Categories
শিক্ষা

Abdul Kuddus – Successful entrepreneur and Verified Artist

Abdul Kuddus is a young entrepreneur and digital marketer in today’s society who is moving towards success at a very young age. The whale started as well as studying, hoping to achieve something big. Abdul Kuddus is currently studying Computer Science Engineering at the Bangladesh University of Business Technology and working as an administrator in his company.

Abdul Kuddus loves to write stories and believes that it is through this story that he will move forward towards his success. Abdul Kuddus is very patient and believes that with patience he can lead himself to success. Abdul Kuddus was born in Comilla, Chittagong division in Bangladesh. He made his first journey in 2016. Slowly he set it forward. He has worked expertly with more than 123 clients around the world.

He enjoys traveling and spends a lot of time exploring different cities and countries around the world. As Abdul Kuddus noted after concentrating on her marketing firm Firma, the world around her had changed, her friends had moved to college when she grew up and started new endeavors, making it seem like the first time in her life to walk outside.

Abdul Kuddus thinks that digital marketing is a huge potential in the current era. We know that the importance of marketing is increasing day by day, we urge the youth to work in this field. If you want to work with digital marketing, you have to improve your skills first. Because with the right knowledge anyone can move towards this success. But experience often leads to failure. For this, everyone has to improve their skills first.

Every new entrepreneur must find a solution to the problem and focus on making a difference in the industry. It will motivate you more than making money. Chasing a bag will chase you incessantly. Will affect. If you are rich you will die because someone can be rich but not everyone can be affected. Successful and entrepreneurial success as a newborn depends on the risk and effort that you have. Of course, you can find a guru for yourself or find a team of the best professionals in the world and move on, but it’s not at all. Search for your inspiration first, ask yourself why you’re doing it, why you’re starting something?

Categories
শিক্ষা

খোলা হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের প্রতি দীপু মনির অনুরোধ

ক”রো’না’র সং’ক্র’ম’ণ ঠে’কা”তে গত বছরের মার্চ মাস থেকে ল’ক’ডা’উ’নে চলে যায় বিশ্বের প্রায় সব দেশ। বাংলাদেশও সব বন্ধ করতে বা’ধ্য হয়। পর্যায়ক্রমে যান চলাচল, সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও হাট-বাজার খোলা হলেও এখনো বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে বিভিন্ন পর্যায় থেকে দা’বি উঠেছে। এমনকি সরকারকে’ একটি আই’নি নোটিশও পাঠিয়েছেন এক অভিভাবক। এমন প্রেক্ষাপটে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে খোলার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি দেখে স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

 

৪ ফেব্রুয়ারি না খুললেও দ্রুতই যে খোলা হবে তা শিক্ষামন্ত্রীর কথায়ও অনেকটা স্প’ষ্ট। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশে ক”রো’না’র প্র’কো’প কমেতে শুরু করেছে, ভ্যা’ক’সি’ন এসে গেছে। ফলে স্বাস্থ্য সুর’ক্ষার সব নিয়ম মেনেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে।

 

ক”রো’না আ”ক্রা’ন্তে’র আ’শ’ঙ্কার কথা জানিয়ে সব শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অ’নুরো’ধ জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আপনারা স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বজায় রাখবেন। সবাই ‘মা’স্ক পরে ক্লাস করবে, নিজেদের কাছে স্যা’নি’টা’ইজার রাখবে এবং নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে বসবে। এছাড়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে হাত ধো’য়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। বিষয়গুলো সং’শ্লি’ষ্ট জনপ্রতিনিধি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মনিটরিং করবেন বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

 

দীপু মনি বলেন, আজকে যারা পরীক্ষার্থী তারা কিন্তু কেউ ঘরে বসে নেই। সবাই নিজেদের মতো ঘু’রে বেড়াচ্ছে। ফলে ক”রো”না যে কোনো জায়গা থেকে হতে পারে। সর্বোচ্চ সত’র্ক থাকার পরও হতে পারে। শুধু যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসলেই ক”রো’না হবে বিষয়টা এমন নয়। এ সময় নিজের উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি অনেক সত’র্ক ছিলাম, তবুও ক”রো’না’য় আ”ক্রা’ন্ত হয়েছি।

 

আমরা চাই না কেউ ক”রো’না’য় আ”ক্রা’ন্ত হোক। সবাইকে বলব, সতর্ক থাকতে। তারপরও কারো জ্ব’র, ঠান্ডা বা গ’লাব্যথা থাকলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না আসতেও অনুরো’ধও করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই অসুস্থ থাকা বা কোন দু’র্ঘট’নার জন্য পরীক্ষা দিতে পারে না। দুর্ঘটনা দুর্ঘ’ট’নাই। এটি স্বাভাবিক পরিস্থিতি নয়। একজনের জন্য যাতে অন্য কেউ ক্ষ’তিগ্র’স্ত না হয় সেদিকেও নজর দিতে বলেন মন্ত্রী।

 

অ’টোপাস প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করছেন ২০২০ সালে অটোপাস দেওয়া হলে এখন কেন নয়? কিন্তু যারা ২০২০ সালে পরীক্ষা দিয়েছে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। পরীক্ষার ঠিক দু’দিন আগে পরীক্ষা বন্ধ হয়েছিল। কিন্তু এখন যারা আছেন তারা তো নিজেরোই বলছেন এক বছর কোন ক্লাস করেননি। তাহলে কোন পড়াশোনা এবং পরীক্ষা ছাড়া কীভাবে পরের ক্লাসে উঠিয়ে দেই? তাদের পরীক্ষা নিতে হলে পড়াতে হবে। এজন্য তিন-চার মাসের সংক্ষিপ্ত কোর্স পড়িয়ে এই অংশটুকুর উপরই তাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। অন্য কিছু তাদের পড়তে হবে না। এজন্য তাদের চাপ না নিয়ে মনোযোগী ও আত্নবিশ্বাসী হওয়ার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

Categories
শিক্ষা

শিক্ষাজীবনে সব সময়ই সেরা সিনথিয়া, দীপু মণির হাত থেকে পেয়েছেন স্বর্ণপদক

শামসিতা তাসনিম সিনথিয়ার জন্ম রংপুরের কাউনিয়ায়। বাবা মো. শাহাদাত হোসেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের সাবেক জেনারেল ম্যানেজার। মা খায়রুন নাহার গৃহিণী। একমাত্র ভাই মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার। সিনথিয়া সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে। বাবার বদলিতে চলে আসেন রাজধানীর বনশ্রীতে। অষ্টম শ্রেণি শেষ করেন মতিঝিল গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুলে। ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হন আইডিয়াল স্কুলে।

 

পড়াশোনার প্রতি বরাবরই আগ্রহ ছিল। সব সময় সেরা ফলাফলের তা’ড়না ছিল। স্কুলে প্রথম স্থান ধরে রেখেছেন। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২০১২ সালে মাধ্যমিক পাস করেন। এসএসসিতে পান গোল্ডেন জিপিএ ৫। ঢাকা বোর্ড থেকে বৃত্তিও পেয়েছেন। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়েছেন হলি ক্রস কলেজে। ২০১৪ সালে এইচএসসিতেও ছিল গোল্ডেন জিপিএ ৫। কলেজ জীবনে ক’ঠো’র পরিশ্রম করতে হয়েছে। সকাল-দুপুর ক্লাস করে সন্ধ্যা পর্যন্ত ল্যাব করেছেন।

 

কলেজ জীবনের এ পরিশ্রমের কারণে আ’ত্মবি’শ্বাস বেড়েছে। বনশ্রী থেকে কলেজে যাওয়ার সময়টা উপ’ভোগ করেছেন। তারা ১২ জন একটি মাইক্রোবাসে যাতায়াত করতেন। সিনথিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিইউপিতে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল মেয়েকে ডাক্তার বানাবেন। কিন্তু এমবিবিএস পড়ার সুযোগ না পেলেও ঢাকায় বিডিএস (ডেন্টাল) পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। মাত্র তিন মাস পড়ার পর ২০১৬ সালে ভর্তি হন রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। মেডিকেলে পড়তে না পারার ব্যাপারে তার সাবলীল উত্তর, ‘মেডিকেলে পড়তে পারিনি বলে কোনো খারাপ লাগা কাজ করে না। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখা করেও আমি সন্তুষ্ট।’

 

ডেন্টাল থেকে চলে আসার পর কিছুদিন বাজে সময় পাড় করেন। পরে পরিবারের উৎসাহে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরু করেন। সেখানেও সিনথিয়ার জয়জয়কার। প্রথম বর্ষে ফলাফল সিজিপিএ ৪। সেই সুবাদে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য শতভাগ স্কলারশিপ পান। প্রথম বর্ষের মতো পরের তিনটি বর্ষেও ফলাফলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন। সব মিলিয়ে তার সিজিপিএ ৪। এত ভালো ফলাফলের রহস্য জানতে চাইলে মিষ্টি হেসে সিনথিয়া বলেন, ‘আমি নিয়মিত ক্লাস করতাম। পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে থেকে পড়াশোনা করতাম। আমার টা’র্গে’ট’ ছিল সিজিপিএ ৪। মোটকথা চেষ্টা থাকায় ভার্সিটিতে আমার লক্ষ্য পূরণ করতে পেরেছি। তৃতীয় বর্ষেই আন্ডার গ্রাজুয়েট টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাই। এর জন্য প্রতি সেমিস্টারে সিজিপিএ ৩.৫০ পেতে হয়। আমার কাজ হলো শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ব্যাপারে উৎসাহিত এবং সহযোগিতা করা।’

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. শামীম এইচ রিপন ও সহকারী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ রেজওয়ানুল হক তাকে বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। এ ব্যাপারে সিনথিয়ার ভাষ্য, ‘তারা সব সময় মন থেকেই চাইতেন আমি ভালো কিছু করি।’ প্রথম জনের অধীনে তিনি এক বছর আ’ন্ডার গ্রাজুয়েট টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেন। আর দ্বিতীয় জনের অধীনে কাজ করেন ৮ মাস। এ কাজের সম্মানি বাবদ তিনি প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা পেতেন। একবার তিন মাসের টাকা একত্রে পেয়ে পরিবারের সদস্যদের জন্য শপিং করে চমকে দেন। প্রতিমাসে যে টাকা পেতেন, তা দিয়ে নিজের হাতখরচ চালাতেন। সিনথিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে কয়েক মাস একটি ভর্তি কোচিংয়ের খাতা দেখতেন। এ জন্যও তিনি সম্মানি পেতেন।

 

ভালো ফলাফলের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছেন বাবা-মা। পড়ালেখার জন্য তারা কখনো চাপ দিতেন না। পরীক্ষা দিয়ে সিনথিয়া হ’তা’শ হয়ে কাঁ’দলেও সা’ন্ত্বনা দিতেন। ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি কনভোকেশনে তিনি শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মণির হাত থেকে সর্বোচ্চ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বর্ণপদক লাভ করেন। এমনকি প্রোগ্রামে তিনি গ্রাজুয়েটদের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন। তবে বক্তব্য দেওয়ার আগে তিনি বিচলিত ছিলেন। এত বড় প্রোগ্রামে আগে কখনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। বক্তব্য দেওয়ার পর পরিবার, বন্ধু ও শুভাকা’ঙ্ক্ষী’দের কাছ থেকে বাহবা পেয়েছেন। স্বর্ণপদক প্রাপ্তি ও বক্তব্যের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘নিঃস’ন্দে’হে এটি আমার জীবনের বিরা’ট প্রাপ্তি। স্বর্ণপদক পাওয়ার আ’নন্দ বলে বোঝাতে পারবো না। পদক পাওয়ার পর বা’ক’রু’দ্ধ ছিলাম। এতে সবচেয়ে বেশি খুশি হন আমার বাবা-মা।’

 

তিনি বলেন, ‘বক্তব্য দেওয়ার আগে হ’তা’শ ছিলাম। ভাবতেও পারিনি, এত ভালো ব’ক্তব্য দেব। বক্তব্য শেষে বাবা-মা আমাকে জ’ড়িয়ে ধরেন। এর জন্য এখনো অনেকে অভিনন্দন জানান। আমার শিক্ষাজীবনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকেই এগিয়ে রাখি। কারণ বিশ্ববিদ্যালয় জীবন আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে।’ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে সিনথিয়া বলেন, ‘অনেকে মনে করেন প্রাইভেট ভার্সিটিতে তেমন লেখাপড়া হয় না। আমি মনে করি, এটা মানুষের ভ্রা’ন্ত ধারণা। আমি যে পরিমাণ পরিশ্রম প্রাইভেটে করেছি; সেটা পাবলিকেও করতে হবে নিশ্চিত। সিনথিয়ার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কানাডা বা যুক্তরাষ্ট্রে এমএসসি করবেন। তারপর পিএইচডি করে দেশে ফিরবেন। দেশে এসে রিসার্চার হিসেবে কাজ করার ইচ্ছা আছে। একাডেমিক পড়ালেখার বাইরেও তিনি বই পড়েন। অবসর পেলে অ্যাকশন থ্রি’লার সিনেমা দেখেন।

Categories
শিক্ষা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ল

ক’রো’না ম’হা’মা’রি’র কারণে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এই তথ্য জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ ২০২০ তারিখে প্রথম ক’রো’না রো’গী শ’না’ক্তে’র পর গত ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

 

কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ১৬ জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত ছুটি ছিল, সেই ছুটি এবার ৩০ জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত বাড়ল।

 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম ক’রো’না রো’গী শ’না’ক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বা’ড়ানোর পর ১৬ জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত ছুটি ছিল। সেই ছুটি এবার ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ল।

Categories
শিক্ষা

মধ্যবিত্ত পরিবারের সামিয়া হতে চান বিসিএস ক্যাডার

মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়া সামিয়া আক্তার সূচনা। এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর এবার রংপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। স্বপ্ন তার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার।সামিয়া কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কুটিচন্দ্রখানা গ্রামের এনজিও কর্মী আব্দুস সোবহানের মেয়ে। বুধবার এইচএসসির ফলাফল শোনার পর আনন্দে রংপুর থেকে বিকেলে তার গ্রামের বাড়িতে এসে স্বজনদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন।

 

সামিয়া বলেন, আমার স্বপ্নকে সামনে রেখে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া চালাচ্ছি। আল্লাহ আমার স্বপ্ন পূরণে রহমত করছে। আমি আল্লাহর রহমত ও আমার চেষ্টায় ২০১৭ সালে ফুলবাড়ী জছিমিঞা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেছি। এবার রংপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করলাম।

সামিয়া তার স্বপ্ন নিয়ে বলেন, আমি এখন একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে চাই। উচ্চশিক্ষা লাভের পর ভবিষ্যতে একজন বিসিএস ক্যাডার হয়ে সরকারি চাকরি করে দেশের মানুষের সেবা করব ও হজ পালনে মক্কায় যাবো। তার এ স্বপ্ন পূরণে দেশবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

 

তার গ্রামের বাসিন্দা আরিফিন মোস্তারী জানান, নিভৃত গ্রাম থেকে বেড়ে উঠছে সামিয়া। সে দুঃসাধ্যকে জয় করছে। গ্রামের মেয়ে হয়ে এসএসসিতে ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারায় তাকে নিঃসন্দেহে মেধাবী বলতে হবে। সূচনা আমাদের এলাকার মানুষের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমি সূচনার মঙ্গল কামনা করছি।

 

সামিয়ার বাবা আব্দুস সোবহান ও মা মন্জুরা ইয়াছমিন বলেন, আমাদের একমাত্র মেয়ে সামিয়ার এ কৃতিত্বে আমরা তার অভিবাবক হয়ে গর্ববোধ করছি। গ্রামের নিভৃত এলাকায় সে জন্ম নেয়ার পরও এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করে আমাদের ও গ্রামবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমরা তার সামনের দিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কষ্ট করে হলেও চেষ্টা চালিয়ে যাবো।

Categories
শিক্ষা

টানা ৩ বার ব্যর্থ, চতুর্থবারে সহকারী জজ পরীক্ষায় অষ্টম আরিফা

‘মা’রে, পড়াশোনার ভাগ কাউকে দিতে হবে না। আর কেউ তোমাকে পড়া করেও দিতে পারবে না। তাই নিজের মতো করে পড়াশোনা করো আর মানুষের মতো মানুষ হও’-কথাটি বাবা আমাকে প্রায়ই বলতেন। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন।

 

বাবার পুঁজি বলতে শুধু তার ছে’লেমে’য়েই এবং এ পুঁজি তাদের পেছনেই বিনিয়োগ করতেন। কিন্তু আশানুরূপ ফল পাননি। তাই তার সর্বশেষ ভরসার জায়গা হলাম আমি। তিনি আমাকে দিয়ে বাকি ছে’লেমে’য়েদের অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিলেন। আজ তার স্বপ্নটা বাস্তবে রূপ দিতে পারলেও তিনি আমাকে ছেড়ে সেই ১৮ বছর বয়সেই বহুদূর চলে গেছেন। আমা’র এ বিজয়ের ভাগিদার তিনি হতে পারলেন না।

 

অনেকটা ভেজা ভেজা কণ্ঠে নিজের স্বপ্ন পূরণের কথা এভাবে ব্যক্ত করছিলেন ১৩তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (সহকারী জজ) পরীক্ষায় অষ্টম মেধাতালিকায় মনোনীত কুষ্টিয়ার ইস’লামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরিফা আক্তার। আরিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। কুষ্টিয়ার মিরপুরের সন্তান আরিফা ছয় ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনা-দূরন্তপনা সবকিছুতেই তিনি প্রথম স্থানে থাকতেন।

 

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাজীবন পার করেছেন গ্রামের স্কুল থেকেই। শিক্ষকদের প্রতি তার অন্যরকম আকর্ষণ কাজ করত। তাদের সান্নিধ্য পেতে সবসময় উৎসুক থাকতেন, কারণ তারাই তাকে মোটিভেট করতেন। তাই ষষ্ঠ শ্রেণি ব্যতীত তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বরাবরই প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন আরিফা।

 

অনেকটা আবেগের স্বরে আরিফা আক্তার বললেন, ‘প্রত্যেক নতুন ক্লাসে ওঠার সময় স্কুল পরিবর্তনের জন্য জিদ করতাম কিন্তু আমি বুঝতাম না যে ভালো স্কুলে পড়ানোর সাম’র্থ্য আমা’র পরিবারের নেই। আমা’র ভাইয়েরা বলত ক্লাসে প্রথম হলে স্কুল পরিবর্তন করাবে। আমিও প্রচুর পড়াশোনা করে প্রথম হতাম কিন্তু স্কুল আর পরিবর্তন হতো না। এভাবে প্রথম হতে হতে একসময় স্কুলজীবন শেষ হয়ে গেল।’

 

২০০৫ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৫০ নিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। স্বপ্ন ছিল মেডিকেলে পড়ে চিকিৎসক হওয়ার। তাই ভালো কলেজে পড়তে হবে। কিন্তু পরিবারের অসচ্ছলতা ও আর্থিক অনটনের কারণে এবারো উপজে’লা শহরের মিরপুর মাহমুদ চৌধুরী কলেজে ভর্তি হতে হলো তাকে। ‘কলেজজীবন ছিল আমা’র সবথেকে ক’ষ্টের। সবসময় ডিপ্রেশন কাজ করত, তাই রেজাল্টও খা’রাপ হলো। জিপিএ ৩.৮০ নিয়ে আমি এইচএসসিতে উত্তীর্ণ হলাম। এবার মেডিকেলের স্বপ্ন একেবারই ভেস্তে গেল’-যোগ করলেন আরিফা।

 

প্রথম বছরে বিভিন্ন প্রতিকূলতার মাঝে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কোচিং করতে না পারায় আর পরীক্ষা দেননি আরিফা। দ্বিতীয়বার বন্ধুদের উৎসাহে অনুপ্রা’ণিত হয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। ওই বছরে তিনি ইস’লামি বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চান্স পান। ইবিতে ‘ছ’ ইউনিট তথা আইনে ৬১তম মেধাতালিকায় স্থান পান। আইনে চান্স পাওয়ায় আর কোনোদিকে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। জজ হওয়ার স্বপ্ন নিয়েই ইবিতে ভর্তি হন।

 

তিনি বলেন, ‘আইনে ভর্তি হলে বাবা সবাইকে বলে বেড়াতেন যে, আমি জজ হবোই এবং তিনি আমাকে এ ব্যাপারে উৎসাহ দিতেন। আমিও প্রথম থেকেই জুডিশিয়ারির প্রস্তুতি নিতে থাকলাম। এরমাঝে আমা’র জীবনে নেমে আসল বড় বিপর্যয়। জীবনের বড় অনুপ্রেরণাদাতা (বাবা) আমাকে ছেড়ে চলে গেলেন। বাবার মৃ’ত্যুতে আমি মানসিকভাবে অনেকটা ভেঙে পড়ি এবং একা হয়ে যায়।’

 

‘তখন থেকে আমা’র আপুই আমাকে দেখাশোনা করেন এবং ভাইয়েরা পরিবারে খরচ জোগান। দ্বিতীয়বার আমা’র রুমমেট শারমিন নাহার আপু থেকে অনুপ্রা’ণিত হয় যখন তিনি ১০তম সহকারী জজ পরীক্ষায় মনোনীত হন। তখন থেকেই আমি সিরিয়াস হয়ে পড়ালেখা চালিয়ে যাই। টানা তিনবছর সেশনজটে থেকে এলএলবিতে (স্নাতক) ৩.৪২ এবং এলএলএমে (স্নাতকোত্তর) ৩.৩৩ সিজিপিএ পেয়ে গ্র্যাজুয়েট ও পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট সম্পন্ন করি। বাবার স্বপ্ন পূরণে ২০১৬ সালের জুনে ঢাকায় পাড়ি জমাই। ৩৬ ও ৩৭তম বিসিএসে অংশ নিলেও কোনো রেজাল্ট আসেনি। পরে একমাত্র জুডিশিয়ারির জন্যই পড়ালেখা চালিয়ে যাই এবং জুডিশিয়ারি পরীক্ষার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হক ল’ একাডেমিতে ভর্তি হই।’

 

‘১০ম বিজেএস পরীক্ষায় নামমাত্র অংশগ্রহণ করি। ১১তম-তে অংশ নিলেও প্রিলিতে ফেল আসে। কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি। নিজের অবস্থানে অটল থেকে পড়ালেখা চালিয়ে যাই। অবশেষে ১২তম-তে প্রিলি-রিটেনে পাস করলেও ভাইভা বোর্ডে বাদ পড়ি। তখন মনটা আরও খা’রাপ হয়ে যায়। চারটি বছর জীবন থেকে এমনিতেই চলে গেছে। প্রচণ্ড মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যদিয়ে তখন বেকার অবস্থায় দিন অ’তিবাহিত করছিলাম। এরই মধ্যে ২০১৮ সালে বার কাউন্সিলের সনদ পাই এবং ঢাকা জজকোর্টে প্র্যাকটিস শুরু করি। কিন্তু জজ সাহেবদের সামনে দেখলে বুকের মধ্যে মোচড় দিয়ে উঠত। মনে মনে ভাবতাম আমিও তো ওই চেয়ারে বসতে পারি।

 

আরেকবার চেষ্টা করে দেখি। মনে অনেকটা জেদ-সাহস নিয়ে দিনরাত অধ্যবসায় চালিয়ে যাই। অবশেষে বিজয়ের হাসি।’ আবেগাপ্লুত কণ্ঠে কুষ্টিয়ার মে’য়ে আরিফা আক্তার বলেন, ‘মহান রবের প্রতি কৃতজ্ঞতা যিনি আমাকে সম্মানিত করেছেন। কৃতজ্ঞতা পোষণ করছি আমা’র পরিবারের প্রতি, বিশেষ করে আপুর প্রতি। পরিবারের বাইরে শিক্ষকমণ্ডলী, বন্ধু-বান্ধবের প্রতি। বিশেষ কৃতজ্ঞতা পোষণ করছি শারমিন নাহার আপু (সহকারী জজ), নুরুল হক ভাই (হক ল’ একাডেমি) ও শরিফুল ভাইয়ের প্রতি। যারা আমাকে সর্বদা সাহস জুগিয়েছেন। আমি তাদের অবদান কখনো ভুলতে পারব না।’

 

স্বপ্নজয়ের অনুভূতির কথা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমি খুব মেধাবী সেটা কখনোই দাবি করি না। আমা’র মনে হয় যেকোনো প্রাপ্তির পেছনে আল্লাহর সন্তুষ্টি, চেষ্টা ও বাবা-মায়ের দোয়া কাজ করে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে চাকরি এখন মেধার চেয়ে ধৈর্যের ওপর বেশি নির্ভর করে। তাই ধৈর্য ধরে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে নিজের সর্বোত্তম চেষ্টা চালিয়ে গেলে সফলতা আসবেই।’

 

‘সমস্যা থাকবেই। এগুলো উপেক্ষা করতে পারলে জীবনযাত্রা সহ’জ হবে। বাধাবিহীন সফলতার আনন্দ কম তাই বাধাটা থাকাই ভালো। দুঃখগুলোকে পুঁজিতে রূপ দিতে পারলে সুখ আসতে সময় লাগে না’-বলেন সাহস না হা’রানো এই নারী। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে আরিফা আক্তার বলেন, ‘সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীদের কাছে ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে চাই। সাম’র্থ্যের মধ্যে নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো। নিজ গ্রামকে একটি আদর্শ গ্রামে পরিণত করা। সর্বশেষ আমা’র স্কুল-কলেজের ছাত্রছা’ত্রীদের মাঝে মেধার ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদান করতে চাই।’

Categories
শিক্ষা

বাবা-মা যেন পাগল প্রায়, বাঁচতে চায় তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী শম্পা

রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে (সেশন ২০১৬-১৭) অধ্যায়নরত শম্পা সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ ম’রণব্যা’ধি ক্যা’ন্সারে আ’ক্রা’ন্ত। তিন বোনের সংসারে শম্পাই সবার বড়। কৃষক বাবা, গৃহিণী মা আ’র্থিক সংক’টের কারণে বাকি দুই বোনকে পড়াশোনা করাতে পারেননি। শুধু শম্পাই পড়াশোনা শিখছিলেন। আর ক্যা’ন্সার বাসা বেঁ’ধেছে তার শরীরেই। কৃষক বাবার পক্ষে শম্পার চিকিৎসা ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়।

 

প্রায় প্রতিদিনই তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ, প্রতিটি রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন গুলোর কাছে ফোন দিয়ে কা’ন্নাকা’টি করছেন শম্পার বাবা মা। ইতোমধ্যে তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আশরাফ হোসেন ও তিতুমীরের সকল সংগঠন যৌথ ভাবে “ক্যা’ন্সারে আ’ক্রা’ন্ত সম্পার জন্য আমরা” স্লো’গানে শম্পার চিকিৎসার পাশে দাড়াঁনোর উদ্যোগ নিয়েছেন।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শম্পা দীর্ঘ ৪ মাস ধরে পৌ’ষ্টিকত’ন্ত্রজনীত সম’স্যায় ভু’গলে ও প্রথমত অনেক ডাক্তারই তার রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে উনারা নিশ্চিত হলেন যে, শম্পা পৌ’ষ্টিকতন্ত্র’ জনীত রো’গে আ’ক্রা’ন্ত।

 

পরে ঢাকার ফরায়েজী হাসপাতালে সম্পার অপা’রে’শন করানো হয়। কিন্তু দূ’র্ভাগ্যজন’কভাবে অপারেশন দিন ডাক্তাররা দিলেন আরেক দুঃ’সংবাদ। শম্পার অ’পারে’শনের স্থানে ইন’ফেকশন হয়ে তা ক্যা’ন্সা’রের রুপ নিয়েছে। আর এ চিকিৎসার জন্য আগামী ৬ মাস শম্পাকে হাসপাতালে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তাররা।

 

ইতোমধ্যে অপা’রে’শন করানো সহ আনুষাঙ্গিক খরচ বাবদ ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন শম্পার পরিবার৷ সম্পার কৃষক বাবা যার সব কটি টাকাই জায়গা জমি বিক্রি করে এবং সম্পত্তি ব’ন্ধক রেখে জো’গাড় করেছেন। এমন অবস্থায় শম্পার বাবা মা যেন পাগ’ল প্রায়। মেয়েকে বাঁচাতে পারবেন তো? প্রায় প্রতিদিনই তিতুমীরের পরিচিতি সকল সংগঠনের কাছে ফোন দিয়ে কা’ন্নাকা’টি করছেন তারা। তাদের পাঁ’জর ভা’ঙা অনুরো’ধ “আমার মেয়েকে বাঁ’চান” আমাদের সাহায্য করুন।

 

তিতুমীর কলেজের সকল সংগঠন থেকে জানানো হয় যে তারা ইতোমধ্যে শম্পার পাশে এসে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিটি সংগঠন থেকেই বলা হয়েছে ক্যা’ন্সা’সে আ’ক্রা’ন্ত শ’ম্পার পাশে আমরা তিতুমীরিয়ানরা আছি। আমরা যেভাবেই হোক শম্পার পরিবারের পাশে দাঁড়াবো। শিক্ষার্থী শম্পা বর্তমানে ঢাকার ফরায়েজি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

Categories
শিক্ষা

শিক্ষা ব্যাবস্থায় আসছে পরিবির্তন !

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি বলেছেন, মানসম্মত শিক্ষার দিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে আমাদের ছেলেমেয়েদের অভিজ্ঞ করে তোলা হবে। এ জন্য শিগগির শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত বেস্ট রিপোর্টং অ্যাওয়ার্ড ও নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের প্রতিও নজর দিতে হবে। এটা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করছে। শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা সম্ভব হলে তারা পাঠদানে আরও মনোযোগী ও দায়িত্বশীল হবেন।

ডা. দীপুমনি বলেন, জ্ঞানার্জনের জন্য শুধু পাঠ্যপুস্তক নির্ভরশীলতা নয়, অ্যাকটিভিটি বেইজড কার্যক্রম খুব জরুরি। বাস্তবতার সঙ্গে সংগতি রেখে পড়াশোনা করলে তা আরো বাস্তবিক হতে পারে। একসময় চ্যালেঞ্জ ছিল সবাইকে শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। বর্তমানে সবাইকে শতভাগের কাছাকাছি শিক্ষার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

‘শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫-এর পেছনে দৌড়াতে গিয়ে তাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক চাপও বাড়ছে এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংকট থেকে বের হয়ে আসতে পরীক্ষা ও সনদের (সার্টিফিকেট) নির্ভরতা কমিয়ে শিক্ষাকে ভীতির নয়, আনন্দদায়ক করে গড়ে তোলা হবে।

Categories
শিক্ষা

এইচএসসি পরীক্ষা না হলে রেজাল্ট হবে যেভাবে

এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে তিনটি প্রস্তাব তৈরি করার কথা শোনা যাচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- স্বাস্থ্যবিধি মেনে মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর স্বল্প পরিসরে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

 

 

যদি সেটাও সম্ভব না হয় তবে, শিক্ষার্থীর জেএসসি-এসএসসি এবং কলেজে প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের মূল্যায়নের ওপর ফল (গ্রেড) ঘোষণা দেওয়া যেতে পারে। অথবা আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত এই পরীক্ষার জন্য অপেক্ষার প্রস্তাবও তৈরি করা হচ্ছে।

 

 

তবে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) অনলাইনে বৈঠকে বসবে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড। সভায় উপস্থিত থাকবেন সব শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানরা। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বোর্ড থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম আমিরুল ইসলাম জানান, ক’রোনা পরিস্থিতির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দিলে পরীক্ষা শুরু করবো।

 

 

তিনি আরও জানান, পরীক্ষা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার সব শিক্ষাবোর্ডের সঙ্গে আলোচনার পর একটি প্রস্তাব তৈরি করবে।

 

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ক’রোনা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ, করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করছে।
সূত্র সময় টিভি

Categories
শিক্ষা

এইচএসসি পরীক্ষা হবেনা শিক্ষারপ্রতিষ্ঠান না খুললে

এইচএসসি পরীক্ষা হবেনা শিক্ষারপ্রতিষ্ঠান না খুললে। চলমান মহা’মারি ক’রোনা ভা’ইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আটকে গেছে ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষাও।

কবে পরীক্ষা নেয়া হবে বা নেয়া হতে পারে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বৈঠকে বসবেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। এদিন পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে ওই দিন বেলা ২টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এতে অংশ নেবেন ১১টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল বৈঠকের সভাপতিত্বে করবেন। এইচএসসি পরীক্ষা কিভাবে অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।

এ বিষয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোকবুল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, এইচএসসি, একাদশের ভর্তি ও ক্লাস শুরু নিয়ে বোর্ড চেয়ারম্যানরা বসবেন। সেখানে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরি হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে এটুকু নিশ্চিত যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে এইচএসসি ও সমমানের নতুন সূচি ঘোষণা করা হবে না।

ক’রোনার কারণে কয়েক দফায় গত ১৭ মার্চ থেকে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে তা এখনো অনিশ্চিত।

এ বিষয়ে মন্ত্রীপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো। তারা যখন মনে করবে তখনই খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।