Categories
জাতীয়

একসঙ্গে এত মৃত্যু মানতে পারছেন না তল্লাবাসী

নারায়ণগঞ্জের তল্লা বায়তুল সালাহ জামে মসজিদের এসি বি’স্ফো’রণে হ’তাহ’তরা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা। পুরো এলাকা জুড়ে এখন শো’কের মা’তম বইছে।

 

ঘরে ঘরে কা’ন্নার রোল। কারও বাড়ি থেকে কারও বাড়ির দূরত্ব মাত্র ১০-১৫ গজ দূরে। আবার কারও বাড়ি ১০০-২০০ গজ দূরে। আবার অনেকে একে অপরের আত্মীয়। উপার্জনক্ষ’ম ব্যক্তিকে হারিয়ে শো’কে স্ত’ব্ধ পরিবারগুলো। অনেকে চিন্তিত কীভাবে চলবে সংসার, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ।

 

একই এলাকায় একসঙ্গে এত মানুষের মৃ’ত্যু কোনও অবস্থাতেই মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা। তাদের অভি’যোগ, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের অবহেলা কারণেই ঘটেছে বড় দুর্ঘটনা। তদন্ত কমিটির নামে কালক্ষে’পণ না করে দ্রুত প্রকৃত রহস্য উদঘা’টন করে যাদের গা’ফিলতি ও কর্তব্য অব’হেলার কারণে এ দু’র্ঘট’না ঘটেছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আ’ওতায় আনা।

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহায়ক শামীম হাসানের পরিবারের চলছে কান্নার রোল। দুই মেয়ে এক ছেলের বাবা শামীম হাসানের ওপরে নি’র্ভর ছিল পুরো পরিবার। বাবাকে হারিয়ে দুই মেয়ে বিলাপ করে কাঁ’দছেন। আর বলছেন, ‘কীভাবে চলবে সংসার ও পড়াশোনার খরচ।’ রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় আল্লাহ বড় মসজিদে জানাজা শেষে শামীমের লা’শ কব’রস্থা’নে দা’ফন করা হয়েছে।

 

বেলা পৌনে ১২টার দিকে চিকিঃ’সাধীন অবস্থায় মা’রা গেছেন বি’স্ফোর’ণে দ’গ্ধ ইতি স্টোরের মালিক মোহাম্মদ আলী। তিন ছেলে এক মেয়ের জনক মোহাম্মদ আলীর ওপরে নির্ভর ছিল পুরো পরিবার। উপার্জন’ক্ষম বাবাকে হা’রিয়ে ভে’ঙে পড়েছেন পুরো পরিবার।

 

শামীম হাসানের বাড়ি থেকে মাত্র ৩০ গজ দূরে বাড়ি মোহাম্মদ আলীর। সরোজমিনে তার বাড়িতে দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভে’ঙে পড়েছেন। ছোট ছেলে তাজুল ইসলাম কাঁ’দছেন আর বলছেন, ‘দ’গ্ধ হওয়ার পর বাবা শুধু একটি কথাই বলছিল আমার হাত বু’ক বুকের ভেতরটা জ্ব’লে যাচ্ছে। আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাও।

 

আমাকে হাসপাতালে রেখে একা চলে যেও না। কিন্তু আজ বাবা আমাদের রেখে ঠিকই একা চলে গেছেন পরপারে। আপনার আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমাদের বাবাকে বেহে’শতে নসিব করেন।’নারায়ণগঞ্জ তল্লা বায়তুল সালাহ জামে মসজিদের ভ’য়াব’হ বি’স্ফোর’ণে এখন পর্যন্ত ২৪ জন নি’হত হয়েছেন। এদের মধ্যে ২০ জনের দা’ফন হয়েছে। এরমধ্যে নারায়ণগঞ্জের ১৩ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *