাস্থ্য টিপস

শীতের রাতে ঘরেই বানিয়ে ফেলুন মজাদার চিতই পিঠা

গরমের তীব্রতা কমে একটু একটু শীত পড়তে শুরু করেছে। আর শীতের খাবারে চাই মজার মজার পিঠা। জেনে নিন তুলতুলে চিতই পিঠা বানানোর পারফেক্ট রেসিপি-

 

উপকরণ: পোলাওয়ের চাল বা আতপ চাল চার কাপ, রান্না করা ভাত আধা কাপ, লবণ ও বেকিং পাউডার সামান্য
পদ্ধতি: ছয় ঘণ্টা চাল ভিজিয়ে রেখে দিন। এরপর সব উপকরণ নিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে খুব ভালো ভাবে ব্লেন্ড করে নিন। লোহার কড়াই, পিঠার সাজ(মাটির পাত্র) বা ফ্রাইপ্যান ব্যবহার করতে পারেন।

 

প্রথমে পাত্র বেশ গরম করে নিন। এবার পরিমাণমতো মিশ্রণ দিয়ে পিঠা ঢেকে দিন। ৩০ সেকেন্ড পর ঢাকনা তুলে দেখুন, পিঠা ফুলে উঠলে নামিয়ে নিন। এভাবে সবগুলো তৈরি করে গরম গরম পিঠা পছন্দের ভর্তা, ঝোল করে রান্না করা গরু বা মুরগির মাংসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

Categories
স্বাস্থ্য টিপস

শীতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখবে আমলকী

আমলকী ঔষধি গুণে ভরপুর একটি ফল। আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় এই ফলের নানাবিধ ব্যবহার দেখা যায়। চুলের বৃদ্ধি, রুক্ষতা কমানো, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে, পেটের সমস্যা দূর করতে, শরীরে সতেজ ভাব ফিরিয়ে আনতে আমলকীর জুড়ি নেই।শীতকালে অনেকেরই সর্দি-কাশির প্রবণতা বাড়ে। এ সময় আমলকী খেলে এ ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

 

এছাড়াও শীতের সময় আমলকী খেলে আরও যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

 

আমলকীতে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকায় বিপাকের হার বাড়াতে সাহায্য করে। ভাইরাল এবং ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণের জন্য সর্দি কাশির সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে এসব উপাদান। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে: প্রচুর পরিমাণে ক্রোমিয়াম থাকায় আমলকী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ কারণে নিয়মিত ওষুধের পাশাপাশি দিনের খাদ্যতালিকায় এই ফলটি রাখতে পারেন।

 

ভিটামিন সি-তে ভরপুর: কমলার চেয়ে আট গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে আমলকীতে। এছাড়া বেদানার চেয়ে ১৭ গুণ বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান পাওয়া যায় এই ফলে। এক গ্লাস পানিতে দু চামচ আমলকী পাউডার, দু’চামচ মধু দিয়ে খেলে সর্দি-কাশিতে আরাম পাওয়া যায়। যারা শীতে এই সমস্যায় বেশি ভোগেন তারা দিনে তিন-চারবার এই মিশ্রণটি খেতে পারেন।

চুল এবং ত্বকের স্বাস্থ্য মজবুত রাখে: অসময়ে চুল পেকে যাওয়া রোধ করতে সহায়তা করে আমলকী। এছাড়া চুলের গোড়া মজবুত করতে, খুশকি দূর করতে এবং ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া কমাতেও সাহায্য করে আমলকী।

হজম শক্তি বাড়ায়: আমলকী বিপাকে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। বদ হজম এবং অ্যাসিডিটিতেও খুব কাজে দেয় এই ফলটি। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

Categories
স্বাস্থ্য টিপস

রক্তশূন্যতা কমানো ছাড়াও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে কুমড়া শাক খেতে পারেন

কুমড়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। পুষ্টিগুণের কারণে অনেক চিকিৎসকও কুমড়া খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে অনেকের হয়তো জানা নেই কুমড়ার মতো এর পাতাও স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ বা চোখের সমস্যা, যেকোনো কিছুতেই কুমড়া শাক খেলে উপকারিতা পাওয়া যায়। এছাড়াও কুমড়া শাক খেলে আরও যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়-

 

১. কুমড়ার পাতায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে, যা দেহে রক্তের অভাব হতে দেয় না। যেহেতু নারী এবং শিশুদের মধ্যে আয়রনের ঘাটতি বেশি থাকে এ কারণে তারা খাদ্যতালিকায় এই পাতা রাখতে পারেন।

২. কুমড়া পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এ কারণে এটি ক্ষত সারাতে বেশ কার্যকর। তাই যদি কোনো আঘাত বা অভ্যন্তরীণ সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই এই শাক খেতে পারেন।

 

৩. কুমড়া শাক দাঁত ও হাড় মজবুত করতেও সহায়তা করে। দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সপ্তাহে ২-৩ বার কুমড়া শাকের তরকারি, স্যুপ বা কুমড়া পাতার রস খেতে পারেন। এতে চোখে কম দেখার সমস্যা দূর হয়। এছাড়াও, এটি ছানির মতো সমস্যাও প্রতিরোধ করে।

৪. ভিটামিন এ ও সি সমৃদ্ধ কুমড়া ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে । সেই সঙ্গে চুলও ভালো রাখে।

৫. যেসব মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান তাদের জন্যও কুমড়া শাক খুব উপকারী। কারণ এটি শরীরের প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি সরবরাহ করে।

৬. প্রোটিন সমৃদ্ধ কুমড়ার শাক রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব উপকারী। এছাড়া এই শাক খেলে রক্তের কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে থাকে।