Categories
জাতীয়

১৮ লাখের স্থানে নিয়ে যায় ৫১ লাখ, লোভে ৫ টাকার পয়সাও শপিংব্যাগ করে নিয়ে যায় ওসি মর্জিনা

ভালো মানুষের মুখোস পড়ে মূলত দু’র্নীতি চাঁদাবাজিসহ নানা অনিয়মের মধ্যে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াই ছিল ওসি প্রদীপের কাজ। কেউ টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে বিভিন্ন ভাবে ভ’য়ভীতি দেখিয়ে থাকতেন তিনি। এমনকি টাকার জন্য তিনি মানুষকে শেষ করে দিতেও একটি বারের জন্যও ভাবেন না। আর এদিকে তার থেকে কোনো অংশে কম নেই খিয়ার থা’নার অফিসার ইনচার্জ ওসি ম’র্জিনা আকতার।

জানা গেছে, অ’ভিযানের সময় পাঁচ টাকার পয়সাও নিয়ে গেছেন ওসি ম’র্জিনা আকতার। পাশাপাশি ওসি প্রদীপের সঙ্গে মিলে মা, বোন ও আমাকে নি’র্যা’তন করেছেন অমানু’ষিকভাবে। থাপ্প’’ড় মে’রেছেন ওসি প্রদীপসহ তার লোকজন। তারা ১৮ লাখ টাকার নেয়ার কথা বলে নিয়ে গেছে ৫১ লাখ টাকার বেশি। পাশাপাশি ভাংতি পয়সাও। টাকার লো’ভ ম’র্জিনার এতই বেশি যে তার নজর থেকে এড়িয়ে যায়নি ৫ টাকার পয়সাও।

ওসি প্রদীপ ও ওসি ম’র্জিনার এই ন্যাক্কারজনক অ’ভিযানে যেমন কেড়ে নিয়ে আমা’র নির্দোষ শ্বশুরকে যেমন নিয়ে যেমন মে’রে ফেলেছে, তেমনই সহায় সম্বলও।উপরের কথাগুলো বলেছেন, কক্সবাজারের নিহ’ত উখিয়া কুতুপালং এলাকার ইউপি সদস্য বখতিয়ার মেম্বারের পুত্রবধূ রোমানা শারমিন।

তিনি জানান, পাশাপাশি পরিবারের সব পুরুষ সদস্যদের মা’মলা দিয়ে করেছে এলাকা ছাড়াও। যে কারণে প্রতিনিয়ত চরম নিরাপত্তাহীনতায় চলছে তাদের পরিবার পরিজনের জীবনযাত্রা।স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা নি’হতে’র মাত্র সাত দিন আগে (২৩ জুলাই) আরেকটি ভ’য়াবহ কথিত ঘটনা ঘটায় তৎকালীন টেকনাফ থা’নার ওসি প্রদীপ কুমা’র দাশ ও উখিয়া থা’নার ওসি ম’র্জিনা আকতার। ওই দুই থা’নার ওসির যৌথ নেতৃত্বে ওই দিন ভোর রাতে উখিয়ার রাজা’পালংয়ের ইউপি মেম্বার বখতিয়ারকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পু’লিশ।

বখতিয়ার মেম্বারের স্ত্রী’ শাহিন আকতার বলেন, “পু’লিশের দাবি ছিল গাড়িতে একজন আ’সামি আছে তাকে শনাক্ত করতে হবে। তাই বাড়ির বাইরে আসতে হবে। কিন্তু দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই রাক্ষসী বাঘের মত থাবা দিয়ে নিয়ে যায় মেম্বারকে। পরে অনেক খোঁজাখুজির করে খবর পাওয়া যায়নি।

একই দিন সন্ধ্যায় পুনরায় ওসি প্রদীপ ও ওসি ম’র্জিনা নেতৃত্বে ৪০/৫০ জনের পু’লিশের একটি দল অ’ভিযান চালায় আবারো বাসায়। ওসি প্রদীপ ওই সময় বলেন, ’বখতিয়ার মেম্বার বলেছে আলমা’রিতে ১৮ লাখ টাকা আছে।

ওই টাকা বের করে দাও’। যখন পু’লিশের কথামত টাকা বের করা না হয় তখন আমাকে (শাহীন আক্তার) হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে রেখে পরিবারের সকল মে’য়েদের ওপর চলে অমানুষিক অ’ত্যাচার। শেষমেষ ১৮ লাখ টাকা দিতে রাজি হই আমি।

পরে টাকা বের করতে না করতে আলমা’রির সকল ড্রয়ার ও ঘরের সমস্ত্র লকারে চলে ব্যাপক ভাং;চুর। একপর্যায়ে নিয়ে যায় ৫১ লাখ টাকারও বেশি। এই সময় উখিয়া থা’নার ওসি ম’র্জিনা আকতার নিজেই ৫ টাকার পয়সা’সহ শপিংব্যাগ করে নিয়ে যায় ভাংতি পয়সাও।

এছাড়া আরও অনেক অনিয়মের অ’ভিযোগ রয়েছে উখিয়ার থা’নার অফিসার ইনচার্জ ওসি ম’র্জিনা আকতারের বি’রুদ্ধে। অনেককেই মিথ্যা মা’মলায় জড়িয়ে দেওয়ার ভ’য় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। তার সাথে কথা বলতেও ভ’য় পেত সবাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *