Categories
জাতীয়

মেজর সিনহার ব্যাপারে এবার যা বললেন সাবেক এমপি বদি

কক্সবাজারে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হ’ত্যা নিয়ে একের পর এক খবর বের হচ্ছে। এ বিষয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ আসনের সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদির মতামত চাওয়া হলে তিনি বলেন ‘নো কমেন্টস’।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলাপকালে বদির কাছ থেকে সিনহা হ’ত্যা নিয়ে মতামত জানতে চান সাংবাদিক হারুন উর রশীদ। জবাবে সাবেক এই সাংসদ বলেন, নো কমেন্টস। তদ’ন্তাধীন ব্যাপার। এটা নিয়ে তদ’ন্ত চলতেছে সেখানে আমার কথা বলা উচিত হবে না।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জুলাই সিনহার সঙ্গে শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও তাসকিন কক্সবাজার যান ভ্রমণবিষয়ক ভিডিওচিত্র ধারণ করতে। গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিষবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর ত’ল্লা’শিচৌ’কিতে পুলিশের গু’লিতে নি’হ’ত হন মেজর (অব.) সিনহা। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আ’টক করে কা’রাগা’রে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আ’টক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জা’মিনে মু’ক্ত।

 

৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুর ত’ল্লা’শিচৌ’কিতে পুলিশের গু’লিতে মেজর (অব.) সি’ন’হা নি’হ’ত হওয়ার ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দু’টি মা’ম’লা’ হয়। একটি মা’মলা’য় হয় টেকনাফ থানায়। এই মা’মলা’য় সরকারি কাজে বাধা ও গু’লিতে নি’হত হও’য়ার অ’ভি’যোগ আনা হয়। সেই মা’ম’লার আ’সা’মি করা হয় সিফাতকে। আর মা’দক’দ্রব্য নিয়’ন্ত্রণ আইনে রামু থানায় দায়ের করা মা’দ’ক মাম’লায় আ’সামি করা হয় শিপ্রা দেবনাথকে।

৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন বাদী হয়ে একই আদালতে টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, থানার এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরের দিন বিকেলে ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত, এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আ’ত্মসম’র্পণ করেন। একই আদা’লত র‌্যাবের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত ও এসআই নন্দলাল রক্ষিতকে সাত দিনের রি’মা’ন্ড এবং অপর চার আ’সামি কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন ও এসআই লিটনকে কা’রাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন। অপর দুই আসা’মি এসআই টুটুল ও মো. মোস্তফা আদালতে হাজির হননি। পুলিশের দাবি, এই নামে জেলা পুলিশে কেউ নেই।

 

এরপর আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মামলার সাত আ’সামিকে জিজ্ঞাসাবাদে কা’রাগা’র থেকে নিয়ে গেছে র‌্যা’পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। সাত আসা’মির মধ্যে চারজন পুলিশ সদস্য। তারা হলেন কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া। অন্য আসা’মিরা পুলিশের করা মা’মলার তিন সাক্ষী। তাঁরা হলেন টেকনাফের মারিশবুনিয়া গ্রামের মো. আইয়াস, নুরুল আমিন ও নাজিম উদ্দিন।

গত বুধবার কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই সাত আ’সামিকে র‍্যাবের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে সাত দিন করে রিমা’ন্ড মনজুর করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *