Categories
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্প নয়! আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন এই ব্যক্তি, জানুন তার পরিচয়

ইতিমধ্যে করোনায় বিধ্বস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States)। আক্রান্তের পাশাপাশি প্রতিদিনই বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। আর তারমাঝেব বেজে উঠল ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ডঙ্কা। কারন, ২০২০ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল সারা বিশ্বের ওপরই প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে।

 

সেদিক দিয়ে তাকিয়ে কুয়িনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত জনমত সমীক্ষা তুলে ধরল সাম্ভাব্য ফল। তারা জানিয়েছেন, সমীক্ষায় অংশ নেওয়া তালিকাভুক্ত ভোটারদের মধ্যে ৫২ শতাংশ বাইডেনকে সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন মাত্র ৩৭ শতাংশ ভোটার।

 

অর্থাৎ সর্বশেষ জনমত সমীক্ষার ফলাফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী (Democratic Party) জো বাইডেনের চেয়ে ১৫ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছেন। এ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত ১৮ জুনের সমীক্ষার ফলাফলে ট্রাম্পের অবস্থান এর চেয়ে ভালো ছিল।

 

সেখানে ট্রাম্পের পক্ষে ৪১ শতাংশ এবং বাইডেনের পক্ষে ৪৯ শতাংশ ভোটার সমর্থন জানিয়েছিলেন। এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে দু’জনের মধ্যে পার্থক্য আট পয়েন্ট থেকে বেড়ে ১৫ পয়েন্টে পৌঁছে গেছে। এর আগের বেশ কয়েকটি সমীক্ষার ফলাফলেও দেখা গেছে, আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেনের বিজয়ের সম্ভাবনা বেশি।

 

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় অদক্ষতা, কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক ফ্লয়েড হত্যা এবং বেকারত্ব বেড়ে যাওয়ার কারণে ট্রাম্পের ভোট ক্রমেই তলানিতে গিয়ে ঠেকছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। কিন্তু কে এই জো বাইডেন, আসুন তার পরিচয় একনজরে দেখে নিই।

 

উল্লেখ্য, জোসেফ রবিনেট “জো” বাইডেন, জুনিয়র । জন্ম: ২০শে নভেম্বর, ১৯৪২ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত সিনিয়র সিনেটর। তিনি ২০০৮ সালের মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির পক্ষ থেকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

 

তিনি বারাক ওবামার সাথে ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ২০০৫ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাইডেন ১৯৬৯ সালে অ্যাটর্নি হন এবং ১৯৭০ সালে কান্ট্রি কাউন্সিলে নির্বাচিত হন। ১৯৭২ সালে প্রথমবারের মত সিনেটে নির্বাচিত হন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে পঞ্চম কনিষ্ঠতম সিনেটর।

 

প্রসঙ্গত, অন্য অনেক দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রে অনেক রাজনৈতিক দল নেই। দেশটিতে প্রধানত দুইটি দলই বেশি ভোট পেয়ে থাকে: ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান পার্টি (Republican Party)। আধুনিক উদারনীতিতে বিশ্বাস করে ডেমোক্র্যাট পার্টি- যারা রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, সাশ্রয়ী মূল্যের শিক্ষা, সামাজিক কর্মসূচী, পরিবেশ সংরক্ষণ নীতি এবং শ্রমিক ইউনিয়নে বিশ্বাস করে।

 

অন্যদিকে রিপাবলিকান পার্টি, যে দলটি গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি অথবা জিওপি নামেও পরিচিত- আমেরিকান রক্ষণশীলতার প্রচারণা করে। যেমন সীমিত সরকারি নিয়ন্ত্রণ, কম কর হার, মুক্তবাজার পুঁজিবাদ, বন্দুকের অধিকার, নিয়ন্ত্রণ মুক্ত শ্রমিক ইউনিয়ন এবং অভিবাসন ও গর্ভপাতের মতো ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করায় বিশ্বাসী দল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *