Categories
জাতীয়

পাহাড়ে সিনহার সঙ্গে অস্ত্র থাকার বিষয়ে মুখ খুললেন প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা যখন গু’লিবিদ্ধ হন, সে সময় তার পাশেই ছিলেন তার তথ্যচিত্রের কাজের সহকর্মী সাহেদুল ইস’লাম সিফাত। পরে পু’লিশ হেফাজতে নিয়ে গিয়ে সিফাতকে হাতকড়া পরিয়েই রাখা হয় কয়েক ঘন্টা। করা হয় জিজ্ঞাসাবাদ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিওতেই বোঝা যায় কী’ ঘটেছিলো সেদিন।

 

তথ্যচিত্রের জন্য ছবি ধারণ করতে বিকালে পাহাড়ে ওঠেন অবসরপ্রাপ্ত সে’না কর্মক’র্তা সিনহা, সঙ্গী ছিলেন সিফাত। আ’ট’ক হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদেও বলেছিলেন, পাহাড়ে সিনহার সঙ্গে কোন আগ্নেয়াস্ত্র ছিলো না।

 

সিনহার সহকর্মী সাহেদুল ইস’লাম সিফাত বলেন, ‘না কোন অ’স্ত্র ছিলো না। আমাদের হাতে ট্রাইপড ছিলো ওইটাকে উনারা ভুল বুঝতে পারেন। কিন্তু পাহাড় থেকে নামা’র সময় কোন অ’স্ত্র ছিলো না। আমি হাত তোলা দেখে পিছনে চলে এসেছি। আমাদের আগেই গাড়ি থেকে নামতে বলেছিলো।’

 

শামলাপুর চেকপোস্টে পরিচয় জানার পর গাড়ির সামনে ড্রাম ফেলে আ’ট’কে দেয়া হয় তাদের। সিফাত আরও বলেন, ‘আম’রা প্রথম যখন পৌঁছেছি আমাদের বলা হলো আপনাদের সম্বন্ধে জানান। আম’রা গাড়ির গ্লাস ওঠানোর সময় উনি আসলেন। এসে উনি বললেন, দাঁড়ান আবার বলেন। তারপর উনি দৌড়ে গিয়ে ড্রামটা সামনে দিয়ে দিলেন। উনাদের গায়ে পু’লিশের ইউনিফর্ম ছিলো না। তারা ৪-৫ জন ছিলো।’

 

তারপরই গাড়ি থেকে বের হতে বলে পু’লিশ। সাহেদুল ইস’লাম সিফাত জানান, ‘পু’লিশের পক্ষ থেকে চি’ৎকার ছিলো যে, বের হ গাড়ি থেকে। আমি যখন গাড়ি থেকে নেমে পিছনে হাঁটা শুরু করি উনিও গাড়ি থেকে নামেন। তারপর বলেন কাম ডাউন, কাম ডাউন। এরপর আমি গু’লির শব্দ শুনি। তারপর আমি দেখলাম সিনহা স্যার মাটিতে পড়া। তখন আমি ভেবেছিলাম শরীরে লাগেনি, হয়তো ফাঁকা আওয়াজ করেছেন, উনি হয়তো মাটিতে শুয়ে পড়েছেন। তারপর দেখলাম উনার শরীর থেকে র’ক্ত বের হচ্ছে।’

প্রশ্নক’র্তাদের জানতে চেয়েছিলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার অবস্থান এবং অ’স্ত্র কোথায় ছিলো? এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত জানান, ‘সিনহা স্যার যখন গাড়ি থেকে নামেন আমি দেখেছি উনি পি’স্তলটা গাড়িতে রেখে নেমেছেন। আমি দেখেছি উনি দু’হাত তুুলে গাড়ি থেকে নেমেছেন। আমিতো পিছনে ছিলাম তাই আমি শুধুু দেখেছি উনি নিচু হয়ে ছিলেন। তাই উনার পদক্ষেপটা আমি দেখতে পাইনি।’

 

সিফাত জানান, ‘গু’লি করার সময় আশেপাশে তেমন কোন লোকজন ছিলো না। দূরে হয়তো ছিলো তবে প্রথম’দিকে কোন ভিড় হয়নি। প্রথমে পেছনে একটা বা দুুইটা গাড়ি ছিলো। পরে ক্রাউড হয়েছিলো।’ এই সিফাত এখন সাবেক সে’না কর্মক’র্তা সিনহা হ’ত্যা মা’মলার অন্যতম সাক্ষী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *