Categories
জাতীয়

লালমনিরহাটে পুড়িয়ে ফেলা সেই ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় এক ব্যক্তিকে পি’টি’য়ে হ-ত্যার পর লা’শ আগু’নে পো’ড়ানোর অ’ভিযো’গ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের আগে বুড়িমা’রী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ঘটে এ ঘটনা।

 

যে ব্যক্তিকে পি”টিয়ে হ-ত্যার পর পো’ড়ানো হয়েছে তার নাম আবু ইউনুস মো. সহিদুন্নবী জুয়েল। বাড়ি রংপুর শহরের শালবান এলাকায়। তিনি রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সাবেক লাইব্রেরিয়ান ছিলেন। তার বাবার নাম আবদুল ওয়াজেদ মিয়া।

 

মান’সিক ভারসা’ম্যহী’নতার কারণে তার চাক’রি চলে যায় বলে বলে জানিয়েছেন তার এলাকাবাসী, বন্ধু ও সহকর্মীরা। পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহন্ত ও বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য হাফিজুল ইসলাম এসব ত’থ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

ইউপি সদস্য হাফিজুল ইসলাম মোবাইলে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, আসরের নামাজ শেষে বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দুইজন ব্য’ক্তি আসেন। মসজিদের খাদেম জুবেদ আলীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের একজন মসজিদে প্রবেশ করে কোরআন-হাদিসের বই রাখার তাকে অ-‘স্ত্র আছে বলে ত’ল্লা’শি শুরু করেন।

 

একপর্যায়ে মসজিদের সামনে থাকা ৫-৬ জন মুস’ল্লি মসজিদের প্রবেশ করে ওই ব্যক্তিকে এবং বারান্দায় থাকা অ’পর ব্য’ক্তিকে মা”’রধ’র করেন। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে বু’ড়িমা’রী ইউনিয়ন পরিষদের একটি ক’ক্ষের ভেতরে ঢুকে তা’লা লাগিয়ে র’ক্ষার চেষ্টা করি। তবে মুহূর্তে শত শত লোকজন জ’ড়ো হতে থাকে।

 

আমি ও স্থানীয় রফিকুল ইসলাম প্রধান নামে এক ব্যক্তি পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহ’ন্ত, ইউএনও কামরুন নাহার, উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বাবুল ও বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম নেওয়াজ নিশাতকে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলি।

 

এরই মধ্যে উ’ত্তে’জিত জ’নতা কারো কথা না শুনে পরিষদের দরজা-জানালা ভে’ঙে এক ব্যক্তিকে বাইরে বের করে পি”টিয়ে হ-ত্যা করে। পরে লা’’শ নিয়ে লালমনিরহাট-বুড়িমারী জাতীয় মহাসড়কের বুড়িমারী প্রথম বাঁ’শকল এলাকায় কাঠখড়ি ও পে’ট্রোল দিয়ে আ’’গুন ধ’রিয়ে পু’ড়ি’য়ে দেয়।

 

সেখানে ৫-৬ হাজার উ”ত্তে’জিত মানুষ ছিল, কারো কোনো নিয়’ন্ত্রণ ছিল না বলে জানান ইউপি সদস্য। বর্তমানে ঘটনাস্থলে লালমনিরহাটের ডিসি আবু জাফর ও এসপি আবিদা সুলতান অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *