Categories
জাতীয়

খাটের নিচে ভাই-বোনের গলাকাটা লাশ, আপন মামাকে খুঁজছে পুলিশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাটের নিচ থেকে শিপা আক্তার (১৪) ও কামরুল হাসান (১০) নামে ভাই-বোনের গ’লা কা’টা লা’শ উ’দ্ধা’র করেছে পুলিশ।

 

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকালে তিতাস নদীর পূর্ব পার্শ্বে ছলিমাবাদ গ্রামের প্রবাসী মোস্তফা মিয়ার বাসা থেকে ভাই বোনের লা’শ উ’দ্ধা’র করা হয়। নি’হ’ত শিপা আক্তার বাঞ্ছারামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী এবং কামরুল হাসান সলিমাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।

 

এদিকে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ আ’টক হয়নি। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবা-মাকে হেফাজতে রেখেছে পুলিশ। হ’ত্যাকা’ণ্ডের র’হ’স্য উ’দঘা’টনে ত’দ’ন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। তবে দুই ভাইবোনকে হ’ত্যা ঘটনায় পুলিশের স’ন্দে’হ স্বজনদেরকে।

 

তাই তাদের আপন মামাকে খুঁজছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই পলা’তক তাদের মামা বাদল মিয়া (৩৫)। তবে কি কারণে ভাইবোন নৃ’শং’স হ’ত্যাকা’ণ্ডের শি’কার তা এখনো রহ’স্যাবৃত। এ ঘটনায় এখনো কোন মা’মলা হয়নি। গতকাল দুপুরে জেলা সদর হাসপাতালে ম’রদেহ ময়’না তদ’ন্ত সম্পন্ন হয় দু-সহোদর ভাইবোনের।

পুলিশ বলছে, বাদলকে আ’টক করা গেলে হ’ত্যার প্রকৃত রহ’স্য বের হয়ে আসবে। বাদল বাঞ্ছারামপুর গ্রামে তার বোনের বাড়িতেই ছিলো গত দু-আড়াই মাস ধরে। ঘটনার সময় সে, তার বোন ও বোন জামাই ছাড়া ওই বাড়িতে কেউ ছিলো না ওই বাড়িতে। বাদলের বাড়ি হোমনার খোদে দাউদপুর গ্রামে। সে সৌদিতে থাকতো। ঘটনার পর থেকে সে পলা’তক।

 

হ’ত্যার আগে স্কুলছাত্রীকে শারী’রিক নি’র্যা’তন করা হয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। নি’হতদের শরীরে বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য আ’ঘা’তের চিহ্ন রয়েছে। পুরো ঘটনাটি পরিক’ল্পিত বলে ধারণা করছে পুলিশ। পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, এটি পরিক’ল্পিত হ’ত্যাকা’ণ্ড। এর সাথে নারী ঘ’টিত বা সম্পত্তির কোন বিষয় রয়েছে কিনা তা তদ’ন্তে বেরিয়ে আসবে।

 

সলিমাবাদ ইউনিয়নের সাহেবাবাদ গ্রামে নিজ ঘরের খাটের নিচ থেকে শিফা আক্তার (১৪) ও কামরুল হাসান (১০) নামে আপন দুই ভাই বোনের ম’রদেহ সোমবার রাতে পুলিশ উ’দ্ধা’র করে। শিফা বাঞ্ছারামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ও কামরুল সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র।

 

ওইদিন বিকেলে কামরুল নি’খোঁজ হয় প্রথমে। তাকে খুঁ’জতে বেড়িয়ে যাওয়ার সময় শিফাকে ঘরে রেখে যান তার মা হাসিনা আক্তার। পরে ঘরে এসে দেখেন শিফাও নেই। নি’খোঁজ দু’জনের খোঁজ পেতে এলাকায় মাইকিং করা হয় এবং রাত সাড়ে ৮টায় থানায় গিয়ে পুলিশের স’হায়তা চান তাদের বাবা-মাসহ স্বজনরা। শিফা ও কামরুলের পিতা কামাল উদ্দিন ৫ মাস আগে সৌদি থেকে দেশে আসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *