Categories
জাতীয়

লাইভে এসে মহানবী (সা:) কে নিয়ে কটুক্তি করার প্রতিবাদে যা বললেন মিরাজ

ফ্রান্স প্রেসিডেন্টের বিশ্বনবী হযরত মুহাম্ম’দ (সা.)কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনীর প্রতিবাদে ফুঁসছে গোটা মু’সলিম বিশ্বে। সকল মু’সলমানরা নিজ নিজ জায়গা থেকে বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। বাংলাদেশেও কদিন থেকে এর প্রতিবাদ জানাচ্ছেন মু’সলমানরা। এবার এমন ঘটনার প্রতিবাদ জানালেন জাতীয় দলের তারকা অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে এসব কথা বলেন এ তরুণ অলরাউন্ডার। মহানবী (সা.)কে নিয়ে করা কটূক্তি শুনে তার হৃদয় ভেঙে কা’ন্না এসেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে সে জন্য মু’সলমানরা যেন অন্য ধ’র্মের কাউকে নিয়ে কটূক্তি কিংবা গালিগালাজ না করে, সেই আহ্বানও জানিয়েছেন মিরাজ।

 

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নবী হ’জরত মুহাম্ম’দ (সা.), যিনি পৃথিবীবাসীর জন্য রহমতস্বরূপ এসেছিলেন, তাকে নিয়ে বেশ কটূক্তি করা হচ্ছে। তাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করা হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে এটা শোনার পর আমা’র খুবই খা’রাপ লেগেছে। আমা’র হৃদয় কেঁদে উঠেছে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আম’রা সবাই জানি, আমাদের প্রিয় নবী করিম (সা.) পৃথিবীতে এসেছেন রহমতস্বরূপ। আল্লাহ তায়ালা তাকে পাঠিয়েছেন পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য, আমাদেরকে নাজাতের পথ দেখানোর জন্য।

 

আমাদেরকে ভালো পথ দেখানোর জন্য তিনি এসেছেন। আমি বলব না যে, তিনি শুধু মু’সলমানদের জন্য এসেছেন। তিনি পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষের জন্য আলোর বার্তা নিয়ে এসেছেন। তাকে নিয়ে যখন বাজে মন্তব্য করা হয়, কটূক্তি করা হয়, তখন প্রত্যেকটা মু’সলমানের খা’রাপ লাগে। প্রত্যেকটা মু’সলমানের হৃদয়কে আ’ঘাত করে।’

 

মিরাজ বলেন, ‘প্রতিটা মু’সলমানের দায়িত্ব যারা এমন কটূক্তি করে তাদেরকে নিয়েও যেন এ রকম কটূক্তি না করে। মহানবী (সা.) এবং কুরআন আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছে, অন্য ধ’র্মকে কখনো গালি না দেয়ার জন্য। আম’রা যারা মু’সলমানরা আছি, তারা কখনো অন্য ধ’র্মকে কটূক্তি করা কিংবা গালি দিতে পারি না। কিন্তু যখন দেখি আমাদের প্রিয় নবী হ’জরত মুহাম্ম’দ (সা.)কে নিয়ে বাজে কথা বলে তখন আমাদের খুব খা’রাপ লাগে।

 

এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমি আমা’র লাইফে অনেক বই পড়েছি। কিন্তু যখন মহানবী (সা.)-এর জীবনী পড়েছি তখন আমি দেখেছি, কী’ সুন্দর করে তিনি তার জীবন সাজিয়েছেন। পৃথিবীতে আর কারও জীবনী এত সুন্দর না। এত ভালো লেগেছে। আমা’র মনে হয় না, তার জীবনীর মতো শ্রেষ্ঠ জীবনী আর কারও হতে পারে।’

 

মিরাজ বলেন, ‘ধ’র্মকে নিয়ে যেন বাড়াবাড়ি না করা হয়। এটা আমাদের খুব খা’রাপ লাগে। প্রতিটা মানুষই মা’রা যাবে। ম’রার পর কী’ হবে, আল্লাহই ভালো জানেন। আম’রা যেহেতু আল্লাহকে বিশ্বা’স করি, আমাদের উচিত অন্য কোনও ধ’র্মকে হেয় না করা। কোনও মানুষকে ছোট না করা। আম’রা জানি যে, একটা সুরাও নাজিল হয়েছে সূরা কাফিরুন নামে। যেখানে বলা হয়েছে, তোমাদের ধ’র্ম তোমাদের জন্য, আমাদের ধ’র্ম আমাদের জন্য। তো সবাই সেটি মেনে চলার চেষ্টা করবেন। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *