Categories
লাইফষ্টাইল

কখন পানি পান আপনার দেহের জন্য সবচেয়ে উপকারী

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রাকে আরেকটু সহজ ও ঝামেলাবিহীন করে তুলতে যাপনপদ্ধতির কিছু না কিছু পরিবর্তন আমরা নিজেরাই করে নিই। যেসব ছোট ছোট কৌশলে আমরা যাপনপদ্ধতির পরিবর্তন করি, সেগুলোকে বলা হয় ‘লাইফ হ্যাকস’। ওয়ান থাউজ্যান্ড লাইফ হ্যাকস ডটকমের মাধ্যমে এমন কিছু যাপনকৌশল তুলে ধরছেন ইউসুফ পারভেজ ।

 

৮১. আপনার ঠোঁট ফেটে যাচ্ছে? কুসুম গরম পানিতে গ্রিন টি মিশিয়ে পরবর্তী ৫ মিনিট পর্যন্ত ঠোঁটে লাগান। আপনার সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

৮২. পরীক্ষার হলে শব্দ বা বাক্য মনে করতে পারছেন না? চিন্তার কারণ নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, হাত দৃড়ভাবে কিছুক্ষণ মুষ্টিবদ্ধ রাখলে ব্রেইনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং পাশাপাশি স্মৃতিশক্তি বাড়ে। এর ফলে আপনার পক্ষে কোন কিছু স্মরণ করা সহজ হবে।

৮৩. আপনার ব্লাড সুগার লো হয়ে যাচ্ছে? তাহলে পাউরুটির সাথে বাদামের মাখন খেতে পারেন। এতে করে আপনার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে আসবে।

৮৪. পানি পানের উপযুক্ত সময় সম্পর্কে জানেন? সকালে ঘুম থেক উঠার পর ২ গ্লাস পানি পান আপনার দেহের কোষের সজীবতা বাড়াবে। নিয়মিত খাবারের ৩০ মিনিট পূর্বে পানি পান দেহের হজম শক্তিকে বৃদ্ধি করবে। বিছানায় ঘুমাতে যাবার পূর্বে ১ গ্লাস পানি পান হার্ট অ্যাটাক এর ঝুঁকি কমাবে।

৮৫. আপনি আজ জব ইন্টারভিউ এ যাচ্ছেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত বেতন দেওয়ার সামর্থ্য আছে কিনা তা বুঝবেন কিভাবে? পার্কিং এর গাড়ির সংখ্যা ও মানের দিকে নজর দিন। তাহলে ভালো আইডিয়া পাবেন।

Categories
লাইফষ্টাইল

যদি সুস্থ থাকতে চান তাহলে এই গরমে কাঁঠাল খান

গ্রীষ্মকালীন ফলের মধ্যে অন্যতম হলো কাঁঠাল। বর্তমান সময়ে বাজারে সহজেই কিনেতে পাওয়া যায় এই ফলটি। জাদুকরী ফল কাঁঠালের গন্ধে অনেকেই নাক সিঁটকান। আর এই ফলটিকে যথাসম্ভব দূরেই রাখেন। তারা অন্তত এবার জেনে নিন এই ফলের কী কী গুণ রয়েছে, যা আপনাকে একবার হলেও এই ফলের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে।

 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর কাঁঠাল। তাই রোজ এক থেকে দু-কোয়া কাঁঠাল খেলে সহজেই আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। আপনার সুস্থতা আপনার হাতেই থাকবে। শক্তি থাকে ভরপুরপ্রতি একশ গ্রাম কাঁঠালে আপনি পাবেন ৯৪ কিলোক্যালোরি শক্তি। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট আপনাকে সবসময় রাখবে প্রাণবন্ত। তাই রোজ কাঁঠাল খেলে যতই পরিশ্রম করুন, তার ক্লান্তি ততটা বোধ করবেন না একেবারেই।

 

হৃদযন্ত্রের সুস্থতায়ঃ আমাদের শরীরে পটাশিয়াম আর সোডিয়ামের ব্যালেন্স ঠিক না থাকলে খুবই সমস্যা হয়। কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। যা, শরীরের সোডিয়ামকে ব্যালেন্সে রাখে। তারই সঙ্গে আপনার হৃদযন্ত্রের পেশিগুলোকেও সচল রেখে, তাদের কাজে একটা ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করে এই পটাশিয়াম। তাই আপনার হৃদযন্ত্রও থাকে সুস্থ-সবল।

 

ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ ক্যান্সার প্রতিরোধের কোনো উত্তর আমরা এখনও সে অর্থে পাইনি। তবে যে সব টক্সিক পদার্থ এই রোগকে ত্বরান্বিত করে, সেগুলোকে এই কাঁঠাল দূরে রাখতে সহায়তা করে। কারণ কাঁঠালে থাকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভনয়েডসের মতো যৌগ। এই যৌগগুলি শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে দেয় না।

 

তারুণ্য বজায় রাখেঃ  চারপাশের ধুলা-ময়লা থেকে আমাদের ত্বক সুরক্ষিত নয়। তাই খুব তাড়াতাড়ি আমাদের মধ্যে বার্ধক্য চলে আসে। আর এই বার্ধক্যকে বাড়িয়ে দেয় হাই অক্সিডেটিভের মতো মৌল। এগুলো দূষণের সাথে বিক্রিয়া করে ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলে। কাঁঠাল এই মৌলর সাথে যুদ্ধ করেই আমাদের ত্বককে রাখে তরতাজা।

Categories
লাইফষ্টাইল

এই গরমে ডাবের পানি কেন ব্যবহার করবেন

প্রচন্ড গরমে স্বস্তি দেয় ডাবের পানি। নিমেষে ক্লান্তি দূর করতে ডাবের পানির জুড়ি মেলা ভার। একইভাবে ত্বক পরিচর্চাতেও ডাবের পানি খুবই কার্যকর। আসুন দেখে নেই তীব্র গরমের এই সময়ে নিয়মিত ডাবের পানি খাওয়ার ও ব্যবহারের উপকারিতাগুলো কী কী।

 

ক্লান্তিকর দিনে স্বস্তি আনেঃ কোন কোন দিন খুব ব্যস্ততায় কাটে। তীব্র রোদে বাইরে যেতে হয় অনেকের। এই গরমে অল্প সময় কাজ করে ভীষণ ক্লান্ত হয়ে যাই আমরা। গরমের ক্লান্তি দূর করে কাজের উদ্যোম ফিরে পেতে ডাবের পানি খুব কার্যকর। এই গরমে নিয়মিত ডাবের পানি খেলে শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি গরমের ক্লান্তিও দূর হবে।

 

ত্বকে আনে স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বলতাঃ গরমে প্রচুর ঘাম বের হয়। আর এই ঘামের সাথে শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যাওয়ায় ত্বক হয়ে যায় মলিন। আদ্রতা হারিয়ে অনেকের ত্বক কুঁচকে যেতে পারে। ডাবের পানি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে ত্বক করে প্রাণবন্ত। তাই তীব্র রোদ থেকে ফিরে ডাবের পানি খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকেও ব্যবহার করুন।

 

ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতেঃ শুষ্ক ত্বকের জন্য ডাবের পানি অত্যন্ত কার্যকর। প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে ডাবের পানি দারুণ কার্যকরী। বাজারে কেনা ময়েশ্চারাইজার ক্রিম বা লোশনে অনেকসময় ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান থাকে। এজন্য গরমের দিনে ত্বকে নিশ্চিন্তে ডাবের পানি ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক হবে মসৃণ ও আদ্র।

 

চুলকানি কমায়ঃ ডাবের পানি ফাঙ্গাল, প্রদাহ ও ব্যাকটেরিয়ারোধী। তাই ডাবের পানি সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করা যায়। ত্বকের কোথাও চুলকানি বা র‌্যাশ হলে ডাবের পানি ব্যবহার করুন। এছাড়া ত্বকের যেকোন সংক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য ডাবের পানি কার্যকর।

 

ব্রণের সমস্যা দূর করেঃ ডাবের পানিতে ব্যাকটেরিয়ারোধী উপাদান আছে। তাই এটি ব্রণের জন্য খুবই উপকারি। যারা দীর্ঘদিন ধরে ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত ডাবের পানি দিয়ে মুখ ধুতে পারেন। ডাবের পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার পর শুকিয়ে গেলে ব্রণের জায়গাগুলোতে নারকেল তেল লাগান। এতে ব্রণের দাগ অনেকটা হালকা হয়ে যাবে।

 

বয়সের ছাপ কমাতেঃ নিয়মিত ডাবের পানি খেলে বয়সের ছাপ কমে যায় অনেকটাই। এতে থাকা ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, জিঙ্ক, আয়োডিনসহ নানা উপাদান ত্বকের জন্য দারুণ উপকারি। তাই নিয়মিত ব্যবহারে ডাবের পানি ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে। বয়সের কারণে ত্বকে বলিরেখার প্রবণতা কমায়।

 

ডাবের পানিতে নানা ধরণের পুষ্টি উপাদান থাকে। তাই ডাবের পানি স্বাস্থ্য ও ত্বকের সুরক্ষায় অত্যন্ত উপকারি। এই ঋতুতে হাতের নাগালেই ডাব পাওয়া যায়। নিয়মিত ব্যবহারের জন্য ডাবের পানি ফ্রিজে রেখেও সংরক্ষণ করতে পারেন দুই থেকে তিনদিন। তাই গরমের ক্লান্তি দূর করে ত্বকে স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বলতা আনতে এই গরমে ডাবের পানি হোক নিত্য সঙ্গি।

Categories
লাইফষ্টাইল

সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে, দেখে নিন এই উপায়ে

রান্নার গ্যাসের একটা সিলিন্ডার কতদিন চলতে পারে, সে সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা আমাদের অনেকেরই আছে। বাড়িতে কত জনের রান্না হচ্ছে বা কী ভাবে রান্না করা হচ্ছে— এমন বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে যে, একটা গ্যাস সিলিন্ডার মোটামুটি কতদিন চলবে। কিন্তু যতই ধারণা থাকুন না কেন, মাস খানেক চলার পর একটা দুশ্চিন্তা কিন্তু থেকেই যায়, বার বার ফিরে আসে… এই বুঝি গ্যাস ফুরিয়ে গেল!

 

রান্নাবান্না জোর কদমে চলছে, এরই মধ্যে হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে গেলেই সর্বনাশ! কারণ, রান্না চলাকালীন এমনটা হলে ঝক্কি তো কম হয় না! কিন্তু সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস পড়ে রয়েছে তা কী করে বুঝবেন? অনেকেই এ ক্ষেত্রে এলপিজি সিলিন্ডার হাতে তুলে ধরে বা ঝাঁকিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন যে, সিলিন্ডারে আর কতটুকু গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে। কিন্তু এ পদ্ধতিতেও অনুমানের উপরেই নির্ভর করতে হয়। নিশ্চিন্ত হওয়া যায় না। তবে একটা পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে সহজেই বুঝে নেওয়া যায় যে, সিলিন্ডারে আর ঠিক কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়…

পদ্ধতি:

১) প্রথমে একটা ভিজে কাপড় দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডারটিকে খুব ভাল করে মুছে নিতে হবে। খেয়াল রাখবেন, সিলিন্ডারের গায়ে যেন কোনও ধুলোর আস্তরণ জমে না থাকে।

২) সিলিন্ডার ভাল করে মোছা হয়ে গেলে ২-৩ মিনিট পর দেখবেন, সিলিন্ডারের কিছুটা অংশের ভিজে ভাব শুকিয়ে গিয়েছে আর বাকি অংশ তখনও ভিজে রয়েছে।

৩) সিলিন্ডারের যে অংশটা শুকোতে বেশি সময় নিচ্ছে, সেই অংশ টুকুই রান্নার গ্যাসে ভরা রয়েছে আর যে অংশটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে গিয়েছে, সিলিন্ডারের সেই অংশটি খালি! কারণ, সিলিন্ডারের যে অংশে তরল রয়েছে, সেখানকার তাপমাত্রা খালি জায়গার তুলনায় কিছুটা হলেও কম হবে। তাই সিলিন্ডারের যে অংশে গ্যাস রয়েছে, সেই অংশটির তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত কম বলে শুকোতে বেশি সময় লাগে।

সুতরাং, ‘এই বুঝি গ্যাস ফুরিয়ে গেল’ ভেবে দুশ্চিন্তা করার আর প্রয়োজন নেই। সিলিন্ডারে কতটা গ্যাস রয়েছে তা নিয়ে বিন্দুমাত্র সংশয় থাকলে এই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে নিজেই দেখে নিন। সূত্র : জিনিউজ

Categories
লাইফষ্টাইল

খুব সহজে কাঁচা কলা দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন মচমচে চিপস

খুব সহজে কাঁচা কলা দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন মচমচে চিপস। শিশুরা পছন্দ করবে মুখরোচক এই চিপস। জেনে নিন কীভাবে বানাবেন-

উপকরণ: কাঁচা কলা- ৩টি, মরিচ গুঁড়া- আধা চা চামচ, ড্রাই ম্যাঙ্গো পাউডার- আধা চা চামচ, হলুদের গুঁড়া- আধা চা চামচ, লবণ- ১ চা চামচ, তেল- ভাজার জন্য

প্রস্তুত প্রণালি: কলার খোসা ছাড়িয়ে গোল গোল ও পাতলা করে কেটে নিন। বেশ কিছুক্ষণ হলুদ-লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন টুকরাগুলো। একটি শুকনো কাপড়ে রেখে পুরোপুরিভাবে শুকিয়ে নিন পানি। একটি ছড়ানো পাত্রে কলার টুকরো রেখে হলুদ গুঁড়া, লবণ, মরিচ গুঁড়া, ড্রাই ম্যাঙ্গো পাউডার এবং ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। প্যানে তেল দিয়ে গরম করে মচমচে করে ভেজে তুলুন কলার চিপস।

Categories
লাইফষ্টাইল

জিমের ছবি ফেসবুকে দেয়া ‘মানসিক রোগ’

অনেক বন্ধু আছে যারা নিয়মিত জিমে যায়। জিম থেকে ফিরে বা জিমে থাকতেই তাদের শরীরচর্চার ছবি ফেসবুকে বা অন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন। আপনি নিজেও কিন্তু একই কাজ প্রায়ই করে থাকেন। লন্ডনের ব্রুনেল বিশ্ববিদ্যালয় একটি গবেষণা পরিচালনা করেছে মানুষের এমন সোশ্যাল অ্যাকটিভিটির ওপর। তাঁরা খুজতে চেয়েছেন কেনো মানুষ এমন করে।

গবেষকদের মতে, শরীরের এই পরিবর্তনের পেছনে কতোটা সময় ব্যয় হয়েছে এটাই তারা জিমে তোলা ছবির মাধ্যমে বন্ধুদের জানাতে চান। আর গবেষণায় এ-ও দেখা গেছে এ ধরনের স্ট্যাটাসে অন্যান্য পোস্টের চেয়ে বেশি লাইক পান তারা।

ফিটনেস রুটিন সম্পর্কিত ফেসবুক পোস্ট আপডেটে বন্ধুদের মনোযোগ আকর্ষণ করা সহজ বলছেন গবেষকেরা। ব্রুনেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ড. মার্শাল মনে করেন, যারা এমন পোস্ট প্রায়ই করে থাকেন তাদের মূল লক্ষ্যই থাকে আত্মপ্রচার। লাইক-কমেন্ট বেশি-বেশি পাওয়া তখন পরিণত হয় এক ধরণের নেশায়। ড. মার্শাল দৃঢ়তার সঙ্গেই বলছেন এটি একটি মারাত্মক মানসিক রোগ।

Categories
লাইফষ্টাইল

হাড়কে শক্তিশালী ও মজবুত করতে সহায়তা করে ডিমের সাদা অংশ

প্রতিদিনের খাবারে অনেকেই ডিম খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে স্বাস্থ্য সচেতনদের দিনই তো শুরু হয় ডিম দিয়ে। ক্যালোরি কম থাকলেও প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে ডিমে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমের কুসুম অতিরিক্ত খাওয়া শরীরের জন্য বেশি ভালো নয়। এতে করে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।

 

অন্যদিকে ডিমের সাদা অংশে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন বি। সেইসঙ্গে কোলেস্টেরলও থাকে না। যারা ওজন কমাতে চাচ্ছেন; তাদের জন্যও ডিমের সাদা অংশ অনেক উপকারী। কারণ কুসুম বাদ দিলে শুধু সাদা অংশে মাত্র কয়েক ক্যালোরি থাকে। এজন্য পুষ্টিবিদরাও ডিমের সাদা অংশ খাওয়ার প্রতি উৎসাহিত করে থাকেন। ডিমের সাদা অংশ খাওয়ার রয়েছে অনেক উপকারিতা। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক-

 

ডিমের সাদা অংশ ক্যালসিয়ামে ভরপুর। এটি হাড়কে শক্তিশালী ও মজবুত করতে সহায়তা করে। এ ছাড়াও অস্টিওপোরোসিস, রিকেটস ও হাড়ের নানান গুরুতর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যায় ডিমের সাদা অংশ খুব উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ থাকে। যা আপনার রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সহায়তা করে। ডিমের সাদা অংশে রয়েছে পটাসিয়াম, যা হৃৎযন্ত্রের যেকোনো সমস্যা থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়াও পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

এতে আরও রয়েছে আয়রন। মাথা ঘোরা বা ক্লান্ত বোধ করার মতো সমস্যা থাকলে ডিমের সাদা অংশ খেতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজ সমৃদ্ধ এই খাদ্য আপনার শরীর থেকে ক্লান্তি দূর করবে। শরীরচর্চা করেন যারা; তারা নিয়মিত ডিমের সাদা অংশ খেয়ে থাকেন। কারণ এটি প্রোটিনের ‘পাওয়ার হাউস’। এতে পেশি মজবুত হয়।

Categories
লাইফষ্টাইল

কমলা দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করুন মজার মারমালেড

আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল। আর ভিটামিন সি’র ভালো উৎস কমলা। শুধু তাই নয়, কমলা দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করতে পারেন মজার মারমালেড।

উপকরণ: কমলা বা মাল্টা ১২টি, চিনি ৪কাপ, পানি ১কাপ

যেভাবে তৈরি করবেন:প্রথমে মাল্টা বা কমলা ভালো করে পানিতে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে কোয়াগুলোকে ৩ থেকে ৪ টুকরো করে কেটে বিচি ফেলে নিন। খোসাগুলো ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন। কমলা বা মাল্টা এবং খোসাগুলো ব্লেন্ডারে পানি দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার একটি পাত্রে মিশ্রণ দিয়ে জ্বালাতে থাকুন। মিশ্রণটি পানি শুকিয়ে এলে চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন।

 

সব পানি শুকিয়ে চিনি মিলে মিশ্রণটি আঠালো হয়ে এলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে শুকনো মুখবন্ধ পাত্রে সংরক্ষণ করুন। সকালের নাস্তায় বা বাচ্চার স্কুলের টিফিনে পাউরুটির সঙ্গে দিন পুষ্টিকর এবং মজাদার মারমালেড।

 

Categories
লাইফষ্টাইল

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন কলা খাওয়া প্রয়োজন

গুণে সমৃদ্ধ ফল হলো কলা। এর পুষ্টিগুণ অধিক। এতে রয়েছে দৃঢ় টিস্যু গঠনকারী উপদান যথা আমিষ, ভিটামিন এবং খনিজ। কলা ক্যালরির একটি ভাল উৎস। এতে কঠিন খাদ্য উপাদান এবং সেই সঙ্গে পানি জাতীয় উপাদান সমন্বয় যে কোনো তাজা ফলের তুলনায় বেশি। স্বাদ ও সুগন্ধের দিক থেকে শ্রেষ্ঠ হওয়ায় কলাকে ফলের রানী বলা হয়। কলা সারা বছরের ফল। গ্রাম থেকে শুরু করে শহরে, সবখানেই পাওয়া যায় বিভিন্ন জাতের কলা। আর এই কলা খাওয়ার যে কত স্বাস্থ্য উপকারিতা, তা রীতিমতো বিস্ময়কর।

 

এবার জেনে নেওয়া যাক কেন প্রতিদিন আমাদের কলা খাওয়া প্রয়োজন- এনার্জি- ন্যাচারাল সুগার, সলিউবল ফাইবার ও পটাশিয়াম থাকা কারণে যে কোনও রকম এনার্জি ড্রিঙ্ক, এনার্জি বুস্টারের থেকে অনেক বেশি, অনেক ন্যাচারাল এনার্জি জোগায় কলা। এক্সারসাইজের আগে ও পরে তাই অবশ্যই কলা খান। অ্যাথলিট, টেনিস প্লেয়াররাও এনার্জির জন্য সবচেয়ে বেশি কলার উপরই ভরসা রাখেন।

 

ক্যানসার- সম্পূর্ণ পাকা কলার মধ্যে রয়েছে টিউমর নেক্রোসিস ফ্যাক্টর।এই সাইটোকিন কমপাউন্ড রক্তের শ্বেতকণিকা বাড়াতে সাহাযিয করে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়। আলসার- কলার মধ্যে থাকা প্রয়োজনীয় খনিজ ও উপাদান হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের ক্ষরণ রুখতে সাহায্য করে। ফলে স্টমাক অলাসারের সমস্যায় ভাল কাজ করে কলা।

 

হার্ট- কলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে হার্ট সুস্থ থাকে। স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। ভিটামিন বি ৬- কলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন বি ৬। যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে ভিটামিন বি ৬। অ্যামাইনো অ্যাসিডের সিন্থেসিস বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। স্ট্রেস- স্ট্রেস কমাতে অব্যর্থ কলা। এর মধ্যে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড ট্রিপটোফ্যান যা শরীরে সিরোটোনিমে পরিণত হয়।এই সিরোটোনিন স্ট্রেস কমিয়ে মুড ভাল করতে সাহায্য করে।অতিরিক্ত চাপের সময় কলা খেয়ে নিন। চাপ কমবে।

 

হজম- ডায়েটারি ফাইবার থাকার কারণে কলা হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে পেট পরিষ্কার রাখে। হজমের সমস্যায় অ্যান্টাসিডের থেকে অনেক ভাল কাজ করে কলা। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে সকালে উঠে দুটো কলা খেয়ে নিন। ভিটামিন ও মিনারেল- ভিটামিন বি ৬ ও পটাশিয়ামের পাশাপাশি কলায় রয়েছে ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়োডিন, সেলেনিয়াম ও জিঙ্ক। ফলে প্রতি দিনের ডায়েটে কলা থাকলে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি অনেকটাই মেটে।

 

কলার খোসা- শুধু শাঁস নয়। কলার খোসাও দারুণ উপকারী। সোরেসিস, অ্যাকনের মতো ত্বকের সমস্যায় ভাল কাজ করে কলার খোসা। সদ্য ছাড়ানো টাটকা কলার খোসা ত্বকের সোরেসিসের উপর ঘষে নিন। সারা রাত রেখে দিন। সকালে উঠে মুখে ধুয়ে ফেলুন। হ্যাংওভার- এক্সারসাইজে যেমন কাজে আসে কলা, তেমনই পার্টিতেও কাজে আসে কলা। পার্টি হ্যাংওভার কাটাতে কলার থেকে ভাল আর কিছু হতে পারে না। ব্লেন্ডারে দুটো কলা ও বরফ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন, কয়েকটা বেরি, নারকেলের দুধ বা গরুর দুধ মিশিয়ে শেক বানিয়ে খেয়ে নিন। হ্যাংওভার কেটে যাবে।

Categories
লাইফষ্টাইল

যেভাবে খুব সহজে নলেন গুড়ের রসগোল্লা তৈরি করবেন

বাঙালির প্রিয় খাবারের তালিকা করলে ওপরেই থাকে রসে টইটম্বুর রসগোল্লা। আর এই রসগোল্লা যদি নলেন গুড়ের তৈরি হয় হবে তার স্বাদ বেড়ে যায় বহুগুন। গুড়ের মিষ্টি গন্ধ মুখে দিলেই গলে যাওয়া নলেন গুড়ের রসগোল্লা নিজেই তৈরি করা যায়। খুব সহজে তৈরি করবেন যেভাবে-

যা যা লাগবে: ৫০০ গ্রাম ছানা, ২৫০গ্রাম নলেন গুড়।

যেভাবে করবেন: দুধ থেকে ছানা করে তার থেকে ভালো করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। ছানা একটি থালায় ছড়িয়ে হাতের তালু সাহায্যে খুব ভালো করে মেখে নিতে হবে। ছানা থেকে তেল বেরিয়ে এলে বুঝতে হবে ছানা মাখা হয়ে গেছে। এবার মাখা ছানা থেকে ছোট ছোট রসগোল্লা আকারে গড়ে নিতে হবে।

 

একটি পাত্রে ৩ কাপ পানি ও গুড় দিয়ে ফুটতে দিতে হবে। রস ফুটে উঠলে রসগোল্লা দিতে হবে ১৫ মিনিট চুলার আঁচ বাড়িয়ে জ্বালাতে হবে। এরপর আঁচ কমিয়ে রান্না করতে হবে আরও দশ মিনিট। রসসহ বড় বাটিতে ঢেলে এবার ঠাণ্ডা হয়ে সেট হতে দিন আট থেকে নয় ঘণ্টা। তৈরি হয়ে গেল আপনার দারুণ মজার নলেন গুড়ের রসগোল্লা।