Categories
রাজনীতি

নৌকায় ভোট দেয়া মানে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করা: জাহাঙ্গীর কবির নানক

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, নৌকা মার্কায় ভোট দেয়া মানে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ভোট দেয়া। নৌকায় ভোট দেয়া মানেই বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করা। বর্তমান সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছে।

 

গ্রামকে শহর বানানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ছিটমহল বিনিময় হয়েছে। পদ্মা সেতু হয়েছে। এই সরকার জনগণের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করছে। তাই পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিন।

 

বৃহস্পতিবার বিকেলে পঞ্চগড় পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জনভায় তিনি এসব কথা বলেন। জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবু তোয়াবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম

 

বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আব্দুল লতিফ তারিন ও পঞ্চগড় পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী জাকিয়া খাতুনসহ জেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা। জনসভা সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জেরা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট।

Categories
রাজনীতি

আলেম নয়, জালেম হয়েছো: মেয়র তাপসকে ভিপি নুর

সাম্প্রতিক ভাস্কর্য ইস্যুতে দেশের আলেম-ওলামা সম্প্রদায়ের প্রতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।

 

মেয়র তাপসের প্রতি ইঙ্গিত করে ভিপি নুর বলেছেন, ‘সরকার পশ্চিমাদের দেখানোর জন্য সুপরিকল্পিতভাবে ইসলাম বি’দ্বে’ষ তৈরি করছে। আলেম-ওলামাদের কাঠ মো’ল্লা, জ”ঙ্গি, জামায়াত-শিবির বলে নানা ভা’ষায় গা’লি দিচ্ছে। আমরা দেখি এই নগরের বিনা ভোটের মেয়র (ডিএসসিসি মেয়র শেখ তাপসের প্রতি ইঙ্গিত করে) আলেম-ওলামাদের ক’টা’ক্ষ করে বলেন, ‘তোমাদের বাপ-মা পি’টাই’য়া মাদরাসায় পাঠাইছে তাই তোমরা আলেম হইছো। আমি ঘরে বসে আলিফ, বা, তা, ছা শিখে অনেক শিক্ষিত হয়েছি’। আমি বলবো- তুমি জা’লেমে পরিণত হয়েছো। আজকে আলেমদের বি’রু’দ্ধে তোমরা অবস্থান নিয়েছো।’

মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে ঢাকসুতে হা’ম”লার এক বছর পূর্তি ও বিচার’হী’নতার প্র’তিবা’দে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। নুর বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ নি’ষিদ্ধ করেছে ডিএমপি। আমরা ডিএমপির কোনও অনুমতি নিয়ে আজকের সমাবেশ করিনি। আমরা কোনো প্রকার সভা-সমাবেশ করার জন্য এই অ’বৈধ ভোটারবিহীন সরকার বা ডিএমপির ধার ধারি না।’

 

তিনি বলেন, ‘সংবিধান আমাদেরকে সভা-সমাবেশ ও মিটিং মিছিল করার অধিকার দিয়েছে। সেই অধিকার ভোটারবিহীন সরকার কে’ড়ে নেয়ার কে? তাই আমি সকল রাজনৈতিক দলকে বলব, সভা-সমাবেশ করার জন্য এই ভোটারবিহীন সরকার বা ডিএমপির কোনও অনুমতি নেবেন না। যদি আপনারা এই সরকারের অনুমতি নিয়ে সভা-সমাবেশ করেন, তাহলে আমরা মনে করবো আপনারা স্বৈ’রাচারের আইন-কানুন মানছেন এবং স্বৈরাচারকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন।’

 

বর্তমান সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত ও আতঙ্কিত বলেও মন্তব্য করেন ভিপি নুর। বলেন, ‘ডান-বাম সকল রাজনৈতিক সংগঠনের ভাইদেরকে বলবো, এই সরকার ভীত-সন্ত্রস্ত ও ক্ষমতা হা’রা’নোর ভ’য়ে আ’তঙ্কি’ত। তাই তারা আজকে জনগণের মিটিংকেও নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ পুরানো স্বৈরাচার এরশাদের সাথে মিলিত হয়ে মহাস্বৈরাচারে পরিণত হয়েছে। সরকার এখন বুঝতে পেরেছে, চতুর্দিক থেকে জনগণ ফুঁসে উঠেছে। তাই তারা বেপরোয়া হয়ে গেছে। এই বায়তুল মোকাররমে আলেম-ওলামাদের ওপর কিভাবে হামলা চালিয়েছে। ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে মানুষ ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করে, মানুষ সংশোধন হয়, আলেম-ওলামাদের হাত ধরে তওবা করে, গুনাহর পথ থেকে ফিরে আসে। কিন্তু এ সরকার আজকে ‘ভাস্কর্য নাটক’ তৈরি করে সারা বাংলাদেশে আলেমদের ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করে দিয়েছে।’

 

তিনি বলেন, ‘এদেশের সকল অসম্প্রদায়িক জনগণকে বলবো, ভোটারবিহীন অ’বৈধ স্বৈ’রাচার সরকারের ফাঁ’দে পা দেয়া যাবে না। তারা বিভিন্ন সময়ে ‘জ”ঙ্গি না’টক’ সাজিয়ে পশ্চিমাদের সাহায্য নেয়ার চেষ্টা করেছে। পশ্চিমাদের বুঝিয়েছে এদেশে উ’গ্র ইসলামবাদ আছে। সেজন্য বিভিন্ন জ’ঙ্গি অপারে’শনের নাটক সাজিয়েছে। নুর বলেন, ‘ইউরোপ, আমেরিকা যখন এই সরকারকে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ দিয়েছে, তখন এই পশ্চিমাদের দেখানোর জন্য ‘ভাস্কর্য নাটক’ তৈরি করে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী পান্ডাদের মাঠে নামিয়ে দেয়া হয়েছে।’

 

আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্যে ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, ‘আজকে আলেম ওলামাদের বলতে চাই, আপনারা সরকারের ফাঁ’দে পা দিবেন না। আপনারা যেভাবে ধর্মীয় ইস্যুতে মাঠে নামেন ঠিক একইভাবে মানুষের ওপর যে জুলুম চলছে তার বি’রু’দ্ধে জি’হাদ করেন। শুধুমাত্র ভাস্কর্য ও শিক্ষানীতির দু-একটা বিষয় নিয়ে কথা বললে হবে না। সমাজের মানুষের সুন্দর জীবন যাপনের জন্য সকল বিষয়ে আপনাদের সুনির্দিষ্ট মতামত থাকতে হবে।’

 

নুরুল হক নূর বলেন, ‘আজকে দেশের জনগণকে বলবো, মু’ক্তিযু’দ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বাস্তবায়নের যে তারুণ্যের ঐক্য সৃষ্টি হয়েছে তাকে সমর্থন দিন। আমাদের ছাত্র অধিকার পরিষদ, যুব অধিকার পরিষদ ও শ্রমিক অধিকার পরিষদ সারা দেশে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই আমাদের রাজনৈতিক দল “গণ অধিকার পরিষদ” আত্মপ্রকাশ করবে।’

 

ডাকসু হামলার এক বছর উপলক্ষে ‘বিচারহীনতার বিরুদ্ধে কালো পতাকা মিছিল’ শীর্ষক কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। এরপর বি’ক্ষো’ভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ হয়ে পল্টন মোড়ে এসে অবস্থান নেন। এ সময় তারা প্রায় আধা ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

Categories
রাজনীতি

হেফাজতের মহাসচিব হতে পারেন মামুনুল হক

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমির মৃত্যুর পর খালি হয়েছে পদটি। অনেক জটিল প্রক্রিয়ার পর কাউন্সিল করে তাকে এই পদে দায়িত্ব দেয়া হিয়েছিল। কিন্তু এর অল্প কিছুদিন পরেই পদটি শূন্য হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আবারও ভাবনায় পড়লেন হেফাজত নেতৃবৃন্দ।

 

আল্লামা কাসেমির মৃত্যুর পর নানা দিক বিবেচনায় এখন পর্যন্ত কাউকে তার পদে ভারপ্রাপ্ত করা যায়নি। তবে সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের বৈঠকে এই পদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ছে। কয়েকদিনের মাঝেই চুড়ান্ত করা হবে কে বসছেন এই পদে।

 

হেফাজতের কমিটিতে যুগ্ম মহাসচিব হিসাবে আছেন চারজন। তারা হলেন- মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির ও মাওলানা লোকমান হাকিম।

 

এর আগে সর্বশেষ কাউন্সিলে মহাসচিব পদে বসার আলোচনায় ছিলেন খেলাফত আন্দোলনের আমির ও হেফাজতের নায়েবে আমির মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী। তাকে নিয়েও আলোচনা হচ্ছে মহাসচিব হিসাবে পদ পাওয়ার। আবার মামুনুল হককে নিয়েও চলছে নানা গুঞ্জন।

 

গত ১৮ সেপ্টেম্বর হেফাজত আমির আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুর পর সংগঠনের শীর্ষ পদ নিয়ে শুরু হয় বিভক্তি। তখন একাংশের বিরোধীতা সত্যেও ১৫ নভেম্বর জাতীয় কাউন্সিল ডাকে সংগঠনটি। তে আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীকে আমির ও আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীকে মহাসচিব করা হয়।

Categories
রাজনীতি

প্রয়োজন হলে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে আন্দোলন-সংগ্রাম করবো

প্রয়োজন হলে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে আন্দোলন-সংগ্রাম করবো বলে জানিয়েছেন, সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, শুধু বিএনপি নয়, সব রাজনৈতিক দলকেই এক জায়গায় আসা দরকার। আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে চাই। সাফল্য না পেলেও জনগণের কাছে একটি বার্তা যাবে। একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছেন।

 

নুর বলেন, সরকার ভিন্নমত, বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের দীর্ঘদিন ধরে দমন-পীড়ন, হামলা-মামলা, দিয়ে চুপ করিয়ে রেখেছে। বর্তমানে একটু ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক দল, সংগঠন প্রতিবাদের চেষ্টা করছে। সরকার অগণতান্ত্রিকভাবে দু’বার ক্ষমতায় আছে। সরকার চাপ বোধ করছে না। সে কারণেই ছোট ছোট আন্দোলন গড়ে উঠছে। এগুলো বড় আন্দোলনের গড়ে ওঠার ইতিবাচক প্রস্তুতি।’

 

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতৃবৃন্দের কথাবার্তা শুনেছি। তারাই বিভিন্ন সময় বলেছেন, কেউ সরকারের দালাল, কেউ সমঝোতা করে রাজনীতি করছে। বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা স্লোগান দিয়েছে- খালেদা তোমার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই। অথচ তার জেলে যাওয়ার পরে তারা রাজপথে নামেনি। তারা কার্যকর আন্দোলন গড়ে তুলতে না পারার কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে ভেতরে রাখতে পেরেছে সরকার।’

 

নুর আরও বলেন, ‘আমরা এখনও কোনো রাজনৈতিক দল না। রাজনৈতিক দল গঠন করার চেষ্টা করছি। সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা, আন্দোলন সফল করার মতো নেতাকর্মী এখনো আমাদের নেই।

Categories
রাজনীতি

অপশক্তি মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে: মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব শায়খুল হাদীস মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ভাস্কর্য ইস্যুকে ঘোলাটে করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে একশ্রেণির লোক উঠেপড়ে লেগেছে। ইসলামে ভাস্কর্য বানানোর কোনো সুযোগ নেই। নূনতম কোনো ঈমানদার মূর্তি বা ভাস্কর্য বানানোর পক্ষে কথা বলা সুযোগ নেই।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রতিটি কর্মীকে সকল অপশক্তির মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। এলক্ষ্যে সারাদেশের সকল শাখাকে দাওয়াতী মাসের কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তিনি বুধবার বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ দারুল খিলাফাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্র ঘোষিত দাওয়াতী মাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, অফিস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলনা আজিজুর রহমান হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মূসা, সহ-বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা নিয়ামাতুল্লাহ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মুমিন, সহ-সাধারণ মাওলানা আতিক উল্লাহ, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা মিজানুর রহমান মিসবাহ, ছাত্র মজলিসের সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ উবায়দুর রহমান প্রমূখ।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের হাতে সদস্য ফরম পূরণ করে বিপুল সংখ্যক আলেম-ওলামা যোগদান করেন। -বিজ্ঞপ্তি

Categories
রাজনীতি

বোরকা পরা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

‘রোরকা পরা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ – গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ডিবিসি নিউজের সাথে একথা বলেন।

 

ভাস্কর্য ইস্যু নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, যার ভাস্কর্যই হোক না কেন, ভাস্কর্য ভাস্কর্যই। এটা নিয়ে আমাদের আলেমরা একটা ভুল কাজ করছেন। আমি মনে করি আলেমরা জ্ঞানী মানুষ। তারা আমাদের শ্রদ্ধেয়জন। তাদেরকে প্রভাবান্বিত করেছে কে তা আমরা জানি না। তবে লোকে সন্দেহ করছে যে এত বড় ভুল কাজ তারা কেন করবে?

 

তিনি বলেন, ভা’স্কর্য আর মূ’র্তি তো এক কথা নয়। তাদের উচিত হবে মানবিক কাজ করা। কিন্তি জাতির দুর্ভাগ্য এই মৌলভী সাহেবরা-মাদরাসার শিক্ষকরা কি করে যৌ’ন নি’পীড়’নে জড়িত? কি করে তারা ব’লাৎকা’রে জ’ড়িত? উনাদের দায়িত্ব হবে মাদরাসার মধ্যে এই ঘটনা যেন আর না ঘটে। শিক্ষার মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে। বুঝাতে হবে এইসব অহেতুক বিত’র্কে যাওয়া উচিত নয়।

 

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরো বলেন, উনাদের আন্দোলন হবে আমার মতে উনাদের পান খাওয়া বন্ধ করতে হবে। পান খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষ’তিকর। উনাদের মেয়েরা লম্বা লম্বা বোরকা পরবে এটাও ঠিক নয়। এটাও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

Categories
রাজনীতি

তেলাপোকাও পাখি, মামুনুল হকও মানুষ: নিক্সন চৌধুরী

ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এবার হেফাজতে ইস’লামের যুগ্ম মহাসচিব মা’ওলানা মামুনুল হককে তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা করেছেন আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। আজ সোমবার চট্টগ্রামের পুরোনো রেলস্টেশন চত্বরে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

 

নিক্সন চৌধুরী বলেন, মামুনুল হক কারে চ্যালেঞ্জ করে, শেখ হাসিনারে! আরে ব্যাডা কী’ পাগল নাকি, তার মা’থায় কী’ বুদ্ধিশুদ্ধি কম? শেখ হাসিনা অনেক উপরের বিষয়, আগে যুবলীগের সঙ্গে লইড়া দেখেন। মাঠে আসেন, আপনাদের সঙ্গে খেলা হবে। যুবলীগের সঙ্গে এক মিনিটও ল’ড়াই করতে পারবেন না।

 

ফাঁপরবাজি করতে নিষেধ করে তিনি বলেন, কোন দেশের টাকা খাইছেন? হঠাৎ কই’রা চাঙা দিয়া উঠছেন, এসব ফাঁপরবাজি বাদ দেন। অন্য দেশের দালালি বন্ধ করেন। কারণ এটা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশ।

 

যুবলীগ যদি মাঠে নামে, ওস্তাদ দৌড়াইয়া কূল পাবেন না মন্তব্য করে এই সাংসদ বলেন, নেত্রীরে চ্যালেঞ্জ জানানোর আগে নেত্রীর সন্তানদের সঙ্গে একটু বুইঝা নিয়েন। অন্য দেশের দালালি কই’রা মাল খাইছেন। হেই মাল খাইয়া এহন ভাব নেন আর চ্যালেঞ্জ জানান।

 

আরে মিয়া তেলাপোকাও পাখি, আর মামুনুল হকও মানুষ। সাহস থাকলে মাঠে আসেন, সেখানে খেলা হবে। ভ’য় দেখাবেন না, কারণ আমাদের মা’থা থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত পুরাটাই কইলজা, যোগ করেন যুবলীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য।

Categories
রাজনীতি

যুবলীগের সঙ্গে এক মিনিট লড়ার ক্ষমতা আপনার নেই: নিক্সন চৌধুরী

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।

 

নিক্সন বলেন, মামুনুল হক কারে চ্যালেঞ্জ করে? শেখ হাসিনারে চ্যালেঞ্জ করে! ব্যাডা কী পাগল…? মাথায় কি বুদ্ধি কম? আরে শেখ হাসিনা তো অনেক উপরের বিষয়। আজ সারাদেশে যুবলীগের সঙ্গে লইড়া দেখেন। আসেন, দেখেন খেলা হবে। এই যুবলীগের সঙ্গে এক মিনিট লড়ার ক্ষমতা আপনার নেই।

 

আজ সোমবার (৩০ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের পুরোনো রেলস্টেশন চত্বরে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে যুবলীগের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলমকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। নিক্সন চৌধুরী বলেন, আমাদের সাথে ফাঁপরবাজি কইরেন না। কোন দেশের টাকা খাইছেন, হঠাৎ কইরা চাঙা দিয়া উঠছেন। ওইসব দেশের দালালি বন্ধ করেন, এটা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশ।

 

নিক্সন চৌধুরী বলেন, যুবলীগ যদি মাঠে নামে ওস্তাদ দৌড়াইয়া কূল পাবেন না। তাই আমার নেত্রীরে চ্যালেঞ্জ জানানোর আগে নেত্রীর সন্তানদের সঙ্গে একটু বুইঝা নেন। তাই এমন ধমক দিয়েন না। দালালি করেন অন্য দেশের। দালালি কইরা মাল খাইছেন, হেই মাল খাইয়া এহন ভাব নেন, চ্যালেঞ্জ করেন।

 

মামুনুল হককে তেলাপোকার সাথে তুলনা করে নিক্সন বলেন, আরে মিয়া তেলাপোকাও পাখি, আর আপনিও মানুষ। যদি সাহস থাকে তাহলে আসেন মাঠে আসেন। মাঠে খেলা হবে। আমাদের ভয় দেখাবে না না। আমাদের মাথা থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত পুরাটাই কইলজা। সূত্রঃ জাগো নিউজ২৪

Categories
রাজনীতি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলার ওলি: নিখিল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার একজন ওলি ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। শনিবার দুপুরে জামালপুরের মাদারগঞ্জ বালিজুড়ি এফ এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজে’লা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে বিশেষ অ’তিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

এসময় তিনি বলেন, ইস’লামের কথা বলে, ধ’র্মের কথা বলে ধ’র্ম ব্যবসায়ীরা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে। আম’রা বিশ্বা’স করি- আম’রা যারা আল্লাহর প্রে’মিক, আম’রা যারা ইস’লামের প্রে’মিক, তারা মনেপ্রা’ণে বিশ্বা’স করি বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলাদেশের একজন ওলি। তিনি ছিলেন বাংলার একজন ওলি। ধ’র্মব্যবসায়ী ও জ’ঙ্গিবাদীদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় যুবলীগ প্রস্তুত আছে।

 

সভায় প্রধান অ’তিথির বক্তব্যে যুবলীগের চেয়ারম্যান ফজলে শামস পরশ বলেন, রাজনীতির পবিত্রতা ধরে রাখতে হবে। রাজনীতি পেশায় পরিণত হয়েছে। এই মনোবৃত্তি থেকে আমাদের সরে দাঁড়াতে হবে। রাজনীতি কোন পেশা নয়, রাজনীতি একটি স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ।

 

তিনি আরও বলেন, একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাই দু’র্নীতিমুক্ত দেশ বানাতে পারে। তিনি নিজের দল থেকে শুদ্ধি অ’ভিযান শুরু করেছেন। বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার যে স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন তা যেন কোন দু’র্নীতিবাজ চক্র, মৌলবাদী শক্তি ও কুচক্রী মহল নস্যাৎ করতে না পারে যুবলীগকে সে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

 

সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি। মাদারগঞ্জ উপজে’লা যুবলীগের সভাপতি ফরিদুল ইস’লামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে জে’লা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্ম’দ বাকী’ বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক জে’লা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

Categories
রাজনীতি

মামুনুল যে গর্হিত টোনে বক্তব্য দেন তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: রাব্বানী

মূর্তি বানিয়ে তাকে সৃষ্টিকর্তা ভাবা, পুজো করা, কুর্নিশ করা (নাউজুবিল্লাহ, সরাসরি শিরক!) আর বিশ্বের বুকে একটা নতুন মানচিত্র ও জাতি রাষ্ট্রের জন্ম দেওয়া আদর্শিক পিতার অসামান্য অবদান ও মহান স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা-সম্মান জানিয়ে তাঁর শৈল্পিক ভাষ্কর্য নির্মাণ যে এক জিনিস না, এটা যেকোনো বোধসম্পন্ন মুসলমানের মতো মামুনুল হক নিজেও বেশ জানেন ও বোঝেন। স্রেফ এদেশের ‘ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের অনুভূতিকে হীন রাজনৈতিক স্বার্থে অপব্যবহার করতেই এই জামায়াত নেত্রীর স্বামী ও জামায়াত রুকনের জামাই অবান্তর প্রলাপ বকে চলেছেন!

 

আমাদের প্রাণপ্রিয় নবী করিম (সাঃ) বিদায় হজ্বের ভাষণে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে স্পষ্ট বারণ করেছেন। সীমা লঙ্ঘনকারীকে কিন্তু স্বয়ং আল্লাহও পছন্দ করেন নাহ! তিনি যে গর্হিত ভাষায় ও টোনে বক্তব্য দেন, তা শিষ্টাচার বহির্ভূত ধৃষ্টতা, সরাসরি রাষ্ট্র দ্রোহিতার শামিল। এটা কোনভাবেই একজন সহীহ দ্বীনি আলেমের বক্তব্য হতে পারে নাহ।

 

অনতিবিলম্ব এই লেবাসধারী ধর্ম ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক, আর ধর্মীয় উগ্রবাদিতা ছড়ানোর অপচেষ্টায় রত খেলাফত মজলিসকে মামুনুলের মতো সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদী নেতাদের প্রভাবমুক্ত করা অত্যন্ত জরুরী।

 

ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রতি আহবান থাকবে, এই (অ)ভদ্রলোক ও তার অনুসারীদের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি ভালোভাবে তদন্ত করা হোক। খেলাফত মজলিস জামায়াতের সমর্থনপুষ্ট এবং এ অংশটি থেকেই কওমী মাদ্রাসায় জঙ্গিবাদের সূচনা হয়। হরকাতুল জেহাদের নেতারা আগে খেলাফত মজলিসের সঙ্গে যুক্ত ছিল। গ্রেনেড হামলায় যুক্ত জঙ্গি মুফতি শহিদুলের নেতৃত্বে এই মামুনুল হকরাই মোহাম্মদপুরের মাদ্রাসা দখল করেছিল, যা দ্রুত দখলমুক্ত করে প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব বলে মনে করি।

 

খেলাফত-হেফাজতের বিরাট জমায়েতের মূল রহস্য হচ্ছে, নিয়ন্ত্রাধীন সকল মাদ্রাসার ছাত্রদের তাদের ঘোষিত সমাবেশে আসতে বাধ্য করা হয়। তাই, মাদ্রাসার ছাত্রদের কোনো সমাবেশে নেয়া যাবে না- এই মর্মে নির্দেশনা জারি করা আবশ্যক। আর আল্লাহর ঘর, পবিত্রতম স্থান মসজিদ কেন্দ্রীক যেকোনো মিটিং-মিছিল বন্ধ করতে হবে। শুক্রবার আসলে নামাজ শেষ হওয়ার আগেই এরা ব্যানার ফেস্টুন হাতে মসজিদের দরজায় ও গেটে দাঁড়িয়ে যায়, আর সাধারণ মানুষ মসজিদ থেকে বের হওয়া প্রায় সকল মুসল্লীকে এসব উগ্রবাদী গোষ্ঠীর কর্মী সমর্থক ভেবে ভুল করে।

লেখাটি ডাকসুর সাবেক জিএস ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেয়া