Categories
আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিনের পক্ষে ‘শান্তিচুক্তি প্রতিরোধ সংগঠন’ প্রতিষ্ঠা করেছে আমিরাতের জনগণ

ফিলিস্তিনের পক্ষে ‘শান্তিচুক্তি প্রতিরোধ সংগঠন’ প্রতিষ্ঠা করেছে আমিরাতের জনগণ

ছবি কালেকশন
ইহুদীবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলকে শান্তিচুক্তির নামে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বীকৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে জনসাধারণকে
সোচ্চার ও সচেতন করার জন্য ‘শান্তি চুক্তি প্রতিরোধ সংগঠন’ প্রতিষ্ঠা করেছে আমিরাতের ফিলিস্তিন সমর্থকরা।

ইহুদীবাদী ইসরাইলের সাথে আমিরাতের অর্থনৈতিক, ক্রীড়া, সুরক্ষা এবং রাজনৈতিকসহ যে কোন চুক্তির বিরোধিতা ও চুক্তি বাতিল করা এই সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য।

আমিরাতের সরকারের সাথে ভিন্নমত পোষণকারী এবং ফিলিস্তিন তথা মুসলিম বিশ্বের হিতাকাঙ্ক্ষী সাঈদ নাসের আল তানিজী, সাঈদ খাদিম বিন তৌক আল-মারি, আহমদ আল-শায়বা, হামিদ আবদুল্লাহ আল-নুয়ামী, হামেদ মুহাম্মাদ আল-শামেসি এবং ইব্রাহিম মাহমুদ আল ইহরাম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আল-রাবেতা আল-ইমারাতিয়া লি মোক্বাউয়িমাত আল-তাতবি’ই’ অর্থাৎ ইসরাইলের সাথে আমিরাতের সাধারণীকরন চুক্তি প্রতিরোধ সংগঠন।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠা সদস্যরা এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রয়াসকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে বর্ণনা করি। সাথে সাথে এই পদক্ষেপ ইহুদীবাদী ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনি ভূমি দখলকে বৈধতা দিয়েছে বলে মনে করি।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরাইলের মধ্যে একটি বিতর্কিত চুক্তি ঘোষণা করা হয়। যে চুক্তির মাধ্যমে মূলত ইহুদীবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয় আরব আমিরাত। কিছু আরব দেশ ছাড়া বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশ এ চুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদিকে, এই চুক্তির পরপরই ইহুদীবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি সাধারণীকরণ চুক্তির অংশ হিসাবে দখলকৃত পশ্চিম তীরে অধিগ্রহণ বিলম্ব করতে রাজি হয়েছেন মাত্র। ‘অধিগ্রহণ’ এর পরিকল্পনাগুলি তার টেবিলে ঠিকই রয়ে গেছে। এবং তার ভাষায় সুযোগ বুঝে তিনি তা ‘অধিগ্রহন’ করবেন।

সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর+ইনসাফ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *