Categories
জাতীয়

ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রীকে নিয়ে পাওয়া গেল আরও এক অভিযোগ

কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও তাঁর স্ত্রী চুমকীর বি’রু’দ্ধে অ’বৈধ সম্পদ অর্জ’নের মা’মলা করেছে দুর্নী’তি দ’মন কমি’শন (দুদক)। আজ রোববার দুদকের চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মাম’লাটি দা’য়ের করা হয়।

 

এ বিষয়ে দুদকের জনসংযোগ (পরিচালক) কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এনটিভি অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘দুদকের সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দীন বাদী হয়ে মাম’লাটি দা’য়ের করেন। মাম’লার এজাহারে ঘু’ষ ও দু’র্নী’তির মাধ্যমে অর্জিত তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার অ’বৈধ সম্পদের অ’ভি’যোগ আনা হয়েছে।’

 

প্রণব বলেন, ‘ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘু’ষ ও দু’র্নী’তির মাধ্যমে অ’র্জিত অর্থ দিয়ে স’ম্পদ ক্র’য় করে স্ত্রীর নামে রেখেছেন বলে অ’নুস’ন্ধানে তথ্য পেয়েছে দুদক।’ এদিকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন হ’ত্যা মামলার ২ নম্বর আসা’মি ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, ১ নম্বর আসা’মি কক্সবাজারের টেকনাফের বাহা’ড়ছড়া পুলিশ তদ’ন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বরত পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল র’ক্ষিত বর্তমানে র‍্যা’বের রিমা’ন্ডে রয়েছেন।

 

গত ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গু’লিতে নি’হত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনার পর পুলিশ বা’দী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি ও রামু থানায় একটি মাম’লা করে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত সাত পুলিশ সদস্য, আ’র্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্য ও টেকনাফ থানা পুলিশের করা মাম’লার তিন সাক্ষীসহ ১৩ জনকে গ্রে’প্তার করেছে র‍্যাব। বিভিন্ন সময় প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমা’ন্ড মঞ্জুর করেন কক্সবাজারের আদালত।

 

গতকাল সাত আসা’মির রিমা’ন্ড শেষ হয়। বাকি ছয় আসা’মি বর্তমানে র‍্যাবের রিমা’ন্ডে রয়েছেন। এঁরা হলেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত এবং কক্সবাজারে কর্মরত এপিবিএন-১৪-এর সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহজাহান, কনস্টেবল রাজীব ও আবদুল্লাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *