Categories
জাতীয়

৫ ভারতীয় যুবককে ধরে নিয়ে গেছে চীনা সেনাবাহিনী

৫ ভারতীয় যুবককে ধরে নিয়ে গেছে চীনা সেনাবাহিনী

ছবি সংগৃহীত
ভারতের অরুণাচল প্রদেশ থেকে পাঁচ যুবককে চীনা সেনাবাহিনী পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) জওয়ানরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অরুণাচল প্রদেশের কংগ্রেস বিধায়ক নিনং এরিং এসংক্রান্ত অভিযোগ করেছেন। তিনি বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে টুইট করে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দফতরকেও জানিয়েছেন।

অরুণাচল প্রদেশ রাজ্যের আপার সুবর্ণসিরি জেলার নাচো সার্কল এলাকা থেকে পাঁচ যুবককে আজ শনিবার ভোরে অপহরণ করা হয় বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অপহৃতদের এক জনের ভাইর প্রকাশ রিংলিং কেন্দ্রীয় সরকার ও সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্যে টুইট করে অপহরণের বিষয়টি জানান।

কংগ্রেস বিধায়ক নিনং এরিং জানান, পাঁচ যুবককে পিপলস লিবারেশন আর্মির সেনারা অপহরণ করেছেন বলে তিনি অভিযোগ পেয়েছেন।

গত মার্চে আরো এক যুবককে অপহরণ করা হয়েছিল। যদিও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ২১ বছরের ওই যুবক পরে ফিরে আসতে পেরেছিলেন।

অরুণাচল পুলিশের ডিজি আর আর উপাধ্যায় বলেন, আজ ভোরে নাচো সার্কলের সেরা-৭ এলাকার একটি জঙ্গল থেকে পাঁচ যুবককে অপহরণ করা হয়েছে। তবে অপহৃতদের পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে কোনও অভিযোগ পুলিশ পায়নি। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহায্য চাওয়া হয়েছে।

অরুণাচল প্রদেশের পুলিশ সূত্রে খবর, যেখান থেকে পাঁচ যুবককে অপহরণ করা হয়েছে সেই সেরা-৭ এলাকা থেকে ভারত-চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা ১০০ কিলোমিটার দূরে। ওই যুবকরা খুব ভোরে সেরা-৭ এলাকার জঙ্গলে গিয়েছিলেন গাছের গুল্ম সংগ্রহ করতে। তাদের ভোর পাঁচটা নাগাদ অপহরণ করা হয় বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

এদিকে, ‘আজতক’ হিন্দি টিভি চ্যানেলের ওয়েবসাইটে প্রকাশ, কংগ্রেস বিধায়ক নিনং এরিং গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেছেন, চীনারা আবার উপদ্রব শুরু করেছে। লাদাখ ও ডোকলামের মতো তারা অরুণাচলে অনুপ্রবেশ শুরু করেছে।

প্রমাণিত হয়েছে যে তারা আমাদের ‘এলএসি’তে প্রবেশ করেছে। এবার আমাদের লোকেরা মাছ ধরতে গেল এবং চীনা সেনারা তাদের ধরে ফেলল। এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে দ্বিতীয়বার এটি ঘটেছে। অরুণাচলের বিজেপি সাংসদ কিরেন রিজিজুও এ জাতীয় ঘটনা সম্পর্কে অবগত আছেন। এই বিষয়টি সর্বোচ্চ স্তরে যাওয়া উচিত।’

কংগ্রেস বিধায়ক নিনং এরিং অপহরণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দফতরকেও টুইট করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
পার্সটুডে
সূত্র নয়া দিগন্ত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *