Categories
জাতীয়

বাংলাদেশের ভ্যাকসিন তালিকাভুক্ত করল ডব্লিউএইচও

বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের করোনা ভ্যাকসিন ব্যানকোভিড’কে তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।শনিবার (১৭ অক্টোবর) সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বিস্তারিত আসছে…

 

আরও পড়ুন>>> মশা মারতে চতুর্থ প্রজন্মের ‘মসকিটন’ আনল ডিএনসিসি

মশা নিয়ন্ত্রণে চতুর্থ প্রজন্মের কীটনাশক ব্যবহার শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। যুক্তরাজ্য থেকে আমদানি করা মসকিটন নামে এই ট্যাবলেট জলাশয়ে তিনমাস কার্যকর থাকবে বলে দাবি ডিএনসিসি’র। পানিতে লার্ভা নিধনে কাজ করবে এই ওষুধ। তবে তা অন্য জলজ প্রাণির ক্ষতির কারণ হবে না। ব্যাপক পরিসরে প্রয়োগের আগে একটি পাইলট প্রকল্প পরিচালনার পরামর্শ কীটতত্ত্ববিদদের।

 

‘মসকিটন’কে বলা হয় চতুর্থ প্রজন্মের কীটনাশক এটি। যেসব জলাশয়ে মশার প্রজননক্ষেত্র সেখানে একটি মসকিটন ট্যাবলেট ফেলে দিলে তা লার্ভা অকার্যক করতে নব্বই দিন পর্যন্ত কাজ করবে।প্রতি দশ লিটার পানিতে একটি ওষুধ। আবার বড় জলাশয়ে লাঠির মাথায় বেঁধে প্রতি দশ ফুট অন্তর ডুবিয়ে রাখতে হবে।

 

কীটতত্ত্ববিদ আরিফুর রহমান বলেন, এই ওষুধের ক্ষেত্রে কোনো অজুহাতের জায়গা নেই।উত্তর সিটি করপোরেশন বলছে, এই কীটনাশক কেবল লার্ভার উপরের আবরণ ‘সিটিন’ ভেঙে দেবে। তবে অন্য জলজ প্রাণির ক্ষেত্রে ক্ষতিকর নয়।ডিএনসিসি উপপ্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লে. কর্নেল মোস্তফা সারোয়ার বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আমরা এটা ট্রায়াল করেছি। পানিতে যে লার্ভা থাকে সেটার ওপরে কার্যকর হয়।

 

কীটতত্ত্ববিদদরা বলছেন, মশা নিয়ন্ত্রণে চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের এমন ওষুধ এখন সময়ের দাবি। তবে, সরাসরি ব্যবহারের স্বল্পপরিসরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের প্রয়োজন ছিল বলে মত তাদের।কীটত্ত্ববিদ তৌহিদ উদ্দিন বলেন, এত টাকার জিনিস এনেই যদি আমরা কাজ করে উপকার নাই পাই তাহলে তো ক্ষতি। ডিএনসিসি বলছে, মসকিটন ব্যবহৃত এলাকায় লার্ভিসাইড দেয়ার দরকার হবে না। তাই সাশ্রয় হবে অর্থ আর সময়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *