Categories
জাতীয়

হাজী সেলিমের বাসায় ৬ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানে যা মিললো

ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের একটি বাড়িতে অ’ভি’যান চালাচ্ছে র‌্যাব। র‌্যাবের ৬ ঘণ্টার রু’দ্ধশ্বা’স অভি’যানে অ’বৈধভাবে মজুত ম’দ, অ’স্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ ওয়াকিটকি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস উ’দ্ধার করা হয়েছে।

 

সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার সোয়ারিঘাটের দেবদাস লেনে ওই বাড়িটি ঘেরাও করে অভি’যান শুরু করে র‌্যাব। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম অভিযানের নেতৃত্বে দিচ্ছেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভি’যান চলছিল।

 

র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, সাদা রঙের নয়তলা এ ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় থাকেন ইরফান সেলিম। সেখানে একটি বিদেশি পি’স্ত’ল, গু’লি, একটি এ’য়া’রগান, ৩৭টি ওয়া’কিটকি, একটি হা’তক’ড়া, বিদেশি ম’দ ও বি’য়ারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া গেছে।

 

তিনি বলেন, আ’গ্নেয়া’স্ত্রের কোনো বৈ’ধ কাগজ এখনো দেখাতে পারেননি। আর ওয়াকিটকিগুলোও অ’বৈধ, কালো র’ঙের এসব ওয়াকিটকি শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করতে পারেন। অ’ভি’যান শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।

 

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, সোয়ারি ঘাট এলাকায় এমপি হাজী সেলিমের একটি বাড়ি আছে, সেটা ঘেরাও করে র‌্যাব সদস্যরা অ’ভিযা’ন চালাচ্ছে। র‌্যাব সদস্যরা হাজী সেলিমের ছেলে এরফানসহ তিনজনকে গ্রে’ফতার করেছে।

 

এর আগে, রোববার রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে তার ছেলে ইরফান ও তার কতিপয় সঙ্গী নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মা’রধ’র করেন। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে ঘটনাটি ঘটে। রাতেই এ বিষয়ে জিডি এবং সোমবার ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বি’রু’দ্ধে মাম’লা করা হয়।

 

মা’মলার এজাহার অনুযায়ী নৌকর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. ওয়াসিফ আহমেদ খান রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে কলাবাগানের দিকে যাচ্ছিলেন। ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে স্টিকার লাগানো কালো রঙের ল্যান্ড রোভার গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৭৩৬) পেছন থেকে তার মোটরসাইকেলে ধা’ক্কা দেয়।

 

এরপর ওই কর্মকর্তা সড়কের পাশে মোটরসাইকেল থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। কিন্তু গাড়ি থেকে আসা’মিরা বের হয়ে তাকে অপদ’স্থ ও কি’ল ঘু’ষি মে’রে র’ক্তাক্ত করেন। পরে তার স্ত্রীকে অ’কথ্য ভাষায় গা’লিগা’লাজ করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হলে তারা নিজেদের গাড়ি ফে’লে পা’লিয়ে যান। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই গাড়ি ও নৌ বাহিনীর কর্মকর্তার মোটরসাইকেল দুটোই ধানম’ণ্ডি থানায় নিয়ে যায়।

 

ঘটনার পর অফিসারের স্ত্রী, স্থানীয় জনতা ও পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডি থানার ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় অফিসারকে উ’দ্ধার করে আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালে নিয়ে যান চিকিৎসার জন্যে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *