Categories
ইসলাম

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে প্রিয়াঙ্কা চক্রবর্তী থেকে আয়েশা সিদ্দিকা হলেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী প্রিয়াঙ্কা চক্রবর্তী শমী। গত ৩ আগস্ট চট্টগ্রামের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে নোটারি করে স্থানীয় আলেমের কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার নাম রাখা হয়েছে আয়েশা সিদ্দিকা।

 

আয়েশা সিদ্দিকা (প্রিয়াঙ্কা চক্রবর্তী) হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার রাঢ়িশাল গ্রামের পূর্ণেন্দু শেখর চক্রবর্তীর মেয়ে। তার জন্ম স্থান সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দুলিয়ারবন্দ গ্রামে দীর্ঘদিন ধ’রে পিতা-মাতার সাথে বসবাস করে আসছিলেন।

 

প্রিয়াঙ্কা তার হলফনামায় উল্লেখ করেন, মুসলিম বন্ধু-বান্ধবদের সং’স্প’র্শে এসে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানেন ও বুঝেন। এ সময় পবিত্র কুরআন-হাদিস পড়েন এবং নবী মোহাম্মদ (সা:)’র জীবনী পড়েন। এ থেকে তিনি ইসলাম ধর্মের সৌন্দর্য ও আচার আচরণ দেখতে পেয়ে মুগ্ধ হন।

 

তিনি সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ৩ আগস্ট চট্টগ্রামের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে নোটারি করে স্থানীয় আলেমের কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার নাম রাখা হয়েছে আয়েশা সিদ্দিকা। এখন তিনি এ নামে পরিচিত হবেন।

 

নও মুসলিম আয়েশা সিদ্দিকা (প্রিয়াঙ্কা) ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর চট্টগ্রামের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে নোটারি করে গত ৮ আগস্ট হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাও গ্রামের আব্দুল মুকিতের ছেলে সাব্বির আহমদ রনির সাথে বিবাহ বন্ধনে আব’দ্ধ হন।

Categories
ইসলাম

রুটি বিক্রেতা থেকে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ানের জীবন খুবই সাধারণভাবে শুরু হলেও বর্তমানে তিনি এমন এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন, যিনি আধুনিক তুরস্কের জনক মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের শাসনামলের পর অন্য যে কোনো নেতার চেয়ে দেশটিকে সবচেয়ে বেশি বদলে দিয়েছেন। পবিত্র ইসলাম ধর্ম নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে বা’কযু’দ্ধে জ’ড়িয়ে বর্তমানে তিনি আলোচিত এক রাজনীতিকে পরিণত হয়েছেন।

 

এরদোগানের জন্ম ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। একজন উপকূল-র’ক্ষীর সন্তান তিনি। বেড়ে উঠেছেন তুরস্কের কৃষ্ণ সাগর সমুদ্র উপকূলে। তার বয়স যখন ১৩, তার বাবা সন্তানদের আরও ভালো লেখাপড়া করানোর স্বপ্ন নিয়ে ইস্তানবুলে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেন। কিশোর এরদোয়ান বাড়তি কিছু অর্থ রোজগারের জন্য রাস্তায় লেবুর শরবত ও রুটি বিক্রি করতেন।

 

ইসলামিক স্কুলে লেখাপড়া করেছেন তিনি। পরে ইস্তানবুলের মারমারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। একজন পেশাদার ফুটবলারও ছিলেন তিনি। এরদোয়ান জাতীয় পর্যায়ে ক্ষমতায় আসেন ২০০৩ সালে। সরাসরি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে ১১ বছর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

তুরস্কে একসময় প্রেসিডেন্টের পদটি আল’ঙ্কারিক হলেও এখন তিনিই সর্বসময় ক্ষমতার অধিকারী। ফলে তার বি’রু’দ্ধে সমালোচনা করা এখন কঠিন। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের অনেক সমর্থক তাকে ‘সুলতান’ নামে ভূষিত করেছেন, যা অটোমান সাম্রাজ্যের সময়ে ব্যবহার করা হতো।

 

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় অফিসগুলোতে নারীদের হিজাব পরার ওপর কয়েক দশক ধরে যে নি’ষেধা’জ্ঞা জারি ছিল, সেটি ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। তবে বিচার বিভাগ, সামরিক বাহিনী এবং পুলিশ নতুন এই আইনের বাইরে ছিল। এ ছাড়া এরদোয়ান ব্যভিচারকে ফৌ’জদারি অ’পরা’ধ হিসেবে গণ্য করার উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন, চালু করার চেষ্টা করেন ‘অ্যা’লকো’হলমু’ক্ত এলাকা’। সমা’লোচকরা বলছেন, এসবই এরদোয়ানের ইসলামপন্থী আ’কা’ঙ্ক্ষাকে প্রমাণ করে।

 

২০০৩ সালের মার্চ মাসে যখন এরদোয়ান তুরস্কের নেতা নির্বাচিত হন, সেসময় এক ডলারে পাওয়া যেত ১ দশমিক ৬ লিরা। কিন্তু এখন এক ডলারের মূল্য আট লিরারও বেশি। তার শাসনামলের শুরুর দিকে দেশে বড় ধরনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটেছিল, হয়েছিল ব্যাপক উন্নয়নও। সাম্প্রতিককালে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বহির্বিশ্বে তার শক্তি প্রদর্শনের জন্য খুব বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন, যা অনেক দেশকে ক্ষু’ব্ধ করেছে।

 

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা জোট ন্যাটোতে তুরস্কের মিত্র দেশগুলোও তুর্কি প্রেসিডেন্টের এই তৎপরতায় ক্ষু’ব্ধ। লিবিয়া ও সিরিয়ার সং’ঘা’তে সরাসরি জ’ড়িয়ে পড়েছে তুরস্কের সামরিক বাহিনী। ককেশাস অঞ্চলে নাগোরনো-কারাবাখকে কেন্দ্র করে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যে যু’দ্ধ চলছে, তাতেও প’রো’ক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছে তুরস্ক।

 

দুটো দেশের মধ্যে তী’ব্র লড়াই শুরু হওয়ার আগে তুরস্ক ও আজারবাইজান মিলে চালিয়েছে যৌথ মহড়া। যু’দ্ধে আজারবাইজানকে সরাসরি সমর্থন দিয়ে অনেক দেশের সমালোচনার শি’কার হয়েছে তুরস্ক। আজারবাইজানিরা ইতিহাস ও সাংস্কৃতিকভাবে তুরস্কের ঘনিষ্ঠ। এ ছাড়া তেলসমৃদ্ধ এই দেশটিকে তেল রফতানির জন্য নির্ভর করতে হয় তুরস্কের ওপর। তাদের তেলের পাইপলাইন গেছে তুরস্কের ভেতর দিয়ে। কিন্তু রাশিয়া কয়েক শতাব্দী ধরে এই ককেশাস অঞ্চলে তাদের প্রভাব বিস্তার করে আসছে।

 

লিবিয়া ও সিরিয়া এবং সবশেষ ককেশাসে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের প্রভাব বিস্তারের আ’কা’ঙ্ক্ষা ও সেই লক্ষ্যে সামরিক তৎপরতার কারণে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও তার বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে সম্প্রতি গ্যাসের যে বিশাল ভা’ণ্ডারের খোঁজ পাওয়া গেছে, সেটিও উঠে এসেছে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ভূ-রাজনৈতিক এজেন্ডায়। সাইপ্রাসের সমুদ্র উপকূলে গ্যাসের সন্ধানে তুরস্কের তৎপরতায় সাইপ্রাস ও গ্রিসের সরকার ক্ষো’ভ প্রকাশ করেছে। এই দুটো দেশই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য। এ বিষয়ে ইইউও প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে সতর্ক করে দিয়েছে।

 

পশ্চিমা দেশগুলোর চাপ অবজ্ঞা করে এরদোয়ান উত্তর সাইপ্রাসে তুর্কি জাতীয়তাবাদী নেতাদের স্ব’ঘোষিত সরকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তুরস্কই একমাত্র দেশ যারা এই স্বীকৃতি দিল। সম্প্রতি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ফ্রান্সে ইসলামপন্থীদের দমনে তৎপর হলে এবং ইসলাম ধর্মের সমালোচনা করলে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ফরাসি প্রেসিডেন্টের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার কথা বলেছেন। ফরাসি পণ্য বয়’কটেরও ডাক দিয়েছেন তিনি। এতে ফ্রান্স ক্ষু’ব্ধ হয়েছে।

 

সমালোচকরা বলছেন, বহু আগে থেকেই প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের বেশ কিছু ইসলামপন্থী এজে’ন্ডা রয়েছে। মিসরে নি’ষিদ্ধ-ঘো’ষিত রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে রয়েছে তার আদর্শগত মিল। মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতাকর্মীদের মতো তিনিও চার আঙুল তুলে স্যালুট দেয়ার জন্য পরিচিত। এভাবে শুভেচ্ছা জানানোকে বলা হয় ‘রাবা’।

 

এ বছরের জুলাই মাসে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ই’স্তান’বুলের ঐতিহাসিক একটি ভবন আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরিত করেন। এতে বহু খ্রিস্টান ও পশ্চিমা দেশ ক্ষু’ব্ধ হয়েছে। দেড় হাজার বছর আগে এই ভবনটি নির্মিত হয়েছিল গির্জা হিসেবে। অটোমান টার্কের আমলে এটিকে মসজিদে পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু পরে কামাল আতাতুর্ক ভবনটিকে জাদুঘরে পরিণত করেন, যা ধর্মনিরপেক্ষ নতুন তুরস্কের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

Categories
ইসলাম

ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দিলেন জাকির নায়েক

বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে অবমাননার প্রতিবাদে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন ডা. জাকির নায়েক। মহানবীকে নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর বিতর্কিত মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এই আহ্বান জানিয়েছেন।

 

ইসলামিক বক্তা ডা. জাকির নায়েক তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে বলেন, ফ্রান্স বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে অপমান করেছে এবং সারা বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের ক্ষুব্ধ করেছে। এখনই ফরাসি সব পণ্য এবং পরিষেবা বয়কট করুন।

 

তিনি তার পোস্টে ফ্রান্সের বিভিন্ন পণ্য ও সেবাদানকারী কম্পানির লোগো এবং তালিকা প্রকাশ করেন। মুহূর্তেই তা কয়েক লাখ প্রতিক্রিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এই নিয়ে তিনি বেশ কয়েকটি পোস্ট করেন।

 

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার ৯ ঘণ্টা আগে দেওয়া পোস্টটিতে দেড় লাখেরও উপরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। মন্তব্য পড়েছে ১৪ হাজারেরও বেশি। আর শেয়ার করা হয়েছে ২৮ হাজার বার।

 

সর্বশেষ পোস্টটিতে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৪ হাজারেরও বেশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। সাড়ে পাঁচশরও বেশি মন্তব্য পড়েছে। আর শেয়ার করা হয়েছে ৯৪১ বার।

Categories
ইসলাম

কোয়ারেন্টাইনে কোরআন পাঠ করছেন মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মন্ত্রী। তার সংস্পর্শে আসায় এখন কোয়ারেন্টাইনে আছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন। অবসরের এই সময়গুলো তিনি পার করছেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে।

 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিনের কোরআনের তেলাওয়াতের একটি ভিডিও। ভিডিওতে মহিউদ্দিন ও তার পাশে থাকা স্ত্রীকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করতে দেখা যায়। এ সময় মহিউদ্দিন সুরা ওয়াকিআহ পাঠ করছিলেন।

 

কাতারের রাষ্ট্রদূত ফাহাদ কাফুদ টুইটারে ভিডিওটি শেয়ার করে লেখেন, ‘মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন স্ত্রীর সঙ্গে পবিত্র কোরআনের সুরা ওয়াকিআহ তেলাওয়াত করছেন।’

 

গত শনিবার (৩ অক্টোবর) মন্ত্রী পরিষদের করোনা বিষয় এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে ইসলাম ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জুলফিকার মাহমুদ আল বাকরি উপস্থিত ছিলেন। সোমবারই জুলফিকার মাহমুদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর আসে। বৈঠকে উপস্থিত সবার করোনা পরীক্ষা করা হয় এবং সবাইকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়।

সূত্র : আল জাজিরা

Categories
ইসলাম

সিরাজগঞ্জে বৌদ্ধ পরিবারের ৪ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

ছবি কালেকশন

সিরাজগেঞ্জের শাহজাদপুরে বৌদ্ধ পরিবারের ৪ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

 

 

গতকাল রাতে বৌদ্ধ পরিবারের ৪ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বলে জানা গেছে।

 

 

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ী দক্ষিণ পাড়ে এক বৌদ্ধ পরিবারের দুইজন নারী ও দুইজন পুরুষসহ মোট চারজন ইসলামধর্ম গ্রহণ করেছেন।

 

 

সম্প্রতি স্থানীয় মসজিদের এক ইমামসাহেব তাদের কালেমা পাঠ করান। এর আগে নোটারী পাবলিক মোকাম সিরাজগঞ্জের মাধ্যমে তারা হলফনামায় স্বাক্ষর করেন।

 

 

নেপালী বংশদ্ভূত এই বৌদ্ধ পরিবারের ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারীগণ হচ্ছেন, মোঃ নজরুল ইসলাম ( নন্দ বাহাদুর) মোছাঃ খাদিজা খাতুন ( সুমিতা রানী) মোছাঃ নুরজাহান ( পিংকি রাণী) আবুল কালাম আজাদ ( কালু বাহাদুর)।

 

 

এ ব্যাপারে নুরজাহান খাতুন সাংবাদিকদের জানান, ইসলাম শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম। এই ধর্মের মাধ্যমেই পরকালীন জীবনে মুক্তি সম্ভব। আমরা মুসলমানদের সাথে মিশে তাদের আচার ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে এ ধর্মের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়েছি।

 

 

খাদিজা খাতুন ( সুমিতা রাণী) জানান, আমাদের পূর্বপুরুষ নেপালে বাস করছেন। আমার স্বামীর বাড়ি নেপালের কাঠমুন্ডু। অনেকদিন ধরেই আমরা ইসলামের প্রতি আসক্ত। ফলে আলাপ আলোচনা করে স্বপরিবারে ইসলাম কবুল করে ভাল লাগছে
সূত্র সময়ের কন্ঠস্বর

Categories
ইসলাম

জুম’আর দিনের বিশেষ আমল!

আমলের দিক থেকে আল্লাহ তায়ালা যেসব দিনকে ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ করেছেন এর অন্যতম হলো জুমার দিন। এ দিনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনেক আহকাম ও ঐতিহাসিক নানা ঘটনা। 

রাসুল (সা.) বলেছেন, “নিঃসন্দেহে জুমার দিন সেরা দিন ও আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন। আল্লাহর কাছে তা ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়েও উত্তম।”-ইবনে মাজাহ।

অন্য হাদিসে আছে, ‘‘যেসব দিনে সূর্য উদিত হয়েছে এরমধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমার দিন।’’ জুমার দিনকে মুসলমানদের ঈদের দিন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

জুমার ফজিলত সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘‘এক জুমা থেকে অপর জুমা উভয়ের মাঝের (গোনাহের জন্য) কাফফারা হয়ে যায়, যদি কবিরা গোনাহের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়ে থাকে।”-মুসলিম

রাসুল (সা.) অন্য হাদিসে বলেন, “যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করে সকাল সকাল মসজিদে আসবে এবং ইমামের নিকটবর্তী হবে এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনবে ও চুপ থাকবে তার জুমার সালাতে আসার প্রত্যেক পদক্ষেপে এক বছরের নামাজ ও রোজা পালনের সওয়াব হবে।’’-তিরমিজি

চলুন জেনে নেওয়া যাক জুমার দিনের আরও কিছু আমল:

১: জুমার দিন গোসল করা। যাদের ওপর ফরজ তাদের জন্য এ দিনে গোসল করাকে রাসুল সা. ওয়াজিব বলেছেন।

২: জুমার নামাজের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা।

৩: মিস্ওয়াক করা।

৪: উত্তম পোশাক পরিধান করে সাধ্যমতো সাজসজ্জা করা।

৫: মুসল্লিদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা।

৬: মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনা এবং খুতবা চলাকালীন চুপ থাকা- এটা ওয়াজিব।

৭: আগে থেকেই মসজিদে যাওয়া।

৮: সম্ভব হলে পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া।

৯: জুমার দিন ও জুমার রাতে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা।

১০: নিজের সবকিছু চেয়ে এ দিন বেশি বেশি দোয়া করা।

১১: কেউ মসজিদে কথা বললে ‘চুপ করুন‘ এতোটুকুও না বলা।

১২: মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেঁয়াজ-রসুন না খাওয়া ও ধূমপান না করা।

১৩: খুতবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা। কোনো ব্যক্তি যদি জান্নাতে প্রবেশের উপযুক্ত হয়, কিন্তু ইচ্ছা করেই জুমার নামাজে ইমাম থেকে দূরে বসে, তবে সে দেরিতে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

১৪: এতোটুকু জোরে আওয়াজ করে কোনো কিছু না পড়া, যাতে অন্যের ইবাদত ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে।

Categories
ইসলাম

অবশেষে জামিন পেলেন আলাউদ্দিন জিহাদী

ছবি কালেকশন

অবশেষে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রে-ফতার মুফতি আলাউদ্দিন জিহাদী জামিনে মুক্ত হয়েছেন। রোববার নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আনিসুর রহমানের আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।

 

 

জামিনের সত্যতা নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওয়াজেদ আলী খোকন বলেন, চার্জশিট দাখিল হওয়া পর্যন্ত আলাউদ্দিন জিহাদীকে জামিন দেয়া হয়েছে।

 

 

তিনি বলেন, ‘গত রোববার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় মুফতি আলাউদ্দিন জিহাদীকে গ্রে-প্তার করে পুলিশ। পরদিন সোমবার তাঁকে একদিনের রিমান্ডে পাঠান নারায়ণগঞ্জ জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আফতাবুজ্জামান।

 

 

সেই রিমান্ডের আদেশের পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই জামিন নামঞ্জুরের আদেশের বি-রুদ্ধে তিনি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করলে আজ বিচারক জামিন দেন।

 

 

হেফাজতে ইসলামের প্রবীণতম নেতা শাহ আহমদ শফীর মৃ-ত্যুর পর তাকে নিয়ে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের উপদেষ্টা আলাউদ্দিন জিহাদীর ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি মন্তব্যের জেরে নারায়ণগঞ্জের এক আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়।

 

 

এ মামলায় ২০ সেপ্টেম্বর আলাউদ্দিন জিহাদীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। রিমান্ড শেষে নারায়ণগঞ্জের কারাগারে রয়েছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের এই নেতা
সূত্র সময়ের কন্ঠস্বর

Categories
ইসলাম

আহলে সুন্নত ও হেফাজতের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ, ১৪৪ ধারা জারি

ছবি কালেকশন

নারায়ণগঞ্জে শহরে হেফাজতে ইসলাম এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত একই সময় পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

 

 

রোববার সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ভবন থেকে চাষাঢ়া শহীদ মিনার এবং চাষাঢ়া শহীদ মিনার এলাকা থেকে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এবং তার আশপাশের এলাকা সব ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল, জমায়েত নিষিদ্ধ থাকবে বলে জেলা প্রসাশন জানিয়েছে।

 

 

ডিসি জসিম উদ্দিন রোববার বলেন, “বিশৃংখলা সৃষ্টি ও শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নের আশঙ্কায় ফৌজদারি কার্যবিধির প্রদত্ত ক্ষমতা বলে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।”

 

 

হেফাজতে ইসলামের আমির প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অভিযোগে গ্রে–ফতারকৃত আলাউদ্দিন জিহাদী ইস্যুতে পাল্টাপাল্টি গণজমায়েত ডাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই এ ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

 

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত নারায়ণগঞ্জ শহরের ২ নম্বর রেলগেট এলাকাতে সভার আয়োজন করে। এছাড়া আরেকটি পক্ষও সভার ডাক দেয়।

 

 

এ অবস্থায় পরিস্থিতি ঠিক রাখতে সিটি করপোরেশন ভবন থেকে চাষাঢ়া শহীদ মিনার, খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতাল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় এ ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। এখানে কোনো প্রকার জটলা, মিছিল মিটিং, সমাবেশ, যেকোনো ধরনের অস্ত্র বহন, সন্দেহজনক ঘোরাফেরা নি-ষিদ্ধ।

 

 

এছাড়া ২ নম্বর রেলগেট, শহীদ মিনার, গ্রিন্ডলেজ ব্যাংক মোড় এলাকাতে পৃথকভাবে তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা রয়েছে।

 

 

এর আগে গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওলামা পরিষদ ও হেফাজাত নেতাসহ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কোনো ধরনের জমায়েত ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করা যাবে না। সেই সঙ্গে উস্কানিও চলবে না।

 

 

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের কাছে খবর ছিল সকালে ডিআইটিতে ওলামা পরিষদ ও বিকেলে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের নেতাকর্মীরা পৃথকভাবে সমাবেশ, গণজমায়েত করবে।

 

 

বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা ছিল। উভয় পক্ষকে ডেকে এ ধরনের গণজমায়েত থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ এ নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে ডিজিটাল আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রে-ফতার করা হয়েছে মুফতি আলাউদ্দিন জেহাদীকে। তাকে গ্রে-ফতারের প্রতিবাদে বুধবার সংবাদ সম্মেলন ডেকে গণজমায়েতের ঘোষণা দিয়েছিল নারায়ণগঞ্জ জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত।

 

 

ওই গণজমায়েত প্রতিরোধের ঘোষণা দেয় হেফাজতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা।

 

 

হেফাজতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জের আমির ঘোষণা দিয়েছেন, যদি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত গণজমায়েত করে তবে তা রক্ত দিয়ে হলেও প্রতিহত করা হবে। দু’পক্ষ পাল্টাপাল্টি গণজমায়েতের ডাক দেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
সূত্র সময়ের কন্ঠস্বর

Categories
ইসলাম

ইসলামে মুসলিম নারীদের বিধর্মী পুরুষকে বিয়ে করার সুযোগ নেই!

মানব জাতির জন্য ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম। ইসলাম একমাত্র জীবনব্যবস্থা, যার বিশ্বসমাজ গড়ে তোলার মতো ঔদার্য ও সামর্থ্য আছে। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে একটা বৃহৎ সমাজ গঠনের সব উপাদান ইসলামের আছে। এই ধর্মে আহলে কিতাব, মুসলমান ও একই রাষ্ট্রে বসবাসকারী বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে আচার-ব্যবহার ও সামাজিকতায় কোনো বৈষম্য নেই।

 

মাংস ছাড়া অন্য খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে আহলে কিতাব (ইহুদি-খ্রিস্টান) ও অন্য কাফিরদের মধ্যে কোনো তারতম্য নেই। অর্থাৎ পরস্পরে একে অন্যের হালাল খাবার গ্রহণ করতে পারবে। মাংসের ক্ষেত্রেও আহলে কিতাব ও মুসলমানদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

 

কোনো হালাল প্রাণী আহলে কিতাবের কেউ আল্লাহর নামে জবাই করলে মুসলমানদের জন্য সেটা আহার করা বৈধ। এ ছাড়া ইসলাম তাদের সঙ্গে সামাজিক অংশীদারি, সৌজন্যবোধ ও মেলামেশার সুযোগ দিয়েছে। বৈধ যেকোনো বস্তু অমুসলিমদের সঙ্গে বেচাকেনা করা বৈধ। এমনকি আহলে কিতাবের নারীদের বিয়ে করা বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘মুমিন সতীসাধ্বী নারী ও আহলে কিতাবের সতীসাধ্বী নারী তোমাদের জন্য বৈধ করা হলো…।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৫)

 

তবে এটাও স্মরণ রাখতে হবে যে ইসলাম একটি পৃথক ধর্ম। তাই আত্মীয়তা, ঘনিষ্ঠতা ও সামাজিকতার ক্ষেত্রে ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মের মধ্যে কিছু পার্থক্য ধরে রাখা হয়েছে। যেমন—আহলে কিতাবের নারীদের বিয়ে করা মুসলমানদের জন্য বৈধ বটে; কিন্তু আহলে কিতাব কোনো পুরুষের সঙ্গে মুসলিম নারীদের বিয়ে বৈধ নয়।

 

আহলে কিতাব ছাড়া অন্য ধর্মের অনুসারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের বৈবাহিক সম্পর্ক বৈধ নয়। সুতরাং প্রচলিত হিন্দু, বৌদ্ধ, বাহায়ি, শিখ ও কনফুসীয় ধর্ম আসমানি ধর্ম হওয়ার বিষয়টি অকাট্যভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় এসব ধর্মের অনুসারীরা আহলে কিতাব হিসেবে গণ্য হবে না। তাই তাদের সঙ্গে মুসলিম নারী ও পুরুষের কোনো ধরনের বিয়ে বৈধ নয়।

 

এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘ঈমান না আনা পর্যন্ত তোমরা মুশরিক (বহু স্রষ্টায় বিশ্বাসী) নারীকে বিয়ে কোরো না, যদিও মুশরিক নারী তোমাদের মুগ্ধ করে…। ঈমান না আনা পর্যন্ত তোমরা মুশরিক পুরুষের সঙ্গে (তোমাদের নারীদের) বিয়ে দিয়ো না, যদিও মুশরিক পুরুষ তোমাদের মুগ্ধ করে…।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২২১)অন্য আয়াতে এসেছে, ‘তোমরা কাফির নারীদের সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রেখো না…।’ (সুরা : মুমতাহিনা, আয়াত : ১০)

 

এদিকে মুসলিম নারীদের জন্য অন্য ধর্মাবলম্বী পুরুষকে স্বামী হিসেবে গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। এ প্রসঙ্গে এক আয়াতে এসেছে, ‘হে মুমিনরা! যখন তোমাদের কাছে মুমিন নারীরা হিজরত করে আসে, তখন তোমরা তাদের পরীক্ষা করে নাও, তাদের ঈমান সম্পর্কে আল্লাহই ভালো জানেন। অতঃপর যদি তাদের মুমিন বলে জানতে পারো, তাহলে তাদের কাফিরদের কাছে ফিরিয়ে দিয়ো না। মুমিন নারীরা কাফিরদের জন্য হালাল নয়। আর কাফিররাও তাদের জন্য হালাল নয়…।’ (সুরা : মুমতাহিনা, আয়াত : ১০)

 

ইমাম বুখারি (রহ.)-এর শিক্ষক ইমাম আবদুর রাজ্জাক (রহ.) তাঁর গ্রন্থে লিখেছেন, ‘আবু জুবায়ের (রা.) বলেন, আমি জাবের (রা.)-কে বলতে শুনেছি, আহলে কিতাবের নারীরা আমাদের (মুসলমানদের) জন্য হালাল। কিন্তু আমাদের নারীরা তাদের জন্য হারাম।’ (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক : ৬/৪৩)

এ বিষয়ে খলিফা ওমর (রা.)-এর কর্মপন্থা কী ছিল—সে সম্পর্কে জায়েদ বিন ওয়াহাব (রা.) বলেন, ‘ওমর (রা.) এই মর্মে পত্র পাঠিয়েছেন যে মুসলিম পুরুষ খ্রিস্টান নারীকে বিবাহ করতে পারবে। কিন্তু কোনো খ্রিস্টান পুরুষ কোনো মুসলিম নারীকে বিবাহ করতে পারবে না।’ (কানযুলউম্মাল : ১৬/৫৪৮)

Categories
আন্তর্জাতিক ইসলাম

বিশ্বের প্রথম হিজাবী পাইলট পাকিস্তানের ক্যাপ্টেন শাহনাজ লাগহারি

বিশ্বের প্রথম হিজাবি পাইলট পাকিস্তানের ক্যাপ্টেন শাহনাজ লাগহারি। গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুযায়ী বিশ্বের প্রথম হিজাবি পাইলট তিনি।

 

তিনি একাই একটি উড়োজাহাজ সম্পূর্ণ চালানোর সক্ষমতা রাখেন। তিনি দেখাতে চেয়েছেন যদি তুমি আসলেই উদ্যমী হও, তাহলে ধর্মীয় পোশাক কখন তোমাকে কোন বাঁধা দেবে না।

 

তিনি তার সব কাজ এ রকম পূর্ণাঙ্গ বোরকা পরেই সম্পাদন করেন। তিনি লাহরে একটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশ গ্রহনও করেছেন।

একাধারে তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকার কর্মী। এ ছাড়া তিনি বিনামূল্যে স্কুল খোলার মাধ্যমে দারিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ব্যাবস্থাও করেছেন।