Categories
জাতীয়

যামিনী বালার জীবনের শেষ ইচ্ছা শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি ব্যতিক্রমী ভালোবাসা দেখিয়ে আসছেন পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের পূর্ব শিকারপুর গ্রামের ৮১ বছরের যামিনী বালা। মৃ’ত্যুর প্রহর গুনলেও বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার ভালোবাসা এতটুকুও কমেনি। মৃ’ত্যুশ’য্যাতেও পূজা-অ’র্চ’নার মধ্য দিয়ে শোক পালন করছেন।

 

প্রতিবছর শো’কের এই মাসে যামিনী বালা ও তার পরিবার বিভিন্ন আঙ্গিকে শো’কদিবস পালন করে আসছেন। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কল্যাণ কামনায় প্রদীপ জ্বা’লিয়ে, দূর্বাঘাস, ফুলসহ নানা উপকরণ দিয়ে নারায়ণ পূজাসহ বিশেষ প্রার্থনা করে আসছেন। এ সময় কী’র্তন ও প্র’সাদ বিতরণও করে আসছেন তারা।

যামিনী বালা জানান, একাত্তরে পা’কিস্তা’নি সেনারা তাদের ঘরবাড়ি পু’ড়িয়ে দিলেও জন্মভূমির ভিটা ছাড়েননি তিনি। নানা প্রতিকূলতা, মা’ন’সিক নি’র্যা’তন সহ্য করেও শেষ পর্যন্ত তিন ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে দেশের মাটি কামড়ে বসবাস করে আসছেন। ছোট্টবেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি ছিল অকৃত্রিম ভালোবাসা। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হ’ত্যা করা হলে শো’কাহত হন তিনি। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের মৃ’ত্যুর পর প্রতিবছর পূ’জা অ’র্চনা করেন। প্রথমদিকে নিজে করলেও পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা এতে যোগ দেন।

 

চলতি বছর জ’টিল রো’গে ভোগা যামিনী মৃ’ত্যুশ’য্যায়। মৃ’ত্যুশ’য্যাতেও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্য বিশেষ প্রার্থনা ও পূজা অর্চনা করেছেন। তিনি নিজে এই পূজা-অ’র্চনা করতে না পারলেও তার নির্দেশে ছেলে সত্যেন সেন, কমলাকান্ত সেন ও মংলা সেনের ব্যবস্থাপনায় পরিবারের সদস্যরা এবারেও এসব আয়োজন করেছেন।

 

যামিনী বালা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও ভ’ক্ত। জীবনে একবার দূর থেকে শেখ হাসিনাকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে বলে জানান তিনি। মৃ’ত্যুর আগে তার শেষ ইচ্ছা প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে একবার দেখবেন। যামিনী বালার ছেলে সত্যেন সেন জানান, আমার মা শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যরকম ভ’ক্ত। তিনি নিজেই বঙ্গবন্ধুর পরিবারের মঙ্গল কামনায় পূজা অ’র্চনা’ করতেন। এখন আমরা প্রতিবছর মায়ের নির্দেশনায় এই ধারাবাহিকতা র’ক্ষা করে আসছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *