Categories
জাতীয়

ওসি প্রদীপের কাছ থেকে ছাড় পাইনি অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীও

‘প্রদীপ’ আলো দিলেও নিচে থাকে অন্ধকার। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশও ঠিক তেমন। যার অ’ত্যাচা’রে অতিষ্ঠ ছিল এলাকাবাসী। প্রদীপের বি’রু’দ্ধে কথা বললেই ফাঁ’সানো হতো মা’দক কিংবা বিভিন্ন মা’মলায়। আবার কাউকে ক্র’সফা’য়ারের ভ’য় দেখিয়ে আদায় করতেন মোটা অংকের টাকা।

 

প্রদীপ কুমার দাশের এসব অ’ত্যাচা’র থেকে রেহাই পায়নি অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীও। বাবার ওপর নি’র্যাত’নের প্র’তিবা’দ করেছিল মেয়েটি। তাই কিশোরীকে থা’নায় তুলে নিয়ে করা হয় যৌ’ন হয়’রা’নি। এখানেই ক্ষা’ন্ত হননি ওসি প্রদীপ। তার দেয়া মা’মলায় এক বছর ধরে কা’রাব’ন্দি বাবা-মেয়ে। নি’র্যাত’নের শি’কার কিশোরী অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী হলেও পুলিশের কাগজপত্রে দেখানো হয় ১৯ বছর।

 

জানা গেছে, বাবার ওপর নি’র্যা’তন করে পুলিশ। আর সেই নি’র্যাত’নের প্রতি’বাদ করে মেয়ে। এতে ক্ষি’প্ত হয়ে তাকে থানায় তুলে নিয়ে নি’র্যা’তন করা হয়। পরে মেয়েকে ছাড়াতে পাঁচ লাখ আর বাবার জন্য ৪০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। ১৫ লাখ টাকা দেয়ার পর কিশোরীর মাকেও গ্রে’ফতার করা হয়। এছাড়া পুরো পরিবারের নামে ১০টি মা’মলা দেয়া হয়। বাবাকে গ্রে’ফতারের পর থেকে আ’দালতে পা’ঠানোর মাঝখানের ১৮ দিনের কোনো রেকর্ড নেই।

 

এতদিনেও পুলিশের চার্জশিট না দেয়া আর কিশোরীর বয়স অনুযায়ীই জা’মিন পাওয়া উচিত বলে মনে করছেন মানবাধিকার কর্মীরা।মানবাধিকার কর্মী সালমা আলী বলেন, ১২০ দিনের ভেতরে যখন চার্জশিট হচ্ছে না, তখন আ’দালত চাইলে জা’মিন দিতে পারেন।

 

কক্সবাজার আদালতের পিপি ফরিদুর আলম বলেন, এসব মা’মলাগুলো নজরে আনা হবে। যেভাবে ন্যায়বি’চার দেয়া যায় তা দেখছি আমরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *